বৃহস্পতিবার, ৭ মে, ২০২৬, ঢাকা

ঢাবির নতুন প্রো-ভিসি অধ্যাপক আলমোজাদ্দেদী আলফেছানী

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০৭ মে ২০২৬, ০৩:৫৭ পিএম

শেয়ার করুন:

ঢাবির নতুন প্রো-ভিসি অধ্যাপক আলমোজাদ্দেদী আলফেছানী
অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আলমোজাদ্দেদী আলফেছানী

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন প্রো-ভিসি (প্রশাসন) হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন উদ্ভিদবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আলমোজাদ্দেদী আলফেছানী। বৃহস্পতিবার (৭ মে) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের জারি করা প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, রাষ্ট্রপতি ও বিশ্ববিদ্যালয়ের চ্যান্সেলরের অনুমোদনক্রমে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় আদেশ, ১৯৭৩-এর আর্টিকেল ১৩(১) অনুযায়ী তাকে প্রো-ভিসি (প্রশাসন) পদে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। যোগদানের তারিখ থেকে আগামী চার বছর তিনি এ দায়িত্ব পালন করবেন।


বিজ্ঞাপন


নিয়োগের শর্ত অনুযায়ী, তিনি বর্তমান পদের সমপরিমাণ বেতন-ভাতা পাবেন এবং বিধি অনুযায়ী পদসংশ্লিষ্ট অন্যান্য সুবিধা ভোগ করবেন। পাশাপাশি তাকে সার্বক্ষণিকভাবে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে অবস্থান করতে হবে। 

এছাড়া বিশ্ববিদ্যালয়ের সংবিধি ও আইন অনুযায়ী এবং ভাইস চ্যান্সেলর প্রদত্ত ক্ষমতা অনুসারে দায়িত্ব পালন করবেন তিনি। প্রয়োজনে রাষ্ট্রপতি ও চ্যান্সেলর যেকোনো সময় এ নিয়োগ বাতিল করতে পারবেন বলেও প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে।

অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আলমোজাদ্দেদী আলফেছানী দীর্ঘ দুই দশকের বেশি সময় ধরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকতা ও গবেষণার সঙ্গে যুক্ত। তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্ভিদবিজ্ঞান বিভাগ থেকেই বিএসসি (সম্মান) ও এমএসসি (থিসিস) পরীক্ষায় প্রথম শ্রেণিতে প্রথম স্থান অর্জন করেন। পরে একই বিভাগ থেকে পিএইচডি ডিগ্রি লাভ করেন।

গবেষণায় অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ তিনি বাংলাদেশ অ্যাকাডেমি অব সায়েন্সের ‘অ্যাসোসিয়েট ফেলো’ এবং ন্যাশনাল ডিফেন্স কলেজের ‘ক্যাপস্টোন ফেলো’ নির্বাচিত হন। বর্তমানে তিনি আন্তর্জাতিক গবেষণা সাময়িকী ‘বাংলাদেশ জার্নাল অব প্ল্যান্ট ট্যাক্সোনমি’র প্রধান সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

তার ১০০টির বেশি দেশি-বিদেশি গবেষণা প্রবন্ধ এবং ছয়টি আন্তর্জাতিক বই প্রকাশিত হয়েছে। এছাড়া তার তত্ত্বাবধানে চারজন গবেষক পিএইচডি এবং ৪০-এর বেশি শিক্ষার্থী এমএসসি ডিগ্রি অর্জন করেছেন।

গবেষণাক্ষেত্রে তিনি বিশ্বে প্রথমবারের মতো ১৬টি নতুন শৈবাল প্রজাতি, একটি নতুন পদ্ম প্রজাতি এবং একটি পতঙ্গভুক উদ্ভিদ আবিষ্কার করেন। একইসঙ্গে শৈবাল-ভিত্তিক পানি বিশুদ্ধকরণ ন্যানো-ফিল্টার, সুপার ক্যাপাসিটর ও বায়োসেন্সর উদ্ভাবনের মাধ্যমে পরিবেশ ও জৈবপ্রযুক্তি গবেষণায় গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখেন।

প্রশাসনিক ও সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডেও তিনি সক্রিয় ভূমিকা পালন করে আসছেন। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্লাবের সাবেক সম্পাদক এবং বিভিন্ন শিক্ষক, গবেষণা ও সামাজিক সংগঠনের দায়িত্বশীল পদে কাজ করেছেন। বর্তমানে তিনি বিভিন্ন সামাজিক, সেবামূলক ও গবেষণাধর্মী প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যুক্ত থেকে জনকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডে অবদান রেখে চলেছেন।

এম/এআরএম

আপডেট পেতে ফলো করুন

Google NewsWhatsAppMessenger
সর্বশেষ
জনপ্রিয়

সব খবর