একটি নাম বদল। কিন্তু সেই নাম বদলের সঙ্গে জড়িয়ে আছে একটি সময়ের রাজনৈতিক উত্তাপ, বাঙালির আত্মপরিচয়ের সন্ধান এবং স্বাধীনতার আকাঙ্ক্ষা। ১৯৬৮ সালে পাকিস্তান আমলে ঢাকার মহাখালীতে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল জিন্নাহ কলেজ। তখন পূর্ব পাকিস্তান পাকিস্তান রাষ্ট্রের অংশ। রাষ্ট্রের প্রতিষ্ঠাতার নামে প্রতিষ্ঠিত সেই কলেজের নাম মাত্র তিন বছরের ব্যবধানে বদলে যায়।
১৯৭১ সালের ৩ মার্চ অসহযোগ আন্দোলনের উত্তাল সময়ে জিন্নাহ নামটি মুছে কলেজটির নতুন নাম দেওয়া হয় তিতুমীর কলেজ। পাকিস্তানের রাষ্ট্রীয় পরিচয়ের প্রতীক একটি নামের জায়গায় স্থান পায় বাংলার প্রতিরোধের ইতিহাসের এক বীরের নাম—সৈয়দ মীর নিসার আলী তিতুমীর।
আজকের সরকারি তিতুমীর কলেজের শিক্ষার্থীদের অনেকেই হয়তো জানেন, তাদের কলেজের নাম তিতুমীর। কিন্তু এই নামের পেছনে যে উত্তাল রাজনৈতিক সময়, তা জানেন না অনেকেই। অথচ কলেজটির নাম বদলের ঘটনাটি ঘটেছিল বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণারও আগে, মুক্তিযুদ্ধ শুরুর আগে, অসহযোগ আন্দোলনের সেই অগ্নিগর্ভ সময়ে।
উত্তর ঢাকায় একটি কলেজের প্রয়োজন
সময়টা ষাটের দশকের শেষভাগ। ঢাকা শহর তখন দ্রুত বদলে যাচ্ছে। শহরের উত্তরাঞ্চলে মহাখালী, বনানী, গুলশান, তেজগাঁও ও আশপাশের এলাকায় জনসংখ্যা বাড়ছে। বাড়ছে শিক্ষার চাহিদাও। কিন্তু এসব এলাকায় উচ্চশিক্ষার সুযোগ ছিল সীমিত।
এই বাস্তবতায় স্থানীয় শিক্ষানুরাগী, সমাজসেবক ও বিশিষ্ট ব্যক্তিদের উদ্যোগে একটি নতুন কলেজ প্রতিষ্ঠার পরিকল্পনা নেওয়া হয়। এরই ধারাবাহিকতায় ১৯৬৮ সালের ৭ মে প্রতিষ্ঠিত হয় কলেজটি।

শুরুতে এটি ছিল ডিগ্রি (পাস) কলেজ। তৎকালীন জগন্নাথ কলেজের ডিগ্রি শাখার অধীনে এর কার্যক্রম পরিচালিত হতো। পরে ১৯৭০ সালে কলেজটিতে উচ্চমাধ্যমিক শ্রেণি চালু হয়।
তবে প্রতিষ্ঠার সময় কলেজটির নাম ছিল জিন্নাহ কলেজ।
কেন জিন্নাহ কলেজ
তখন পূর্ব পাকিস্তান পাকিস্তান রাষ্ট্রের অংশ। পাকিস্তানের প্রতিষ্ঠাতা মোহাম্মদ আলী জিন্নাহর নাম ছিল রাষ্ট্রের রাজনৈতিক পরিচয়ের সঙ্গে গভীরভাবে যুক্ত। পাকিস্তানের বিভিন্ন শহরে নতুন প্রতিষ্ঠান, সড়ক, ভবন ও স্থাপনার নামকরণে জিন্নাহর নাম ব্যবহার ছিল প্রচলিত সরকারি ও রাজনৈতিক সংস্কৃতির অংশ।
এই ধারাবাহিকতায় ১৯৬৮ সালে প্রতিষ্ঠিত কলেজটির নামও রাখা হয় জিন্নাহ কলেজ।
