বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ঢাকা

কারিগরি ও মাদরাসায় ল্যাব সামগ্রী: অগ্রাধিকার পাবে গ্রামের প্রতিষ্ঠান

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৯:৪৯ পিএম

শেয়ার করুন:

কারিগরি ও মাদরাসায় ল্যাব সামগ্রী: অগ্রাধিকার পাবে গ্রামের প্রতিষ্ঠান

কারিগরি ও মাদরাসা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সরকারি ল্যাবরেটরি যন্ত্রপাতি ও সামগ্রী বরাদ্দে প্রত্যন্ত ও গ্রামীণ এলাকার প্রতিষ্ঠানকে অগ্রাধিকার দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। নগর ও মেট্রোপলিটন এলাকার প্রতিষ্ঠানগুলোকে এ ধরনের বরাদ্দের ক্ষেত্রে তুলনামূলকভাবে নিরুৎসাহিত করা হয়েছে।

বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কারিগরি ও মাদরাসা শিক্ষা বিভাগ থেকে জারি করা নীতিমালায় এসব নির্দেশনা দেওয়া হয়।

নীতিমালায় বলা হয়েছে, গত তিন বছরে সরকারি কোনো সহায়তা পায়নি—এমন কারিগরি ও মাদরাসা শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ল্যাবরেটরি যন্ত্রপাতি ও সামগ্রী পাওয়ার ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার পাবে। অন্যদিকে, গত তিন বছরে যেসব প্রতিষ্ঠান ল্যাবরেটরি যন্ত্রপাতি কিংবা পরিবহন সুবিধা পেয়েছে, তাদের নতুন করে করা আবেদন বিবেচনায় নেওয়া হবে না।

প্রতিষ্ঠান বাছাইয়ের সময় শিক্ষার্থীর সংখ্যা, প্রতিষ্ঠানের প্রকৃত প্রয়োজনীয়তা, বিভিন্ন এলাকার মধ্যে সুষম বণ্টন এবং গত তিন বছরের পাবলিক পরীক্ষার ফলাফল বিবেচনা করতে হবে। এ উদ্দেশে প্রতিবছর ২৮ ফেব্রুয়ারির মধ্যে নিজ নিজ এলাকার যোগ্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের তালিকা কারিগরি ও মাদরাসা শিক্ষা বিভাগের সচিবের কাছে পাঠাতে জেলা প্রশাসকদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

ল্যাবরেটরি সামগ্রী কেনাকাটায় স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে উপজেলা পর্যায়ে ছয় সদস্যের একটি বিশেষ কমিটি গঠনের কথা জানিয়েছে নীতিমালা। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) কমিটির সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন। 

কমিটিতে সদস্য হিসেবে থাকবেন সহকারী কমিশনার (ভূমি), উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা, উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা এবং সহকারী প্রোগ্রামার। সংশ্লিষ্ট কারিগরি বা মাদরাসা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধান সদস্যসচিবের দায়িত্ব পালন করবেন।

নীতিমালা অনুযায়ী, সরঞ্জাম কেনার পর প্রতিটি সামগ্রীর হিসাব প্রতিষ্ঠানের নির্ধারিত রেজিস্টারে সংরক্ষণ করতে হবে। ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের পরিদর্শনের সময় সংশ্লিষ্ট রেজিস্টার ও ক্রয় করা সরঞ্জাম তাদের সামনে উপস্থাপন করতে হবে।

ক্রয় করা ল্যাবরেটরি সরঞ্জামের যথাযথ ব্যবহার এবং বরাদ্দের স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে কারিগরি ও মাদরাসা শিক্ষা অধিদফতরসহ জেলা ও বিভাগীয় পর্যায়ের প্রশাসনিক ও শিক্ষা কর্মকর্তারা নিয়মিতভাবে প্রতিষ্ঠানগুলো মনিটরিং করবেন। বরাদ্দ বা সরঞ্জাম কেনাকাটায় কোনো ধরনের অনিয়মের অভিযোগ পাওয়া গেলে তা সরাসরি কারিগরি ও মাদরাসা শিক্ষা বিভাগ অথবা মন্ত্রণালয়কে অবহিত করতে হবে।

তবে বিশেষ প্রয়োজনের ক্ষেত্রে যেকোনো শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে সরাসরি নির্বাচন করে অর্থ বরাদ্দ দেওয়ার ক্ষমতা নিজেদের কাছে সংরক্ষণ করেছে কারিগরি ও মাদরাসা শিক্ষা বিভাগ।

এম/এএইচ

আপডেট পেতে ফলো করুন

Google NewsWhatsAppMessenger
সর্বশেষ
জনপ্রিয়

সব খবর