বাংলাদেশ বিমানবাহিনী পরিচালিত বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশুদের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ‘ব্লু স্কাই’ স্কুলে সাধারণ মানুষের সন্তানদের পড়াশোনার ব্যয় কমানোর নির্দেশ দিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। একইসঙ্গে প্রতিষ্ঠানটির সুযোগ-সুবিধা বাড়ানো এবং সাধারণ পরিবারের সন্তানদের ভর্তি আরও সহজ করার বিষয়ে পদক্ষেপ নিতে বলেছেন তিনি।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশে রোববার (৪ অক্টোবর) সকালে রাজধানীর তেজগাঁও পুরাতন বিমানবন্দর মাঠের পাশে অবস্থিত স্কুলটি পরিদর্শন করেন শিক্ষামন্ত্রী। এ সময় তিনি এসব নির্দেশনা দেন।
পরিদর্শনকালে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, প্রতিষ্ঠানটির টিউশন ফি অত্যন্ত ব্যয়বহুল। প্রধানমন্ত্রী তাকে স্কুলটি পরিদর্শন করে বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশুদের জন্য সুযোগ-সুবিধা কীভাবে বাড়ানো যায়, সাধারণ মানুষের সন্তানদের ভর্তি কীভাবে আরও সহজ করা যায় এবং ব্যয় কীভাবে কমানো যায়, সে বিষয়ে যথাযথ পদক্ষেপ নিতে বলেছেন।
এহছানুল হক মিলন বলেন, বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিক্ষার্থীদের পাঠদানের কারণে একজন শিক্ষক পাঁচজনের বেশি শিক্ষার্থীকে সামলাতে পারেন না। কোনো কোনো শ্রেণিতে একজন শিক্ষার্থীর বিপরীতে একজন শিক্ষকও রয়েছেন। ফলে প্রতিষ্ঠানটির পরিচালনা ব্যয় অনেক বেশি।
তিনি জানান, বর্তমানে কর্মকর্তা ও সাধারণ মানুষের সন্তানদের জন্য টিউশন ফি যথাক্রমে ২৫ হাজার ও ৩০ হাজার টাকা। এই ব্যয় কীভাবে কমিয়ে আনা যায়, তা বিবেচনা করার পরামর্শ দেন তিনি।
স্কুলের শিক্ষিত অভিভাবকদের প্রশিক্ষণ দিয়ে প্রতিষ্ঠানটির বিভিন্ন কাজে যুক্ত করার সুযোগ রয়েছে বলেও মনে করেন শিক্ষামন্ত্রী। এ বিষয়ে ভবিষ্যতে একটি পরিকল্পনা নেওয়া হবে বলে জানান তিনি। পাশাপাশি স্কুলটিকে সরকারিভাবে সহযোগিতা দেওয়ার ওপরও গুরুত্বারোপ করেন।
শিক্ষামন্ত্রী আশা প্রকাশ করেন, স্কুলটির আধুনিকায়ন এবং বিশেষায়িত শিক্ষা ব্যবস্থার উন্নয়নের মাধ্যমে অটিজমের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় আরও কার্যকরভাবে কাজ করা সম্ভব হবে।
পরিদর্শনের সময় স্কুলটির গভর্নিং বডির চেয়ারম্যান এয়ার কমডোর মো. আব্বাস আলী, বিমানবাহিনী সদর দপ্তরের শিক্ষা বিভাগের পরিচালক এয়ার কমডোর ইমরানুর রহমান এবং ব্লু স্কাই স্কুলের অধ্যক্ষ গ্রুপ ক্যাপ্টেন মো. নুর উল্লাহ উপস্থিত ছিলেন।
এমএইচ/এএইচ