অর্থাৎ, নামটি কোনো স্থানীয় ব্যক্তিকে সম্মান জানিয়ে দেওয়া হয়নি। বরং পাকিস্তানি রাষ্ট্রব্যবস্থার প্রচলিত নামকরণ নীতির অংশ হিসেবেই কলেজটির নাম রাখা হয়েছিল জিন্নাহ কলেজ। সেই নামের মধ্যেই ফুটে উঠেছিল সে সময়কার রাষ্ট্রীয় পরিচয় ও রাজনৈতিক বাস্তবতা।
কিন্তু মাত্র তিন বছরের মধ্যেই সেই বাস্তবতা আমূল বদলে যেতে শুরু করে।
মার্চ ১৯৭১: বদলে যাচ্ছিল সবকিছু
১৯৭১ সালের মার্চ। পূর্ব পাকিস্তান তখন আন্দোলনে উত্তাল। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে অসহযোগ আন্দোলন ছড়িয়ে পড়েছে সর্বত্র। পাকিস্তানি শাসনের বিরুদ্ধে মানুষের ক্ষোভ ক্রমেই তীব্র হচ্ছে। রাজপথে তখন স্বাধীনতার আকাঙ্ক্ষা, বাঙালির অধিকার ও আত্মপরিচয়ের দাবি।
এই উত্তাল সময়েই পাকিস্তানি শাসনের প্রতীক হিসেবে বিবেচিত বিভিন্ন নাম পরিবর্তনের দাবি উঠতে থাকে। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানও এর বাইরে ছিল না।
জিন্নাহ কলেজের শিক্ষার্থীরাও উদ্যোগ নেন তাঁদের কলেজের নাম পরিবর্তনের।
৩ মার্চ বদলে গেল নাম
১৯৭১ সালের ৩ মার্চ। অসহযোগ আন্দোলনের উত্তাল পরিবেশ। সরকারি তিতুমীর কলেজের নিজস্ব ইতিহাস অনুযায়ী, ওই দিন কলেজটির নাম থেকে জিন্নাহ নামটি মুছে দেওয়া হয়। নতুন নাম দেওয়া হয় শহীদ তিতুমীর কলেজ।
এই উদ্যোগের নেতৃত্ব দেন কলেজের তৎকালীন শিক্ষার্থী এবং সর্বদলীয় ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের কেন্দ্রীয় নেতা কর্নেল (অব.) মো. আব্দুস সালাম, বীর প্রতীক।
ঘটনাটি ঘটে পল্টন ময়দানে মওলানা ভাসানী ও বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জনসমাবেশের প্রাক্কালে।
একটি নাম বদলেছিল। কিন্তু তার তাৎপর্য ছিল অনেক বড়।
পাকিস্তানের প্রতিষ্ঠাতার নাম সরিয়ে বাংলার এক ঐতিহাসিক প্রতিরোধযোদ্ধার নাম গ্রহণের মধ্য দিয়ে শিক্ষার্থীরা যেন নিজেদের রাজনৈতিক অবস্থান ও স্বাধীনতার আকাঙ্ক্ষারই প্রকাশ ঘটিয়েছিলেন।

সরকারি তিতুমীর কলেজের ওয়েবসাইটে বলা হয়েছে, ১৯৬৮ সালে প্রতিষ্ঠার সময় কলেজটির নাম ছিল জিন্নাহ কলেজ। ১৯৭১ সালের ৩ মার্চ অসহযোগ আন্দোলনের উত্তাল সময়ে জিন্নাহ নাম বাদ দিয়ে কলেজটির নামকরণ করা হয় শহীদ তিতুমীরের নামে। কলেজের পরিচিতিতে তিতুমীরকে উপমহাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের অন্যতম প্রথম শহীদ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।
কেন তিতুমীর
নাম বদলের প্রশ্নে স্বাভাবিকভাবেই আসে আরেকটি প্রশ্ন—তিতুমীর কেন?
