যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (যবিপ্রবি) ছেলেদের আবাসিক হল মুন্সী মেহেরুল্লাহ হলে মাদক ও নেশাজাতীয় দ্রব্যের সেবন, বহন ও সংরক্ষণ নিষিদ্ধ করেছে হল কর্তৃপক্ষ। একই সঙ্গে হলের অভ্যন্তরে র্যাগিং ও ধূমপানও নিষিদ্ধ করেছে হল কর্তৃপক্ষ।
মাদক ও নেশাজাতীয় দ্রব্যের বিষয়ে উপযুক্ত প্রমাণসহ তথ্য প্রদানকারীকে ৫ হাজার টাকা নগদ পুরস্কার দেওয়ার ঘোষণাও দেওয়া হয়েছে।
রোববার হলটির প্রভোস্ট মো. আব্দুর রউফ সরকার স্বাক্ষরিত এক নোটিশে এসব নির্দেশনা দেওয়া হয়।
নোটিশে বলা হয়, হলের অভ্যন্তরে ধূমপান এবং সব ধরনের মাদক ও নেশাজাতীয় দ্রব্য— যেমন মদ, গাঁজা, ফেনসিডিল ইত্যাদি সেবন থেকে শিক্ষার্থীদের বিরত থাকতে হবে। হলের ভেতরে ধূমপান, মাদক সেবন বা সংরক্ষণরত অবস্থায় কোনো শিক্ষার্থী ধরা পড়লে যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘Rules of Discipline for Students’ অনুযায়ী তার বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এতে আরও বলা হয়, হলের কোনো শিক্ষার্থী মাদক ও নেশাজাতীয় দ্রব্য সেবন, বহন বা সংরক্ষণ করলে এ বিষয়ে উপযুক্ত প্রমাণসহ হল কর্তৃপক্ষকে তথ্য দিতে পারলে তথ্যদাতাকে ৫ হাজার টাকা নগদ পুরস্কার দেওয়া হবে।
র্যাগিংয়ের বিষয়ে নোটিশে বলা হয়, র্যাগিং একটি সামাজিক অপরাধ। এর কারণে একজন শিক্ষার্থী মানসিক সমস্যার সম্মুখীন হতে পারেন। তাই হলের সব শিক্ষার্থীকে যেকোনো ধরনের র্যাগিং, বিশেষ করে মানসিক ও শারীরিক লাঞ্ছনা থেকে বিরত থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
কোনো শিক্ষার্থী র্যাগিংয়ের সঙ্গে জড়িত থাকলে, অন্য কাউকে র্যাগিং করতে উৎসাহিত করলে এবং বিষয়টি প্রমাণিত হলে বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘Rules of Discipline for Students’ অনুযায়ী তার বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও নোটিশে উল্লেখ করা হয়েছে।
এ ছাড়া, হলের কোনো শিক্ষার্থী র্যাগিংয়ের শিকার হলে কিংবা যেকোনো প্রয়োজনে হলের প্রভোস্ট ও সহকারী প্রভোস্টদের সঙ্গে যোগাযোগ করার জন্য শিক্ষার্থীদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
প্রতিনিধি/এলএ




