যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (যবিপ্রবি) পরিবহন দপ্তরের পরিচালক (চলতি দায়িত্ব) ও পুষ্টি ও খাদ্য প্রযুক্তি (এনএফটি) বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. মো. শিমুল ইসলামকে জড়িয়ে প্রকাশিত সংবাদের সত্যতা যাচাইয়ে নিজেই তদন্ত কমিটি গঠনের আবেদন করেছেন।
মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার বরাবর দেওয়া লিখিত আবেদনে তিনি গত ৮ আগস্ট যশোরের একটি স্থানীয় দৈনিকে প্রকাশিত ‘যবিপ্রবিতে শিক্ষা নয়, আলোচনায় ক্ষমতার দ্বন্দ্ব নিয়োগ, অনিয়ম ও প্রশাসনিক প্রভাব নিয়ে প্রশ্ন’ শীর্ষক প্রতিবেদনে উত্থাপিত অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্ত ও প্রকৃত ঘটনা উদঘাটনের দাবি জানান।
আবেদনে তিনি প্রতিবেদনে উত্থাপিত বিভিন্ন অভিযোগকে অসত্য, বিভ্রান্তিকর এবং বাস্তবতা বিবর্জিত দাবি করে বলেন, তদন্তে তিনি দোষী প্রমাণিত হলে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিধি অনুযায়ী সর্বোচ্চ শাস্তি মেনে নেবেন। আর অভিযোগ মিথ্যা প্রমাণিত হলে সংশ্লিষ্ট অভিযোগকারী ও নেপথ্যের ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ারও দাবি জানান।
শিক্ষক ড. শিমুল বলেন, ২০২৪ সালের জুলাই পরবর্তী সময়ে আমার সততা, নিষ্ঠা ও সাহসিকতার উপর আস্থা রেখে পরিবহন দপ্তরের মতো একটি দুর্নীতিগ্রস্ত ও ব্যাপক লুটপাটের আখড়ায় শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠা ও স্বচ্ছতা আনয়নের লক্ষ্যে আমাকে পরিচালক (পরিবহন)-এর চলতি দায়িত্ব অর্পণ করে তৎকালীন প্রশাসন। দায়িত্ব গ্রহণের পর পরিবহন দপ্তরের দুর্নীতি, অর্থ লোপাট, চুরি ও অনিয়মের তথ্য পেয়ে প্রশাসনকে লিখিতভাবে জানালে অভিযোগের সত্যতা পাওয়ায় সংশ্লিষ্ট এক কর্মকর্তাকে সাময়িক বরখাস্ত ও করা হয়।
তিনি বলেন, বিগত দুই অর্থবছরে (২০২৪-২০২৫ ও ২০২৫-২০২৬) আমি পরিবহন দপ্তরের দায়িত্ব গ্রহণের পর শিক্ষক-শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য পরিবহন সুবিধা পূর্বের তুলনায় বহুলাংশে বৃদ্ধি করার পরও পরিবহন দপ্তরে কর্মরত সকলের সহযোগিতায় বিশ্ববিদ্যালয় তথা রাষ্ট্রের বিপুল পরিমাণ সম্পদ সাশ্রয় করা সম্ভব হয়েছে। যা পরিবহন দপ্তর ও আমার সততার দৃষ্টান্ত হিসেবে বিবেচনাযোগ্য।
তিনি আরও বলেন, আমার নিরলস পরিশ্রমে ও সততায় অর্জিত সম্মানে কালিমা লেপন করা এবং পরিবহন দপ্তর থেকে আমাকে সরিয়ে পুরাতন সেই রমরমা লুটপাটকে পুনরায় ফিরিয়ে আনার জন্য কয়েকজন স্বৈরাচারের দোসর শিক্ষক-কর্মকর্তার পৃষ্ঠপোষকতা ও অর্থায়নে একটি কুচক্রী মহল তাদের অপতৎপরতা চালিয়ে যাচ্ছে।
প্রতিনিধি/ এজে




