রোববার, ২০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ঢাকা

একাদশে ভর্তি চলছে, ক্লাস শুরু ২৪ সেপ্টেম্বর

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৫:০৯ পিএম

শেয়ার করুন:

একাদশে ভর্তি চলছে, ক্লাস শুরু ২৪ সেপ্টেম্বর
ছবি: সংগৃহীত

২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষে একাদশ শ্রেণিতে নির্বাচিত শিক্ষার্থীদের চূড়ান্ত ভর্তি কার্যক্রম শুরু হয়েছে।  রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) শুরু হওয়া এ কার্যক্রম চলবে আগামী ২২ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে শিক্ষার্থীদের নির্বাচিত কলেজে ভর্তি হতে হবে। আর ভর্তি কার্যক্রম শেষে আগামী ২৪ সেপ্টেম্বর থেকে একাদশ শ্রেণির ক্লাস শুরু হবে।

আন্তশিক্ষা বোর্ডের ভর্তি নীতিমালা অনুযায়ী, শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে বোর্ড অনুমোদিত ফির বাইরে অতিরিক্ত কোনো অর্থ নেওয়া যাবে না। 

অনুমোদিত সব ফি যথাযথ রশিদের মাধ্যমে গ্রহণ করতে হবে। নীতিমালা লঙ্ঘন করলে বেসরকারি কলেজের পাঠদানের অনুমতি বা স্বীকৃতি এবং এমপিওভুক্তি বাতিলের মতো ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে। সরকারি কলেজের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

নীতিমালার ৫.৭ ধারায় বলা হয়েছে, কোনো শিক্ষার্থীর কাছ থেকে বোর্ড অনুমোদিত ফির অতিরিক্ত অর্থ গ্রহণ করা যাবে না। অনুমোদিত সব ফি যথাযথ রশিদ দিয়ে নিতে হবে।

বেসরকারি কলেজগুলোকে ভর্তি ফি, মাসিক বেতনসহ শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে নেওয়া অন্যান্য খরচের তালিকা নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের নোটিশ বোর্ড ও ওয়েবসাইটে প্রকাশ করতে হবে। একই সঙ্গে কলেজের অনুমোদিত আসনসংখ্যা, বিভাগ, শিফট, ছাত্র-ছাত্রী বা সহশিক্ষা, ভার্সন, ভর্তি ফিসহ অনুমোদিত অন্যান্য ফি এবং ভর্তির ন্যূনতম যোগ্যতা ভর্তি বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করতে হবে।

ভর্তি শেষে বোর্ডের বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী শিক্ষার্থীরা বোর্ডের অনুমতি ও নির্ধারিত ফি দিয়ে কলেজ, বিভাগ ও বিষয় পরিবর্তনের সুযোগ পাবেন। তবে অন্য কোনো বিভাগ থেকে বিজ্ঞান বিভাগে যাওয়ার সুযোগ থাকবে না। একইভাবে বিজ্ঞান বিভাগ থেকে উত্তীর্ণ কোনো শিক্ষার্থী অন্য বিভাগে ভর্তি হওয়ার পর আবার বিজ্ঞান বিভাগে ফিরতে পারবেন না।

নীতিমালায় শিক্ষার্থীদের মূল একাডেমিক ট্রান্সক্রিপ্ট নিয়েও নির্দেশনা রয়েছে। কোনো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এসএসসি বা সমমান পরীক্ষায় উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীর মূল একাডেমিক ট্রান্সক্রিপ্ট ওই শিক্ষার্থী বা তার অভিভাবক ছাড়া অন্য কোনো ব্যক্তি বা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের কাছে হস্তান্তর করতে পারবে না। অন্য কোনো অজুহাতেও শিক্ষার্থীর ট্রান্সক্রিপ্ট আটকে রাখা যাবে না। এ ধরনের অভিযোগ পাওয়া গেলে তদন্ত করে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান বা শিক্ষকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেবে শিক্ষা বোর্ড।

এ ছাড়া ভর্তি হওয়া শিক্ষার্থীদের তালিকা বোর্ডে জমা দেওয়ার সময় নির্ধারিত ফির বিবরণের পাশাপাশি প্রতিষ্ঠান যে অন্যান্য ফি নিয়েছে, তার খাতওয়ারি বিবরণও আলাদাভাবে জমা দিতে হবে।

বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিক্ষার্থীদের ভর্তির ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোকে যতটা সম্ভব ফি মওকুফের ব্যবস্থা নিতেও বলা হয়েছে।

এমএইচ/এআরএম

আপডেট পেতে ফলো করুন

Google NewsWhatsAppMessenger
সর্বশেষ
জনপ্রিয়

সব খবর