নতুন শিক্ষক-কর্মচারীদের এমপিওভুক্তির আবেদনের সঙ্গে জমা দেওয়া নিয়োগসংক্রান্ত কাগজপত্রে অসংগতি পাওয়ায় তিনটি মাদরাসার সুপারকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দিয়েছে মাদরাসা শিক্ষা অধিদফতর। নিয়োগ প্রক্রিয়ার বিভিন্ন ধাপের তারিখ ও তথ্যের সঙ্গে দাখিল করা কাগজপত্রের মিল না থাকায় ওই নিয়োগের স্বচ্ছতা ও যথার্থতা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছে অধিদফতর।
রোববার (৪ অক্টোবর) পৃথক তিনটি চিঠিতে সংশ্লিষ্ট মাদরাসার সুপারদের এ নোটিশ দেওয়া হয়। নোটিশ পাওয়ার তিন কর্মদিবসের মধ্যে তাদের সন্তোষজনক ব্যাখ্যা দিতে বলা হয়েছে।
কারণ দর্শানোর নোটিশ পাওয়া তিনজন হলেন ফেনীর দাগনভূঞা উপজেলার উত্তর চণ্ডিপুর ইসলামিয়া দাখিল মাদরাসার সুপার মো. ফয়েজ উল্যাহ, ভোলার তজুমদ্দিন উপজেলার চাঁচড়া ইসলামিয়া দাখিল মাদরাসার সুপার মো. সামছুউদ্দিন এবং গাইবান্ধার সাঘাটা উপজেলার নাসির উদ্দিন প্রধান দাখিল মাদরাসার ভারপ্রাপ্ত সুপার হামিদুর রহমান শেখ।
অধিদপ্তরের চিঠিতে বলা হয়েছে, গত সেপ্টেম্বরে এসব মাদরাসা থেকে এমইএমআইএস সফটওয়্যারের মাধ্যমে নতুন শিক্ষক-কর্মচারী এমপিওভুক্তির আবেদন করা হয়। আবেদনের সঙ্গে পত্রিকায় প্রকাশিত নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি, ফলাফল শিট, যোগদানপত্র, নিয়োগপত্র ও সংশ্লিষ্ট রেজুলেশন জমা দেওয়া হয়েছিল।
এসব কাগজপত্র পর্যালোচনা করে সেগুলোর মধ্যে অসংগতি পেয়েছে মাদরাসা শিক্ষা অধিদপ্তর। বিশেষ করে নিয়োগ প্রক্রিয়ার বিভিন্ন ধাপের তারিখ, তথ্য ও দাখিল করা কাগজপত্রের মধ্যে সামঞ্জস্য না থাকায় সংশ্লিষ্ট নিয়োগ প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা ও যথার্থতা নিয়ে প্রশ্ন তৈরি হয়েছে বলে চিঠিতে উল্লেখ করা হয়।
এ অবস্থায় অসংগতিপূর্ণ কাগজপত্র দিয়ে নতুন শিক্ষক-কর্মচারী এমপিওভুক্তির আবেদন করার কারণ জানতে চাওয়া হয়েছে তিন মাদরাসার সুপারের কাছে। একই সঙ্গে এসব আবেদন ও কাগজপত্র দাখিলের ক্ষেত্রে তাদের দায়িত্ব ও ভূমিকারও ব্যাখ্যা চেয়েছে অধিদফতর।
নোটিশে বলা হয়েছে, এ ঘটনায় কেন তাদের বিরুদ্ধে বিধি অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে না, তার সন্তোষজনক ব্যাখ্যা নোটিশ পাওয়ার তিন কর্মদিবসের মধ্যে মাদরাসা শিক্ষা অধিদফতরের মহাপরিচালক বরাবর দাখিল করতে হবে।
এমএইচ/এআর