তিতুমীরের প্রকৃত নাম সৈয়দ মীর নিসার আলী। উনিশ শতকে ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক শাসন ও জমিদারি শোষণের বিরুদ্ধে তিনি আন্দোলনের নেতৃত্ব দেন। তাঁর নির্মিত বাঁশের কেল্লা বাংলার প্রতিরোধ ইতিহাসের অন্যতম প্রতীক হয়ে আছে।
তাই ১৯৭১ সালের সেই উত্তাল সময়ে পাকিস্তানি রাষ্ট্রপরিচয়ের প্রতীক জিন্নাহর নামের পরিবর্তে তিতুমীরের নাম বেছে নেওয়ার মধ্যে বাঙালির সংগ্রাম ও প্রতিরোধের ঐতিহাসিক ধারার সঙ্গে নিজেদের যুক্ত করার একটি প্রতীকী অর্থ ছিল।
স্বাধীনতার পর নয়, আগেই
তিতুমীর কলেজের নাম নিয়ে একটি প্রচলিত ভুল ধারণা রয়েছে। অনেকেই মনে করেন, বাংলাদেশের স্বাধীনতার পর কলেজটির নাম পরিবর্তন করা হয়েছিল।
কিন্তু সরকারি নথিভুক্ত ইতিহাস বলছে, ঘটনাটি ঘটেছিল স্বাধীনতার আগেই। শুধু স্বাধীনতার আগে নয়, মুক্তিযুদ্ধ শুরুরও আগে—১৯৭১ সালের ৩ মার্চ, অসহযোগ আন্দোলনের সময়।
আরও পড়ুন: সমকামিতার অভিযোগে ঢাবি শিক্ষার্থীকে হল থেকে স্থায়ী বহিষ্কার
অর্থাৎ, তখনও বাংলাদেশ স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়নি। কিন্তু বাঙালির রাজনৈতিক ও জাতীয় চেতনা এমন এক পর্যায়ে পৌঁছেছিল, যখন পাকিস্তানি রাষ্ট্রপরিচয়ের সঙ্গে যুক্ত প্রতীকগুলোও প্রশ্নের মুখে পড়ছিল।
জিন্নাহ কলেজ থেকে তিতুমীর কলেজে নাম পরিবর্তন সেই বৃহত্তর রাজনৈতিক পরিবর্তনেরই একটি প্রতীকী প্রকাশ।
স্বাধীনতার পর বদলে গেল কলেজের পরিসরও
নাম বদলের পর কলেজটির একাডেমিক কার্যক্রমও ধীরে ধীরে বিস্তৃত হতে থাকে।
১৯৭০ সালে উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা চালু হয়। ১৯ মে ১৯৭১ ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের স্বীকৃতি লাভ করে কলেজটি। ১৯৭২ সালের ৩১ মে বাংলা ও রসায়নে অনার্স কোর্স চালু হয়। ১৯৭৩ সালে কলেজটি সরকারিকরণ করা হয়।

এরপর একে একে যুক্ত হয় আরও বিভিন্ন বিষয়ে অনার্স ও মাস্টার্স কোর্স। সময়ের সঙ্গে প্রতিষ্ঠানটির পরিসরও বড় হয়েছে। বর্তমানে এটি ঢাকা কেন্দ্রীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত সাত কলেজের অন্যতম বৃহৎ প্রতিষ্ঠান।
একটি ছোট ডিগ্রি কলেজ থেকে আজকের বৃহৎ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পরিণত হওয়ার এই যাত্রার সঙ্গে তাই জড়িয়ে আছে বাংলাদেশের রাজনৈতিক ও শিক্ষার ইতিহাসও।
নামের ভেতর যে ইতিহাস
একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের নাম অনেক সময় শুধু পরিচয় নয়। সেই নামের সঙ্গে জড়িয়ে থাকতে পারে একটি সময়ের রাজনৈতিক বাস্তবতা, সমাজের পরিবর্তন কিংবা মানুষের আকাঙ্ক্ষা।
জিন্নাহ কলেজ থেকে তিতুমীর কলেজে রূপান্তরও তেমন একটি ঘটনা।
১৯৬৮ সালে পাকিস্তানের প্রতিষ্ঠাতার নামে যে কলেজটির যাত্রা শুরু হয়েছিল, মাত্র তিন বছরের মধ্যে সেটিই হয়ে উঠল বাংলার প্রতিরোধ ইতিহাসের এক বীরের নামে পরিচিত একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। ফলে এই নাম পরিবর্তনকে শুধু প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত হিসেবে দেখলে এর পুরো তাৎপর্য ধরা পড়ে না।
এটি ছিল একই সঙ্গে একটি রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক ঘোষণা—পাকিস্তানি রাষ্ট্রপরিচয়ের পরিবর্তে বাঙালির সংগ্রাম, আত্মত্যাগ ও ঐতিহাসিক চেতনার প্রতীককে বেছে নেওয়া।
ইতিহাস কতটা জানেন বর্তমান শিক্ষার্থীরা
