মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ঢাকা

অ্যাপ্লাইড আইসিটি পড়াতে ৯০০ মাস্টার ট্রেইনার তৈরির উদ্যোগ

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১:১১ এএম

শেয়ার করুন:

অ্যাপ্লাইড আইসিটি পড়াতে ৯০০ মাস্টার ট্রেইনার তৈরির উদ্যোগ
ছবি: সংগৃহীত

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত কলেজে অনার্স দ্বিতীয় বর্ষের ‘অ্যাপ্লাইড আইসিটি’ কোর্সের পাঠদান আরও কার্যকর করতে ৯০০ জন মাস্টার ট্রেইনার তৈরির উদ্যোগ নিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। তাদের প্রশিক্ষণ দিতে ৯০ জন কোর ট্রেইনার তৈরি করা হবে। 

কারিকুলাম ও প্রশিক্ষণ সামগ্রী যাচাই-বাছাইয়ের কাজ শেষ হওয়ায় এখন মাঠপর্যায়ে প্রশিক্ষণ কার্যক্রম শুরুর প্রস্তুতি চলছে।

এ বিষয়ে সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) গাজীপুরে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজস্ব ক্যাম্পাসে একটি সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় প্রশিক্ষণ কার্যক্রমের রোলআউট পরিকল্পনা, প্রশিক্ষণ ক্যালেন্ডার ও সময়সূচি, প্রশিক্ষক নির্বাচন, বাজেট, প্রশিক্ষণ এলাকা নির্ধারণ এবং কার্যক্রমের অগ্রগতি পর্যবেক্ষণসহ বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা করা হয়।

সভায় ‘অ্যাপ্লাইড আইসিটি মাস্টার ট্রেইনার’ এবং ‘ইন-হাউস টিচার ট্রেনিং’-এর কনসেপ্ট নোট নিয়েও বিস্তারিত আলোচনা হয়। 

প্রশিক্ষণ কার্যক্রমটি ব্লেন্ডেড লার্নিং পদ্ধতিতে পরিচালনার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এ পদ্ধতিতে কোর ও মাস্টার ট্রেইনারদের প্রথমে অনলাইন কোর্স সম্পন্ন করতে হবে। এরপর পাঁচ দিনব্যাপী সরাসরি প্রশিক্ষণে অংশ নিতে হবে।

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, প্রথম বর্ষে ইতোমধ্যে ৯০ জন কোর ট্রেইনার এবং ৮৪০ জন মাস্টার ট্রেইনার তৈরি করা হয়েছে। পাশাপাশি ইন-হাউস প্রশিক্ষণের মাধ্যমে প্রায় ২ হাজার শিক্ষককে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে। পর্যায়ক্রমে আরও ২ হাজার ৫০০ শিক্ষককে এই প্রশিক্ষণের আওতায় আনার পরিকল্পনা রয়েছে।

সভায় ইন-হাউস প্রশিক্ষণের সম্ভাব্য বাজেট, কোর ও মাস্টার ট্রেইনারদের চূড়ান্ত তালিকা এবং প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণের জন্য শিক্ষক নির্বাচন নিয়েও আলোচনা হয়। প্রশিক্ষণ কার্যক্রম সুষ্ঠুভাবে বাস্তবায়নের জন্য বিভিন্ন জোন ও ম্যাপিং এলাকা নির্ধারণের বিষয়টিও গুরুত্ব পায়।

সভায় জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-ভাইস-চ্যান্সেলর অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ বলেন, অ্যাপ্লাইড আইসিটি কোর্সের পাঠদান আরও কার্যকর করতে শিক্ষক প্রশিক্ষণের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। 

পর্যায়ক্রমে এই প্রশিক্ষণ কলেজ পর্যায়ে ছড়িয়ে দেওয়া হবে। এর ফলে শিক্ষকেরা প্রযুক্তিনির্ভর পাঠদানে আরও দক্ষ হয়ে উঠবেন। পাশাপাশি শিক্ষার্থীরাও শ্রেণিকক্ষে অ্যাপ্লাইড আইসিটির ব্যবহারিক দিকগুলো আরও ভালোভাবে শেখার সুযোগ পাবে।

সমন্বয় সভায় ইউনিসেফের প্রোগ্রাম স্পেশালিস্ট ফাহমিদা শবনম, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার মোল্লা মাহফুজ আল-হোসেন, স্নাতকোত্তর শিক্ষা, প্রশিক্ষণ ও গবেষণা কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত ডিন অধ্যাপক ড. ফকির রফিকুল আলমসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

এম/এআরএম

আপডেট পেতে ফলো করুন

Google NewsWhatsAppMessenger
সর্বশেষ
জনপ্রিয়

সব খবর