সোমবার, ১৯ অক্টোবর, ২০২৬, ঢাকা

স্কুল থেকে বিশ্ববিদ্যালয়, ১৬৮ বছরের পথচলায় জগন্নাথের ইতিহাস ও ঐতিহ্য

জুহার আলমাস লাবিব, জবি প্রতিবেদক 
প্রকাশিত: ১৯ অক্টোবর ২০২৬, ০৪:১৬ পিএম

শেয়ার করুন:

স্কুল থেকে বিশ্ববিদ্যালয়, ১৬৮ বছরের পথচলায় জগন্নাথের ইতিহাস ও ঐতিহ্য
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়

পুরান ঢাকার প্রাণকেন্দ্রে বাহাদুর শাহ পার্কের সামনে ১৮৫৮ সালে ‘ঢাকা ব্রাহ্ম স্কুল’ নামে যাত্রা শুরু হয়েছিল যে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের, সময়ের পরিক্রমায় সেটিই আজকের জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়। স্কুল থেকে কলেজ; তারপর কলেজ থেকে বিশ্ববিদ্যালয়- দীর্ঘ এই পথচলায় প্রতিষ্ঠানটি পেরিয়েছে নানা সমস্যা ও সম্ভাবনা। 

ইতিহাসের ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলন, ভাষা আন্দোলন এবং মহান মুক্তিযুদ্ধসহ দেশের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ঐতিহাসিক অধ্যায়ে রয়েছে জগন্নাথের শিক্ষার্থীদের সামনে থেকে সক্রিয় অংশগ্রহণ। সীমিত পরিসর ও নানা অবকাঠামোগত সংকটের মধ্যেও উচ্চশিক্ষা, সংস্কৃতি ও শিক্ষার্থীদের সাফল্যে নিজের অবস্থান ধরে রেখেছে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়।

স্কুল থেকে কলেজ, কলেজ থেকে বিশ্ববিদ্যালয়

১৮৫৮ সালে প্রতিষ্ঠিত ঢাকা ব্রাহ্ম স্কুলের নাম ১৮৭২ সালে পরিবর্তন করে ‘জগন্নাথ স্কুল’ রাখা হয়। বালিয়াটির জমিদার কিশোরীলাল রায় চৌধুরী তার পিতা জগন্নাথ রায় চৌধুরীর নামানুসারে প্রতিষ্ঠানটির এই নামকরণ করেন। পরে ১৮৮৪ সালে স্কুলটিকে কলেজে রূপান্তর করে নাম দেওয়া হয় ‘জগন্নাথ কলেজ’।

মানিকগঞ্জের বালিয়াটির জমিদার জগন্নাথ রায় চৌধুরীর তিন সন্তানের মধ্যে মধ্যম পুত্র ছিলেন কিশোরীলাল রায় চৌধুরী। কলেজ প্রতিষ্ঠার উদ্যোগে তাঁকে সহযোগিতা করেন অনাথবন্ধু মল্লিক, আইনজীবী ত্রৈলোক্যনাথ বসু ও বিচারপতি সারদাচরণ মৈত্র। মাত্র ৪৮ জন শিক্ষার্থী নিয়ে যাত্রা শুরু করা কলেজটি অল্প সময়ের মধ্যেই ব্যাপক পরিচিতি লাভ করে। এর সুনাম ছড়িয়ে পড়লে সন্তোষের জমিদার রাজা মন্মথ রায় চৌধুরী কলেজ কাউন্সিলের চেয়ারম্যানের অনুমতিক্রমে টাঙ্গাইলে অবস্থিত প্রমথ-মন্মথ কলেজকে জগন্নাথ কলেজের সঙ্গে যুক্ত করেন।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠায় অবদান

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠার ইতিহাসেও জগন্নাথ কলেজের গুরুত্বপূর্ণ অবদান রয়েছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিকাশে যে দুটি কলেজ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিল, সেগুলো হলো জগন্নাথ কলেজ ও ঢাকা কলেজ। শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও বই-পুস্তক দিয়ে নবপ্রতিষ্ঠিত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিকাশে সহযোগিতা করে জগন্নাথ কলেজ। 

১৯২১ সালের ১ জুলাই এই দুই কলেজের ডিগ্রি শ্রেণির শিক্ষার্থীদের নিয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের যাত্রা শুরু হয়। বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠায় সহযোগিতা করতে গিয়ে জগন্নাথ কলেজকে ইন্টারমিডিয়েট কলেজে পরিণত হতে হয়।