কলেজের বর্তমান শিক্ষার্থীদের কাছেও এই ইতিহাসের গুরুত্ব রয়েছে। ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষের ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের শিক্ষার্থী আজিজুর রহমান শিশির বলেন, জিন্নাহ কলেজ থেকে তিতুমীর কলেজে নাম পরিবর্তন তাঁদের জাতীয় ইতিহাস ও আত্মপরিচয়ের একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়।
তাঁর ভাষায়, পাকিস্তানি শাসনের প্রতীকী একটি নামের পরিবর্তে বাংলার বীর সন্তান তিতুমীরের নাম গ্রহণের মাধ্যমে বাঙালির ইতিহাস, সংগ্রাম ও স্বাধীনতার চেতনার প্রতিফলন ঘটেছে। তিতুমীরের নামে কলেজের পরিচয় বহন করতে পেরে তাঁরা গর্বিত। তবে দুঃখজনকভাবে অনেক শিক্ষার্থী এখনো জানেন না কীভাবে এবং কেন এই নাম পরিবর্তন হয়েছিল।
এ বিষয়ে কলেজে সেমিনার, প্রদর্শনী বা ইতিহাসভিত্তিক আলোচনা আয়োজন করা হলে শিক্ষার্থীরা নিজেদের প্রতিষ্ঠানের ঐতিহ্য ও ইতিহাস সম্পর্কে আরও সচেতন হবেন বলেও মনে করেন তিনি।
একই শিক্ষাবর্ষের ইতিহাস বিভাগের শিক্ষার্থী নাইমুর রশীদ ভূঁইয়া বলেন, তাঁদের কলেজের নাম একসময় জিন্নাহ কলেজ ছিল—এই তথ্য তিনি আগে জানতেন না। ইতিহাস জানতে গিয়ে তিনি বুঝেছেন, একটি প্রতিষ্ঠানের নামও একটি সময়ের রাজনৈতিক বাস্তবতা ও জাতির পরিচয় বহন করে।
তাঁর মতে, জিন্নাহ থেকে তিতুমীরে নাম পরিবর্তন শুধু একটি নাম বদল নয়; এটি বাঙালির আত্মপরিচয় ও স্বাধীনতার চেতনার প্রতিফলন। এই ইতিহাস নতুন শিক্ষার্থীদের আরও বেশি জানানো উচিত।
নামকরণে ইতিহাস ও জাতীয় অবদান
নাম পরিবর্তনের এই ইতিহাস শুধু তিতুমীর কলেজের অতীতের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়; এটি বর্তমানেও একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন সামনে আনে—রাষ্ট্রীয় স্থাপনা বা প্রতিষ্ঠানের নাম কীভাবে নির্ধারিত হবে?

নগর পরিকল্পনাবিদ আদিল মুহাম্মদ খান ঢাকা মেইলকে বলেন, অন্যান্য দেশে জাতির প্রতি যাঁদের প্রকৃত অবদান আছে এবং যাঁরা রাজনীতির ঊর্ধ্বে থেকে দেশের জন্য কাজ করেছেন, তাঁদের নাম অনুসরণ করা হয়। সরকারের উচিত একটি গাইডলাইন তৈরি করা, যেখানে স্থাপনা বা অবকাঠামোর নামকরণের যোগ্যতা এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির জাতীয় অবদান যাচাই করা হবে। বিষয়গুলোকে একটি নির্দিষ্ট ছকে আনতে পারলে সুস্থ রাজনৈতিক চর্চা সম্ভব হবে।
তিন বছরের ব্যবধান, বদলে গেল পরিচয়
১৯৬৮ সালের ৭ মে যে কলেজটির জন্ম হয়েছিল জিন্নাহ কলেজ নামে, ১৯৭১ সালের ৩ মার্চ সেই কলেজই নতুন পরিচয় পায় তিতুমীর কলেজ নামে।
মাত্র তিন বছরের ব্যবধান। কিন্তু এই তিন বছরেই বদলে যায় পূর্ব পাকিস্তানের রাজনৈতিক বাস্তবতা, বদলে যেতে থাকে মানুষের চিন্তা ও পরিচয়ের বোধ। আর সেই পরিবর্তনের একটি দৃশ্যমান চিহ্ন হয়ে আছে মহাখালীর এই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের নাম।
তাই তিতুমীর কলেজের ইতিহাস শুধু একটি কলেজ প্রতিষ্ঠা, নাম পরিবর্তন কিংবা একাডেমিক অগ্রযাত্রার ইতিহাস নয়। এটি এমন এক সময়ের গল্প, যখন একটি জাতি তার নিজের পরিচয় খুঁজছিল। পাকিস্তানি রাষ্ট্রপরিচয়ের গণ্ডি পেরিয়ে বাঙালি জাতীয়তাবাদ ও স্বাধীনতার আকাঙ্ক্ষা যখন ক্রমেই স্পষ্ট হয়ে উঠছিল, তখন একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের নামও হয়ে উঠেছিল সেই পরিবর্তনের প্রতীক।
আজকের তিতুমীর কলেজ সেই ইতিহাসই বহন করে চলেছে—জিন্নাহ থেকে তিতুমীর, পাকিস্তানের রাষ্ট্রীয় পরিচয় থেকে বাঙালির আত্মপরিচয়, আর পরাধীনতার বাস্তবতা থেকে স্বাধীনতার আকাঙ্ক্ষার দিকে এগিয়ে যাওয়ার এক স্মারক হিসেবে।
এম/এআর




