আগামী জানুয়ারিতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ৫৪তম সমাবর্তন অনুষ্ঠিত হতে পারে। সমাবর্তন আয়োজনকে সামনে রেখে ইতোমধ্যে প্রস্তুতি শুরু করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।
বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম। এ সময় সম্ভাব্য সমাবর্তনে প্রধানমন্ত্রীকে যোগ দেওয়ার আমন্ত্রণ জানান উপাচার্য। প্রধানমন্ত্রী আমন্ত্রণ গ্রহণ করে অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকার সম্মতি জানিয়েছেন।
সাক্ষাৎকালে উপাচার্য ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা ও গবেষণা কার্যক্রম, ক্যাম্পাসের নিরাপত্তা পরিস্থিতি, বৃহৎ উন্নয়ন প্রকল্প এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের চলমান বিভিন্ন উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের অগ্রগতি প্রধানমন্ত্রীর কাছে তুলে ধরেন।
এ সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রস্তাবিত ২০ বছর মেয়াদি অ্যাকাডেমিক ডেভেলপমেন্ট প্ল্যান, ইন্ডাস্ট্রি-অ্যাকাডেমিয়া সম্পর্ক আরও জোরদার করা, বিশ্বের বিভিন্ন খ্যাতনামা বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে যৌথ শিক্ষা ও গবেষণা কার্যক্রম সম্প্রসারণ এবং অ্যালামনাই নেটওয়ার্কিং বৃদ্ধিসহ শিক্ষার্থীদের কল্যাণে নেওয়া বিভিন্ন উদ্যোগ নিয়েও আলোচনা হয়।
উপাচার্য বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণা তহবিল বৃদ্ধি, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, তৃতীয় ভাষা, জীববিজ্ঞান, জীবপ্রযুক্তি ও রোবোটিক্স বিষয়ে শিক্ষা ও গবেষণার সুযোগ সম্প্রসারণ এবং বিভিন্ন শিল্পপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের ইন্টার্নশিপের সুযোগ তৈরিতে প্রধানমন্ত্রীর সহযোগিতা কামনা করেন।
জবাবে প্রধানমন্ত্রী ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বৃহৎ উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়ন এবং শিক্ষা ও গবেষণার মানোন্নয়নে সরকারের পক্ষ থেকে সার্বিক সহযোগিতার আশ্বাস দেন। আন্তর্জাতিক র্যাংকিংয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়কে আরও সম্মানজনক অবস্থানে নিতে শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও সংশ্লিষ্ট সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি। একই সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয়ের অগ্রযাত্রায় অ্যালামনাইদের আরও বেশি সম্পৃক্ত করার ওপর গুরুত্ব দেন প্রধানমন্ত্রী।
সাক্ষাৎ শেষে উপাচার্য জানান, আগামী জানুয়ারিতে সম্ভাব্য ৫৪তম সমাবর্তনে যোগ দেওয়ার জন্য প্রধানমন্ত্রীকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। তিনি আমন্ত্রণ গ্রহণ করে সমাবর্তনে উপস্থিত থাকার সম্মতি দিয়েছেন।
তবে সমাবর্তনের নির্দিষ্ট তারিখ ও আনুষ্ঠানিক সময়সূচি এখনো ঘোষণা করেনি বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। সমাবর্তনকে ঘিরে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও গ্র্যাজুয়েটদের মধ্যে ইতোমধ্যে আগ্রহ তৈরি হয়েছে।
এম/এমআই




