সোমবার, ৪ মে, ২০২৬, ঢাকা

মাদকমুক্ত সমাজ গড়তে চাই: প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক

বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিবেদক, ইবি 
প্রকাশিত: ০৪ মে ২০২৬, ০৮:২৭ পিএম

শেয়ার করুন:

মাদকমুক্ত সমাজ গড়তে চাই: প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক বলেছেন, ‘আমরা একটি মাদকমুক্ত সমাজ গড়তে চাই। বিশেষ করে আমাদের ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে আমরা ডিজিটাল ডিভাইসের আসক্তি থেকে দূরে রাখতে চাই। আর তরুণদের ডিভাইস থেকে দূরে রাখার অন্যতম প্রধান মাধ্যম হলো খেলাধুলা।’

সোমবার (৪ মে) বিকেলে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে (ইবি) আয়োজিত আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় অ্যাথলেটিকস ও বাস্কেটবল প্রতিযোগিতার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।


বিজ্ঞাপন


যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, ‘জনাব তারেক রহমান বাংলাদেশের খেলাধুলাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে জাতীয় পর্যায়ের খেলোয়াড়দের ভাতার আওতায় এনেছেন। পেশাগত স্বীকৃতি হিসেবে ইতিমধ্যে ৩০০ জন খেলোয়াড়কে ক্রীড়া ভাতা ও ক্রীড়া কার্ড প্রদান করা হয়েছে। পর্যায়ক্রমে ৫০০ জন জাতীয় খেলোয়াড়কে এই ভাতার আওতায় আনা হবে। তৃণমূল পর্যায় থেকে খেলোয়াড়দের উৎসাহিত ও উজ্জীবিত করতে এবং ক্রীড়াক্ষেত্রে পেশাদারিত্ব তৈরিতে আমরা এ উদ্যোগ গ্রহণ করেছি।’

প্রতিমন্ত্রী তাঁর বক্তব্যে আধুনিক ক্রীড়া বিজ্ঞানের ওপর গুরুত্বারোপ করে বলেন, ‘স্পোর্টস সাইকোলজি ও স্পোর্টস মেডিসিনসহ আরও বিভিন্ন যুগোপযোগী বিষয় নিয়ে আমাদের পরিকল্পনা রয়েছে। পাবলিক ও প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ে স্পোর্টস রিলেটেড সাবজেক্টগুলো অন্তর্ভুক্ত করার মাধ্যমে আমরা মাঠের খেলাধুলাকে আরও ছড়িয়ে দিতে চাই। এমনকি ক্রীড়া বিষয়ে যাতে ভবিষ্যতে শিক্ষার্থীরা পিএইচডি ডিগ্রি লাভ করতে পারে, সে বিষয়টিও আমাদের আলোচনায় রয়েছে।’

ক্রীড়াবিদদের কর্মসংস্থান নিয়ে তিনি একটি সুখবর দিয়ে বলেন, ‘বর্তমানে জেলা পর্যায়ে জেলা ক্রীড়া অফিসার রয়েছেন। আমরা আগামীতে দেশের ৪৯৫টি উপজেলায় ক্রীড়া অফিসার নিয়োগের পরিকল্পনা করছি। এসব পদে নিয়োগের ক্ষেত্রে ক্রীড়া সংশ্লিষ্ট ব্যাকগ্রাউন্ডের প্রার্থীদের অগ্রাধিকার দেওয়া হবে।’

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি অধ্যাপক ড. নকীব মোহাম্মদ নসরুল্লাহর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে ‘গেস্ট অব অনার’ হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কুষ্টিয়া জেলা পরিষদের প্রশাসক বীর মুক্তিযোদ্ধা অধ্যক্ষ সোহরাব উদ্দিন ও ঝিনাইদহ জেলা পরিষদের প্রশাসক আব্দুল মজিদ। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রো-ভিসি অধ্যাপক ড. এম এয়াকুব আলী ও কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক জাহাঙ্গীর আলম।


বিজ্ঞাপন


এবারের আসরে ৩০টি অ্যাথলেটিকস ইভেন্টে দেশের ৫৬টি বিশ্ববিদ্যালয় অংশগ্রহণ করছে। এর মধ্যে ছাত্রদের জন্য ১৯টি ও ছাত্রীদের জন্য ১১টি ইভেন্ট নির্ধারিত রয়েছে। এছাড়া বাস্কেটবল প্রতিযোগিতায় অংশ নেওয়া ৭টি বিশ্ববিদ্যালয় হলো ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়, যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় এবং জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়।

প্রতিনিধি/একেবি

আপডেট পেতে ফলো করুন

Google NewsWhatsAppMessenger
সর্বশেষ
জনপ্রিয়

সব খবর