বৃহস্পতিবার, ২১ মে, ২০২৬, ঢাকা

কারিগরি শিক্ষকদের বদলি নীতিমালা প্রকাশ

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ২১ মে ২০২৬, ০১:৪৮ পিএম

শেয়ার করুন:

কারিগরি শিক্ষকদের বদলি নীতিমালা প্রকাশ

স্বামী-স্ত্রীর কর্মস্থলে বদলির সুযোগ পেলেন এমপিওভুক্ত কারিগরি শিক্ষকরা। বুধবার (২০ মে) বেসরকারি এমপিওভুক্ত কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক বদলিতে নতুন নীতিমালা প্রকাশ করেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। 

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কারিগরি ও মাদরাসা শিক্ষা বিভাগ থেকে নীতিমালা প্রকাশ করা হয়।


বিজ্ঞাপন


‘স্বয়ংক্রিয় সফটওয়্যার এর মাধ্যমে বেসরকারি কারিগরি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে কর্মরত এমপিওভুক্ত শিক্ষক বদলি নীতিমালা-২০২৬’-এ শিক্ষক বদলির বিভিন্ন শর্ত ও অগ্রাধিকার নির্ধারণ করা হয়েছে।

নীতিমালায় বলা হয়েছে, চাকরিতে যোগদানের পর দুই বছর পূর্ণ হলে শিক্ষকরা বদলির জন্য আবেদন করতে পারবেন। একইভাবে বদলি হয়ে নতুন কর্মস্থলে যোগদানের পরও পরবর্তী বদলির আবেদন করতে ন্যূনতম দুই বছর কর্মরত থাকতে হবে। একজন শিক্ষক কর্মজীবনে সর্বোচ্চ তিনবার বদলির সুযোগ পাবেন।

এতে আরও বলা হয়েছে, আবেদনকারী শিক্ষক প্রথমে চাকরির আবেদনে উল্লেখিত নিজ জেলায় বদলির আবেদন করতে পারবেন। নিজ জেলায় শূন্য পদ না থাকলে নিজ বিভাগের অন্য যেকোনো জেলার শূন্য পদের বিপরীতে আবেদন করা যাবে।


বিজ্ঞাপন


এছাড়া স্বামী বা স্ত্রীর কর্মস্থল কিংবা নিজ জেলায়ও বদলির আবেদন করার সুযোগ রাখা হয়েছে। তবে এক্ষেত্রে স্বামী বা স্ত্রীকে সরকারি, আধা সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান বা এমপিওভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কর্মরত থাকতে হবে।

একটি শূন্য পদের জন্য একাধিক আবেদন জমা পড়লে নারী শিক্ষক, কর্মস্থলের দূরত্ব, স্বামী-স্ত্রীর কর্মস্থল এবং জ্যেষ্ঠতাকে অগ্রাধিকার হিসেবে বিবেচনা করা হবে। বদলি হয়ে যাওয়া শিক্ষক সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের বর্তমান শিক্ষকদের জ্যেষ্ঠতার নিচে অবস্থান করবেন বলেও নীতিমালায় উল্লেখ করা হয়েছে।

দূরত্ব নির্ধারণের ক্ষেত্রে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের অনুসৃত মডেল ব্যবহার করা হবে। একই উপজেলার আবেদনকারীদের ক্ষেত্রে উপজেলা কেন্দ্র থেকে কাঙ্ক্ষিত উপজেলার দূরত্ব বিবেচনা করা হবে। আর ভিন্ন জেলার আবেদনকারীদের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট জেলার কেন্দ্র থেকে কাঙ্ক্ষিত জেলার কেন্দ্র পর্যন্ত দূরত্ব হিসাব করা হবে।

নীতিমালায় অসম্পূর্ণ বা ভুল তথ্যযুক্ত আবেদন বাতিলের কথা বলা হয়েছে। ইচ্ছাকৃতভাবে ভুল তথ্য প্রদান করলে তা শাস্তিযোগ্য অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে।

প্রতি বছর শিক্ষক নিয়োগ সুপারিশ কার্যক্রম শুরুর আগে বদলি কার্যক্রম শেষ করার উদ্যোগ নেবে কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তর। এছাড়া একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে বছরে সর্বোচ্চ দুইজন শিক্ষক বদলির সুযোগ পাবেন। তবে একই বিষয়ে একাধিক শিক্ষক বদলি হতে পারবেন না। পারস্পরিক বদলির ক্ষেত্রে এই সীমাবদ্ধতা প্রযোজ্য হবে না।

বদলির আবেদনে একজন শিক্ষক সর্বোচ্চ তিনটি কাঙ্ক্ষিত প্রতিষ্ঠানের নাম উল্লেখ করতে পারবেন। এছাড়া জনস্বার্থে সরকার এমপিওভুক্ত প্রতিষ্ঠানের অধ্যক্ষ, উপাধ্যক্ষ, প্রধান শিক্ষক, সহকারী প্রধান শিক্ষকসহ যেকোনো শিক্ষককে বদলি করতে পারবে।

এম/এমআই

আপডেট পেতে ফলো করুন

Google NewsWhatsAppMessenger
সর্বশেষ
জনপ্রিয়

সব খবর