জাতীয় পতাকা উৎসব-২০২৬ উপলক্ষ্যে ‘পতাকায় বিপ্লব ও গৌরব’ শীর্ষক আলোকচিত্র প্রদর্শনীর উদ্বোধন ও আলোচনা সভার আয়োজন করেছে ‘বাংলা রেকর্ডস।
রোববার (০১ মার্চ) সকালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অপরাজেয় বাংলা সংলগ্ন বটতলায় এ প্রদর্শনী উদ্বোধন ও আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়।
বিজ্ঞাপন
সাবেক অতিরিক্ত সচিব এবং বাংলা রেকর্ডসের সভাপতি জাফর রাজা চৌধুরির সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কলা অনুষদের ডিন অধ্যাপক ছিদ্দিকুর রহমান খান। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাহিত্যিক অধ্যাপক ড. কাজী মোস্তাক গাওসুল হক, ডাকসুর সাবেক জিএস এবং বীর মুক্তিযোদ্ধা মাহবুব জামান এবং বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক মো. আমানুল্লাহ আমান।
বাংলা রেকর্ডসের সভাপতি জাফর রাজা চৌধুরী বলেন, ‘আজ থেকে প্রায় তিন যুগ পূর্বে আমি আমার বিশ্ববিদ্যালয়ের জীবন শেষ করে সিভিল সার্ভিসে যোগদান করি। সিভিল সার্ভিসে কাজ করার সময় বাংলাদেশে ইন্টেলেকচুয়াল প্রোপার্টির উপর একটি অফিস আছে বাংলাদেশ কপি রাইট অফিস আমি সেই অফিসে যোগদান করি। সেই অফিসে আমি পাঁচ বছর প্রধান হিসেবে কর্মরত ছিলাম। সে সময় আমি দেখেছি বিশ্বের অন্যান্য জাতি তাদের ইতিহাস অনেক সুন্দর ভাবে সংরক্ষণ করে রাখে। যাতে কেউ তাদের ইতিহাস বিকৃত করতে না পারে। বাংলাদেশেও একটি ন্যাশনাল আর্কাইভ রয়েছে। তবে সেটা নাম মাত্র। অবসরের পর আমরা ক জন মিলে তাই বাংলা রেকর্ডস প্রতিষ্ঠা করি। আমাদের উদ্দেশ্য হলো আমাদের স্বাধীন সংগ্রামের ইতিহাস ডিজিটালি আর্কাইভ করা।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারের গ্রন্থগারিক অধ্যাপক কাজী মোস্তাক গাউসুল হক বলেন, এই জাতীয় পতাকা হুট করে আকাশ থেকে এসে পড়েনি। এর পেছনে রয়েছে একটা দীর্ঘ ইতিহাস। এর পেছনে আছে অনেক মানুষের শ্রম ঘাম এবং তাজা রক্ত। কাজেই এই পতাকার সঙ্গে জড়িয়ে আছে আমাদের ঐতিহ্য, আমাদের চেতনা আমাদের বিশ্বাস এবং আমাদের আত্মপরিচয়।
অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ ছিদ্দিকুর রহমান খান বলেন, এক তারিখে পূর্ব বাংলার মানুষের যে আন্দোলন শুরু হয়েছিল সেই আন্দোলনের অংশ হিসেবে সর্বদলীয় ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের নেতৃত্বে আজকে আমরা যে স্থানে দাঁড়িয়ে কথা বলছি তার ঠিক সামনে কলা ভবনের ডিন অফিসের নিকটে তৎকালীন গাড়ি বারান্দা থেকে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হয়। ডাকসুর তৎকালীন ভিপি আসম আব্দুর রব জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন। সেই পতাকার ডিজাইনার ছিলেন ছাত্রনেতা শিব নারায়ণ দাস। তিনি আজ আমাদের মাঝে নেই।
বিজ্ঞাপন
এমআইকে/এএস