হল হারানোর ইতিহাস ও আবাসন সংকট

জগন্নাথ কলেজের ইতিহাসে আবাসন সংকটের অধ্যায়টি দীর্ঘদিনের। ১৯৮২ সাল থেকে এলাকার প্রভাবশালীদের কলেজের হল দখলের চেষ্টা শুরু হয়। এ নিয়ে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে এলাকাবাসীর একাধিকবার সংঘর্ষ হয়। প্রথমে বেদখল হয় কুমারটুলি ছাত্রাবাস। পরে ৮৪ জিএল পার্থ লেন ও কুমারটুলিতে ওয়াইজঘাটের স্টার সিনেমা হলের পেছনে অবস্থিত হলগুলোও একে একে বেদখল হয়ে যায়।

১৯৯২ সালে কলেজের ১৪টি ছাত্রাবাসের মধ্যে মাত্র তিনটি জগন্নাথ কলেজ প্রশাসনের নিয়ন্ত্রণে ছিল। বাকি হলগুলো পুলিশ ও এলাকাবাসীর দখলে চলে যায়। নিয়ন্ত্রণে থাকা তিনটি ছাত্রাবাসের মধ্যে মাহমুদা স্মৃতি ভবন ও এরশাদ হল পরবর্তী সময়ে ভেঙে সেখানে মসজিদ ও কলা অনুষদ নির্মাণ করা হয়। আবাসিক হল হারানোর এই ইতিহাস পরবর্তী সময়ে বিশ্ববিদ্যালয়টির শিক্ষার্থীদের আবাসনসংকটের অন্যতম প্রেক্ষাপট হয়ে ওঠে।

বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা ও স্বায়ত্তশাসনের আন্দোলন

সরকারি জগন্নাথ কলেজ এবং সরকারি জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ হিসেবে পথ পেরিয়ে ২০০৫ সালের ২০ অক্টোবর পূর্ণাঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে যাত্রা শুরু করে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়। তবে বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার পর এর পথচলা মসৃণ ছিল না।

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় আইন, ২০০৫-এর ২৭(৪) ধারা অনুযায়ী, বিশ্ববিদ্যালয়টিকে নিজস্ব আয় থেকে ব্যয় নির্বাহ করতে হতো। এ কারণে চাকরির অনিশ্চয়তায় শুরুর দিকে অনেক যোগ্য শিক্ষক বিশ্ববিদ্যালয়ে যোগ দিতে আগ্রহী হননি। তৎকালীন কলেজের অধিকাংশ শিক্ষকও বিশ্ববিদ্যালয় ছেড়ে অন্য সরকারি কলেজে যোগ দেন। সে সময় কলেজ আমলের মাত্র সাতজন শিক্ষক বিশ্ববিদ্যালয়ে যোগ দিয়েছিলেন বলে উল্লেখ রয়েছে।

এই পরিস্থিতির পরিবর্তনে ২০১২ সালে শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা তীব্র আন্দোলন গড়ে তোলেন। আন্দোলনের মুখে ২৭(৪) ধারা বাতিল হলে বিশ্ববিদ্যালয়টির আর্থিক ও প্রশাসনিক কাঠামো নিয়ে দীর্ঘদিনের সংকট নিরসনে গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি আসে।

২০০৫ সালে জাতীয় সংসদে গৃহীত জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় আইন অনুযায়ী, পূর্বতন জগন্নাথ কলেজের শিক্ষার্থীরা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী হিসেবে গণ্য হন। তাদের নিয়েই অল্প কয়েকটি বিভাগে একাডেমিক কার্যক্রম শুরু হয়। পরবর্তী সময়ে চালু হয় আরও বিভিন্ন বিভাগ। সংগীত, চারুকলা ও নাট্যকলা বিভাগের কার্যক্রম শুরু হওয়ার মধ্য দিয়ে পুরান ঢাকার সাংস্কৃতিক পরিসরেও বিশ্ববিদ্যালয়টির ভূমিকা বিস্তৃত হয়। 

ছোট ক্যাম্পাসে বড় পরিসরের শিক্ষা কার্যক্রম

প্রতিষ্ঠার সময় জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের আয়তন ছিল ১১ দশমিক ১১ একর। বর্তমানে এর জায়গা কমে প্রায় সাড়ে সাত একরে দাঁড়িয়েছে। সীমিত এই পরিসরেই পরিচালিত হচ্ছে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ও একাডেমিক কার্যক্রম।

