বৃহস্পতিবার, ৮ অক্টোবর, ২০২৬, ঢাকা

‎পিসিআইইউতে তৃতীয় আন্তর্জাতিক সম্মেলনের উদ্বোধন

বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৮:৫৯ পিএম

শেয়ার করুন:

‎পিসিআইইউতে তৃতীয় আন্তর্জাতিক সম্মেলনের উদ্বোধন

উচ্চশিক্ষার উৎকর্ষের মাধ্যমে টেকসই উন্নয়নকে এগিয়ে নেওয়ার লক্ষ্যে পোর্ট সিটি ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটিতে শুরু হয়েছে তৃতীয় আন্তর্জাতিক কনফারেন্স। জ্ঞান, গবেষণা ও অভিজ্ঞতা বিনিময়ের লক্ষ্যে আয়োজিত এ সম্মেলনে বাংলাদেশসহ আরও সাতটি দেশের গবেষকরা অংশগ্রহণ করেছেন। সাসটেইনেবল ডেভেলপমেন্ট থ্রু এক্সেলেন্স ইন হায়ার এডুকেশন কনটেমপোরারি গ্লোবাল পার্সপেক্টিভস—এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে শুরু হয়েছে দুই দিনব্যাপী এ কনফারেন্স।

‎

‎বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) সকাল ১০টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের অডিটরিয়ামে দুই দিনব্যাপী কনফারেন্সের উদ্বোধন করা হয়।

‎

 

‎উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত  ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান ও বোর্ড অব ট্রাস্টিজের সদস্য জহির আহমেদ রতন। বিশেষ অতিথি ছিলেন ইউসিটিসি ইউনিভার্সিটির উপাচার্য ড. মোহাম্মদ সোলাইমান এবং প্রিমিয়ার ইউনিভার্সিটির উপাচার্য অধ্যাপক এস. এম. নসরুল কাদির।

‎

 

‎এ ছাড়া বক্তব্য রাখেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ তৈয়ব চৌধুরী, কনফারেন্সের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. গণেশ চন্দ্র রায়, বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার মো. ওবায়দুর রহমান, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আলী চৌধুরীসহ আরও অনেকে।

‎

‎কনফারেন্সের মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ইন্দোনেশিয়ার বুদি লুহুর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রভাষক ড. নি গুস্তি কেতুত কুর্নিয়াসারি, মালদ্বীপের সাবেক শিক্ষামন্ত্রী ও জিকুরা ইন্টারন্যাশনাল কলেজের সহকারী অধ্যাপক ড. আব্দুল্লাহ রশীদ এবং চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ও সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক ড. কামাল উদ্দিন।

‎

 

‎উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, উচ্চশিক্ষায় টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করতে শিক্ষা, গবেষণা ও প্রাতিষ্ঠানিক উদ্যোগের সমন্বয়ের ওপর গুরুত্ব দিতে হবে। শিক্ষার্থী ও গবেষকদের অভিজ্ঞতা বৃদ্ধির জন্য এমন আয়োজন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

‎

 

‎বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ড. মোহাম্মদ তৈয়ব চৌধুরী বলেন, আমাদের অনেক প্রিয় শিক্ষার্থী রয়েছে। ২০১৩ সালে পাঁচশরও কম শিক্ষার্থী নিয়ে আমরা যাত্রা শুরু করেছিলাম। বর্তমানে সেই সংখ্যা প্রায় ছয় হাজারে পৌঁছেছে। প্রায় ছয় হাজার শিক্ষার্থী নিয়ে আমরা এগিয়ে চলেছি। এ সম্মেলনে আমার সহকর্মী গবেষক, শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের স্বাগত জানাতে পেরে আমি আনন্দিত। অনেক শিক্ষার্থী এই সম্মেলনে তাদের গবেষণাপত্র জমা দিয়েছেন। আমার বিশ্ববিদ্যালয়, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকর্মীরাও এখানে উপস্থিত রয়েছেন। ওই বিশ্ববিদ্যালয়ের অনেক গবেষকও সম্মেলনে অংশ নিয়েছেন। এ ছাড়া চুয়েটসহ বাংলাদেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকরাও এখানে উপস্থিত রয়েছেন।

‎

 

‎

‎তিনি আরও বলেন, এই সম্মেলন বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকদের একত্রিত হওয়ার সুযোগ তৈরি করেছে। অনেক গবেষক এই সম্মেলনে তাদের গবেষণাপত্র জমা দিয়েছেন। বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় ও দেশের গবেষকেরা এতে অংশ নিয়েছেন। এর মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের গবেষকরাও রয়েছেন। এটি শিক্ষাবিদ ও গবেষকদের একটি চমৎকার মিলনমেলা। অধিকাংশ গবেষণাপত্রই বিভিন্ন ক্ষেত্র ও প্রতিষ্ঠানের গবেষকদের লেখা। এখানে ছয় শতাধিক গবেষক ও শিক্ষাবিদ একত্রিত হয়েছেন।

‎

‎

‎উপস্থিত সবাইকে একত্রিত হওয়ার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, আসুন, আমরা স্মরণ করি—টেকসই উন্নয়ন কেন গুরুত্বপূর্ণ এবং কীভাবে আমরা তা অর্জন করতে পারি। একটি জাতির উন্নয়নে মানসম্মত উচ্চশিক্ষা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। শিক্ষা একটি জাতির উন্নয়নে সহায়তা করে এবং বিশ্ব উন্নয়নেও অবদান রাখে। বিশ্বে শান্তি ও উন্নয়ন প্রতিষ্ঠায় আমাদের একসঙ্গে কাজ করা উচিত। তাই এই গুরুত্বপূর্ণ সম্মেলনের অংশ হতে পেরে আমরা আনন্দিত।

‎

‎এবারের কনফারেন্সে ৩০১টি গবেষণাপত্র জমা পড়েছিল। এর মধ্যে ২৮৫টি গবেষণাপত্র গ্রহণ করা হয়েছে। প্রথম দিন দেশ-বিদেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকদের ১১৭টি গবেষণাপত্র উপস্থাপন করা হয়েছে। বাংলাদেশের পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, চীন, মালয়েশিয়া, তুরস্ক, নাইজেরিয়া ও ভারতের ১১টি গবেষণাপত্র গ্রহণ করা হয়েছে।

‎

আপডেট পেতে ফলো করুন

Google NewsWhatsAppMessenger
সর্বশেষ
জনপ্রিয়

সব খবর