দেশের পাঁচটি বিশ্ববিদ্যালয়ের ৫৯ হাজার ২১১ জন শিক্ষার্থী বর্তমানে জেনিথ ইসলামি লাইফ ইন্স্যুরেন্স পিএলসির গ্রুপ ও স্বাস্থ্যবিমার আওতায় রয়েছেন। শিক্ষার্থীদের জীবন ও স্বাস্থ্যঝুঁকিতে আর্থিক সুরক্ষা দেওয়ার পাশাপাশি দ্রুত ও সহজে বিমা সেবা নিশ্চিত করতে প্রযুক্তিনির্ভর বিভিন্ন উদ্যোগ নিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি।
মঙ্গলবার এক বার্তায় এ তথ্য জানিয়েছে জেনিথ ইসলামি লাইফ ইন্স্যুরেন্স।
প্রতিষ্ঠানটির তথ্য অনুযায়ী, বীমা সুরক্ষার আওতায় থাকা শিক্ষার্থীদের মধ্যে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ৩০ হাজার ৬৪৩ জন, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের ৫ হাজার ৭৭১ জন এবং সাউথইস্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের ১২ হাজার ২৪৮ জন।
এ ছাড়া রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (রুয়েট) ৬ হাজার ৪৭ জন এবং চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (চুয়েট) ৪ হাজার ৫০২ জন শিক্ষার্থী এ সুবিধা পাচ্ছেন।
শিক্ষার্থীদের বীমা দাবি করার প্রক্রিয়া সহজ ও দ্রুত করতে ‘পেপারলেস ডিজিটাল ক্লেইম ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম’ চালু করেছে জেনিথ ইসলামী লাইফ।
এ ব্যবস্থায় শিক্ষার্থীরা ২৪ ঘণ্টা অনলাইনে বীমা দাবির আবেদন করতে পারেন। প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা দেওয়ার পর সাত কার্যদিবসের মধ্যে অনলাইন বা মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে দাবি পরিশোধের ব্যবস্থা রয়েছে।
২০২৫ সালের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুযায়ী, জেনিথ ইসলামী লাইফের দাবি নিষ্পত্তির হার সংখ্যার হিসাবে ৯৯ দশমিক ৮৭ শতাংশ এবং অর্থের হিসাবে ৯৯ দশমিক ২৬ শতাংশ।
জেনিথ ইসলামী লাইফ ইন্স্যুরেন্সের মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) এসএম নুরুজ্জামান বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের জন্য বীমা সুরক্ষা নিশ্চিত করার পাশাপাশি দ্রুত ও সহজে দাবি পরিশোধকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। ডিজিটাল প্রযুক্তির ব্যবহারে বীমা সেবাকে আরও সহজ, স্বচ্ছ ও গ্রাহকবান্ধব করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
আরও পড়ুন: মাদরাসা শিক্ষকদের আগস্টের এমপিওর চেক ছাড়
তিনি বলেন, শিক্ষার্থীরা দেশের ভবিষ্যৎ। তাদের শিক্ষা ও স্বাভাবিক জীবনযাত্রার পাশাপাশি অনাকাঙ্ক্ষিত ঝুঁকির সময়ে আর্থিক সুরক্ষা নিশ্চিত করাও গুরুত্বপূর্ণ। বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে বীমা সেবার পরিধি বাড়ানোর মাধ্যমে তরুণ প্রজন্মের জন্য কার্যকর সুরক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তুলতে কাজ করছে প্রতিষ্ঠানটি।
জেনিথ ইসলামী লাইফের ভাইস প্রেসিডেন্ট ও গ্রুপ বীমা বিভাগের প্রধান মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেন সরকার বলেন, সরকারি ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের জন্য মানসম্মত ও সহজলভ্য বীমা সেবা নিশ্চিত করাই তাদের লক্ষ্য। প্রযুক্তির ব্যবহারে শিক্ষার্থীরা ঘরে বসেই বীমা দাবির আবেদন করতে পারছেন। এতে সেবা গ্রহণের প্রক্রিয়া সহজ হওয়ার পাশাপাশি দাবি নিষ্পত্তিতেও সময় কমেছে।
প্রতিষ্ঠানটি জানিয়েছে, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীরাও জেনিথ ইসলামী লাইফের গ্রুপ বীমা সুবিধার আওতায় রয়েছেন। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানসহ বিভিন্ন খাতে গ্রুপ বীমা সেবার পরিধি বাড়ানোর উদ্যোগও অব্যাহত রয়েছে।
জেনিথ ইসলামী লাইফের তথ্য অনুযায়ী, প্রতিষ্ঠানটি আইএসও ৯০০১:২০১৫ সনদপ্রাপ্ত। বর্তমানে কোম্পানিটির মোট সম্পদের পরিমাণ প্রায় ৬৫ কোটি টাকা।
প্রযুক্তিনির্ভর সেবা সম্প্রসারণ, দ্রুত দাবি নিষ্পত্তি এবং গ্রাহকসেবার মানোন্নয়নের মাধ্যমে দেশের বীমা খাতে গ্রাহকদের আস্থা ও গ্রহণযোগ্যতা বাড়াতে কাজ করছে জেনিথ ইসলামী লাইফ ইন্স্যুরেন্স পিএলসি।
এমআর/এআরএম





