চলতি বছরের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার খাতা পুনর্নিরীক্ষণের ফলে মাদরাসা ও কারিগরি শিক্ষা বোর্ডে ৯১৯ শিক্ষার্থী ফেল থেকে পাস করেছেন। একই সঙ্গে নতুন করে জিপিএ-৫ পেয়েছেন ৩৩৯ জন।
এর মধ্যে মাদরাসা শিক্ষা বোর্ডে ফেল থেকে পাস করেছেন ২৫৫ জন এবং নতুন করে জিপিএ-৫ পেয়েছেন ২৯৩ জন। আর কারিগরি শিক্ষা বোর্ডে ফেল থেকে পাস করেছেন ৬৬৪ জন এবং জিপিএ-৫ পেয়েছেন ৪৬ জন।
বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) সকাল ১০টায় দেশের ১১টি শিক্ষা বোর্ডে একযোগে এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার খাতা পুনর্নিরীক্ষণের ফল প্রকাশ করা হয়। আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।
মাদরাসা শিক্ষা বোর্ডে এবার এসএসসি সমমান পরীক্ষায় মোট পরীক্ষার্থী ছিলেন দুই লাখ ৯৬ হাজার ৯৮২ জন। তাদের মধ্যে ৪০ হাজার ১২০ জন ফল পুনর্নিরীক্ষণের জন্য আবেদন করেন। এসব আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে মোট এক লাখ ৩ হাজার ৫০৩টি উত্তরপত্র পুনর্নিরীক্ষণ করা হয়েছে।
পুনর্নিরীক্ষণের পর এ বোর্ডে এক হাজার ৫৪৯ শিক্ষার্থীর গ্রেড পরিবর্তন হয়েছে। নম্বর পরিবর্তন হয়েছে পাঁচ হাজার ৯৪৪টি উত্তরপত্রে। এর মধ্যে ফেল থেকে পাস করেছেন ২৫৫ জন। নতুন করে জিপিএ-৫ পেয়েছেন ২৯৩ জন শিক্ষার্থী।
অন্যদিকে, কারিগরি শিক্ষা বোর্ডে এবার মোট পরীক্ষার্থী ছিলেন এক লাখ ২৭ হাজার ৯৬৪ জন। তাদের মধ্যে ২০ হাজার ৩০৭ জন ফল পুনর্নিরীক্ষণের জন্য আবেদন করে। এ বোর্ডে মোট ৩৪ হাজার ৩০৫টি উত্তরপত্র পুনর্নিরীক্ষণ করা হয়েছে।
পুনর্নিরীক্ষণের পর কারিগরি শিক্ষা বোর্ডে ৬৬৭ শিক্ষার্থীর গ্রেড পরিবর্তন হয়েছে। নম্বর পরিবর্তন হয়েছে এক হাজার ১৭২টি উত্তরপত্রে। এ বোর্ডে ফেল থেকে পাস করেছেন ৬৬৪ জন এবং নতুন করে জিপিএ-৫ পেয়েছেন ৪৬ জন।
এবার এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল পুনর্নিরীক্ষণের ক্ষেত্রে উত্তরপত্র পুনর্মূল্যায়ন বা পুনর্নিরীক্ষণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এত দিন শিক্ষা বোর্ডের প্রচলিত নিয়মে উত্তরপত্র পুনর্মূল্যায়নের সুযোগ ছিল না।
এর আগে গত ১০ আগস্ট এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হয়। দীর্ঘদিন তুলনামূলকভাবে বেশি পাসের হার থাকার পর গত দুই বছর ধরে এসএসসি পরীক্ষার ফলে নিম্নমুখী প্রবণতা দেখা যাচ্ছে। এবার ৯টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডে পাসের হার দাঁড়িয়েছে ৬৪ দশমিক ০৫ শতাংশ, যা ১৯ বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন।
গত বছরের তুলনায় এবার পাসের হার কমার পাশাপাশি জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থীর সংখ্যাও প্রায় ১৯ হাজার কমেছে। ফলে মূল ফল প্রকাশের পর এবার পুনর্নিরীক্ষণের আবেদনও ছিল উল্লেখযোগ্য।
এমএইচ/এফএ