ক্যাম্পাসে রয়েছে প্রশাসনিক ভবন, কলাভবন, বিজ্ঞান ভবন, ব্যবসায় প্রশাসন ভবন, সামাজিক বিজ্ঞান ভবন, নবনির্মিত শহীদ সাজিদ একাডেমিক ভবন ও অবকাশ ভবনসহ মোট ১০টি ভবন। এছাড়া রয়েছে শহীদ মিনার এবং মুক্তিযুদ্ধের স্মারক ভাস্কর্য ‘একাত্তরের গণহত্যা ও মুক্তিযুদ্ধের প্রস্তুতি’।

প্রতিষ্ঠাকালে চারটি অনুষদ ও ২২টি বিভাগ নিয়ে যাত্রা শুরু করা বিশ্ববিদ্যালয়টিতে শিক্ষার্থী ছিলেন প্রায় ২৬ হাজার। বর্তমানে সাতটি অনুষদের অধীনে ৩৯টি বিভাগ ও দুটি ইনস্টিটিউট রয়েছে। শিক্ষার্থীর সংখ্যা ১৭ হাজার ৮৭৯ জন। শিক্ষক রয়েছেন ৬৭৮ জন এবং কর্মকর্তা-কর্মচারী প্রায় ৭০০ জন।

সহশিক্ষা ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড

শুধু শ্রেণিকক্ষের শিক্ষায় সীমাবদ্ধ নয় জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের কার্যক্রম। তাদের মেধা, সৃজনশীলতা ও নেতৃত্বের বিকাশে রয়েছে বিভিন্ন সাংস্কৃতিক, সাহিত্য, বিতর্ক, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিভিত্তিক সংগঠন। এর মধ্যে রয়েছে সাংস্কৃতিক কেন্দ্র, আবৃত্তি সংসদ, চলচ্চিত্র সংসদ, ডিবেটিং সোসাইটি, উদীচী শিল্পীগোষ্ঠী, ফটোগ্রাফিক সোসাইটি, আইটি সোসাইটি, রঙ্গভূমি, সায়েন্স ফিকশন সোসাইটি, ফিল্ম ক্লাব, ক্যারিয়ার ক্লাব ও মাইম সোসাইটি।

পাশাপাশি সেবামূলক কর্মকাণ্ডে যুক্ত রয়েছে বাঁধন, রোভার স্কাউটস, রেঞ্জার ইউনিট ও বাংলাদেশ ন্যাশনাল ক্যাডেট কোর (বিএনসিসি)। বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন ঘটনা, শিক্ষার্থীদের দাবি ও ক্যাম্পাসের খবর তুলে ধরতে কাজ করছে সাংবাদিক সমিতি, রিপোর্টার্স ইউনিটি ও প্রেসক্লাবসহ বিভিন্ন সংগঠন।

১৫ বছর পর আবাসিক হল, প্রথম সমাবর্তন

দীর্ঘদিন অনাবাসিক বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে পরিচিত জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রতিষ্ঠার ১৫ বছর পর, ২০২০ সালে উদ্বোধন করা হয় বেগম ফজিলাতুন্নেছা মুজিব হল। শিক্ষার্থীদের আবাসনসংকটের প্রেক্ষাপটে হলটি চালু হওয়া ছিল বিশ্ববিদ্যালয়ের পথচলায় একটি উল্লেখযোগ্য ঘটনা।

একই বছর জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ধূপখোলা খেলার মাঠে প্রথমবারের মতো সমাবর্তন অনুষ্ঠিত হয়। এর মধ্যদিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাতিষ্ঠানিক ইতিহাসে যুক্ত হয় আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়।

শিক্ষার্থীদের সাফল্যে এগিয়ে চলা

সীমাবদ্ধতা থাকা সত্ত্বেও বিভিন্ন ক্ষেত্রে সাফল্য অর্জন করছেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশনের বিভিন্ন পরীক্ষা থেকে শুরু করে অন্যান্য চাকরির প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায়ও বিশ্ববিদ্যালয়টির মেধাবী শিক্ষার্থীরা সাফল্যের পরিচয় দিচ্ছেন।

