জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদ (জকসু) নির্বাচনে হানিট্র্যাপ, অনৈতিক কৌশল অবলম্বন, ছাত্রী সংস্থায় যোগদানের জন্য চাপ সৃষ্টি, ফৌজদারি অপরাধ করেও সাংগঠনিক অস্বীকৃতি, তিন নারী শিক্ষার্থীর সঙ্গে ছাত্রশিবির নেতার অবৈধ সম্পর্ক এবং গুপ্ত রাজনীতির প্রতিবাদে মানববন্ধন করেছে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় (জবি) শাখা ছাত্রদল।
মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) দুপুর ২টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাষা শহিদ রফিক ভবনের নিচে এই মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করে ছাত্রদল।
বিজ্ঞাপন
অভিযুক্ত মোহাম্মদ নাজমুস সাকিব জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের ২০২৪-২৫ সেশনের শিক্ষার্থী।
মানববন্ধনে ছাত্রদল নেতারা বলেন, ছাত্রশিবিরের এক কর্মী প্রেমের ফাঁদে ফেলে ছাত্রীদের নির্বাচনে ব্যবহার করেছে। তারা ছাত্রশিবিরের কর্মীদের তালিকা প্রকাশ ও সংগঠনের দায় নিশ্চিত করার আহ্বান জানান।
ছাত্রদল নেতারা বলেন, অভিযুক্ত ব্যক্তি প্রথমে অস্বীকার করলেও পরে তাকে পদধারী নেতা হিসেবে চিহ্নিত করা হয় এবং তার ফেসবুক ডিঅ্যাক্টিভ করায় সন্দেহ বাড়ে। বিষয়টি নিয়ে প্রশাসনের হস্তক্ষেপও চান বক্তারা।
ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক খাদিজাতুল কুবরা বলেন, ‘আমরা আমাদের বোনদের নিরাপত্তা চাই। সম্প্রতি আমরা দেখেছি ছাত্রশিবিরের এক কর্মী ছাত্রসংসদ নির্বাচনে তিনজন নারীকে প্রেমের ফাঁদে ফেলে ছাত্রসংসদ নির্বাচনে ব্যবহার করেছে। আমরা ছাত্রশিবিরের গুপ্ত রাজনীতি চাই না। তাদের সব কর্মীর তালিকা প্রকাশ করতে হবে। তাদের কর্মীরা কোনো দোষ করলে তার দায় সংগঠনকে নিতে হবে।’
ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক শাহরিয়ার হোসেন বলেন, ‘প্রথমে ওই শিক্ষার্থীকে কর্মী হিসেবে ছাত্রশিবির অস্বীকার করলেও পরে জানা যায়, তিনি সংগঠনটির পদধারী নেতা ছিলেন। অভিযোগ ওঠার পর তিনি তার ফেসবুক আইডি ডিঅ্যাক্টিভ করে দেন, যা বিষয়টিকে আরও সন্দেহজনক করে তোলে।’
ছাত্রদলের আহ্বায়ক মেহেদী হাসান হিমেল বলেন, ‘আজ যারা ছাত্রশিবির পরিচয়ে ঘুরছে তারা আগে অন্য সংগঠনের সঙ্গে জড়িত ছিল। তারা হল বাণিজ্যসহ বিভিন্ন অপকর্মে জড়িত।’ তিনি এসব বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেন।
বিজ্ঞাপন
মানববন্ধনে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের সদস্য সচিব শামসুল আরেফিনসহ অন্যান্য নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
ক.ম/




