দেশের শতবর্ষী স্কুল-কলেজের তালিকা প্রস্তুত করেছে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদফতর (মাউশি)। এতে ৮০৮টি বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান স্থান পেয়েছে।
ইতোমধ্যে তালিকাটি শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট শাখায় পাঠানো হয়েছে। তালিকা যাচাই-বাছাই করে যোগ্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান জাতীয়করণের উদ্যোগ নেওয়া হতে পারে বলে জানা গেছে।
সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) মাউশি থেকে শতবর্ষী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের তালিকা শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট শাখায় পাঠানো হয়। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন মাউশির মহাপরিচালক অধ্যাপক ড. খান মইনুদ্দিন আল মাহমুদ সোহেল।
মাউশির পাঠানো তালিকা বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, এতে মোট ৮০৮টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান রয়েছে। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি প্রতিষ্ঠান রয়েছে ঢাকা বিভাগে।
এ বিভাগ থেকে ১৬৮টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান তালিকায় স্থান পেয়েছে। চট্টগ্রাম বিভাগের ১৫৯টি, খুলনা বিভাগের ১২৬টি, রাজশাহী বিভাগের ১০১টি, ময়মনসিংহ বিভাগের ৭৪টি, বরিশাল বিভাগের ৬৯টি, রংপুর বিভাগের ৬৯টি এবং সিলেট বিভাগের ৪২টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান রয়েছে তালিকায়।
এর আগে গত ২৫ আগস্ট শতবর্ষী স্কুল ও কলেজের তালিকা প্রস্তুতের জন্য মাউশিকে নির্দেশনা দেয় শিক্ষা মন্ত্রণালয়।
মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সিনিয়র সহকারী সচিব মনজুরুল আলম স্বাক্ষরিত ওই চিঠিতে বলা হয়, শতবর্ষী স্কুল-কলেজ নিয়ে সরকার নতুন নির্দেশনা দিয়েছে। এ ধরনের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের তালিকা তিন কার্যদিবসের মধ্যে পাঠাতে বলা হয়।
মাউশির তথ্যমতে, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের ওই চিঠি সেপ্টেম্বরের শুরুতে অধিদফতর পৌঁছায়। এরপর ২ সেপ্টেম্বর মাউশি থেকে সব অঞ্চল পরিচালক ও উপপরিচালকের কাছে চিঠি পাঠানো হয়। সেখানে দুই কর্মদিবসের মধ্যে শতবর্ষী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের তালিকা পাঠাতে বলা হয়।
মাউশির বিভিন্ন অঞ্চল থেকে পাওয়া তথ্যের পাশাপাশি বাংলাদেশ শিক্ষা তথ্য ও পরিসংখ্যান ব্যুরো (ব্যানবেইস) থেকেও তথ্য সংগ্রহ করা হয়। পরে এসব তথ্য যাচাই-বাছাই করে ৮০৮টি শতবর্ষী বেসরকারি স্কুল-কলেজের তালিকা চূড়ান্ত করা হয়। এরপর তালিকাটি শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে।
এম/এআরএম