গবেষণার সুযোগ ও অবকাঠামোগত সীমাবদ্ধতার মধ্যেও শিক্ষার্থীদের একটি অংশ নিজেদের অর্জিত জ্ঞান কাজে লাগিয়ে বিশ্বের বিভিন্ন খ্যাতনামা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে উচ্চশিক্ষার সুযোগ পেয়েছেন। পড়াশোনার পাশাপাশি খেলাধুলা ও সাংস্কৃতিক অঙ্গনেও বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা প্রতিভার স্বাক্ষর রেখে চলেছেন।

আন্দোলন-সংগ্রাম ও মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিবিজড়িত ক্যাম্পাস

জগন্নাথ কলেজের প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন রাজনৈতিক ও ঐতিহাসিক আন্দোলনে অংশ নিয়েছেন। ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলন, ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলন এবং ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে তাদের ভূমিকা প্রতিষ্ঠানটির ইতিহাসের গুরুত্বপূর্ণ অংশ। ব্রিটিশবিরোধী প্রথম নাটক মঞ্চস্থ করার কৃতিত্বও জগন্নাথ কলেজের শিক্ষার্থীদের বলে উল্লেখ করা হয়। ভাষা আন্দোলনে শহীদ হন প্রতিষ্ঠানটির শিক্ষার্থী রফিক। মহান মুক্তিযুদ্ধেও কলেজটির অনেক শিক্ষার্থী শহীদ হন।

বিশ্ববিদ্যালয়ের বর্তমান বিজ্ঞান ভবনের সামনে একাত্তরে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর ক্যাম্প ছিল। ক্যাম্পাসের ‘একাত্তরের গণহত্যা ও মুক্তিযুদ্ধের প্রস্তুতি’ ভাস্কর্যে মুক্তিযুদ্ধের প্রস্তুতি ও গণহত্যার চিত্র ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি ধারণে ভাস্কর্যটি বিশ্ববিদ্যালয়ের ঐতিহাসিক গুরুত্বের অংশ।

এছাড়া ১৯৬৬ সালে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ছয় দফা ঘোষণা করার পর তার সমর্থনে জগন্নাথের শিক্ষার্থীরা সর্বপ্রথম মিছিল করেছিলেন বলে উল্লেখ রয়েছে। এসব ঘটনা প্রতিষ্ঠানটির রাজনৈতিক ও ঐতিহাসিক ঐতিহ্যকে আরও সমৃদ্ধ করেছে।

সীমাবদ্ধতা পেরিয়ে বিশ্বমানের বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রত্যাশা
দীর্ঘ ইতিহাস ও অর্জনের পাশাপাশি জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনে রয়েছে নানা চ্যালেঞ্জ। ছোট ক্যাম্পাস, জায়গার অপ্রতুলতা, গবেষণাগারের অভাব ও আবাসনসংকটের মতো সীমাবদ্ধতা এখনো উচ্চশিক্ষা ও গবেষণার পরিবেশকে প্রভাবিত করছে। এসব প্রতিকূলতার মধ্যেও শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা বিশ্ববিদ্যালয়টিকে বিশ্বমানের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে রূপান্তরের লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছেন।

একদিকে ঐতিহাসিক ঐতিহ্য, অন্যদিকে আধুনিক উচ্চশিক্ষার প্রত্যাশা—এই দুইয়ের সমন্বয়ে এগিয়ে চলেছে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়। আগামী দিনে শিক্ষা, গবেষণা, উদ্ভাবন ও শিক্ষার্থীদের অর্জনের মধ্য দিয়ে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে আরও শক্ত অবস্থান তৈরি করবে প্রতিষ্ঠানটি—এমন প্রত্যাশা সংশ্লিষ্টদের।

দীর্ঘ পথচলায় নানা প্রতিকূলতা পেরিয়ে আজকের অবস্থানে পৌঁছেছে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়। আগামী দিনের শিক্ষার্থীদের হাত ধরে প্রতিষ্ঠানটি বিশ্বমঞ্চে আরও গৌরবোজ্জ্বল অবস্থান তৈরি করবে—এমন প্রত্যাশা নিয়েই বিশ্ববিদ্যালয়টির জন্মদিনে নতুন সম্ভাবনার দিকে তাকিয়ে শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও সংশ্লিষ্টরা।

এএইচ

আপডেট পেতে ফলো করুন

Google NewsWhatsAppMessenger
সর্বশেষ
জনপ্রিয়

সব খবর