রোববার, ১ মার্চ, ২০২৬, ঢাকা

প্রতিষ্ঠানপ্রধান নিয়োগে দ্রুত পরীক্ষা নেওয়ার তাগিদ শিক্ষামন্ত্রীর

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০১ মার্চ ২০২৬, ০৩:২৫ পিএম

শেয়ার করুন:

Milon
শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। ফাইল ছবি

বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষের (এনটিআরসিএ) প্রতিষ্ঠান প্রধান ও সহ-প্রধান নিয়োগ পরীক্ষা দ্রুততম সময়ের মধ্যে নেওয়ার তাগিদ দিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

রোববার (১ মার্চ) রাজধানীর ইস্কাটন গার্ডেন রোডে রেড ক্রিসেন্ট বোরাক টাওয়ারে এনটিআরসিএ কার্যালয়ে কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠকে এ নির্দেশনা দেন তিনি। 


বিজ্ঞাপন


শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ১৭ এপ্রিল নয়, প্রয়োজনে আরও ১৫ থেকে ২০ দিন এগিয়ে পরীক্ষা আয়োজনের উদ্যোগ নিতে হবে। ঈদের পরপরই বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষের (এনটিআরসিএ) প্রতিষ্ঠান প্রধান ও সহ-প্রধান নিয়োগ পরীক্ষা আয়োজনের নির্দেশ দিয়েছেন তিনি।

সংশ্লিষ্টদের উদ্দেশে তিনি আরও নির্দেশনা দেন, যাতে ঈদের পরপরই পরীক্ষা আয়োজনের জন্য প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি সম্পন্ন করা যায় এবং যাতে নিয়োগ প্রক্রিয়া দ্রুত এগিয়ে নেওয়া সম্ভব হয়।

এসময় বিজি প্রেসের সঙ্গে কথা বলে কীভাবে পরীক্ষা আরও আগে নেওয়া যায়, সে বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের প্রয়োজনীয় নির্দেশনাও দেন তিনি।

এবারই প্রথমবারের মতো এনটিআরসিএর মাধ্যমে বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রতিষ্ঠান প্রধান ও সহকারী প্রধান নিয়োগের প্রক্রিয়া পরিচালিত হচ্ছে। 


বিজ্ঞাপন


গত ২৯ জানুয়ারি অধ্যক্ষ, উপাধ্যক্ষ, প্রধান শিক্ষক, সহকারী প্রধান শিক্ষক, সুপার ও সহকারী সুপারের শূন্য পদে নিয়োগের জন্য বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে সংস্থাটি। ৩ ফেব্রুয়ারি থেকে আবেদন গ্রহণ শুরু হয়ে তা চলে ২৬ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত।

এনটিআরসিএর তথ্য অনুযায়ী, প্রতিষ্ঠান প্রধান ও সহকারী প্রধান নিয়োগ প্রক্রিয়ায় সবচেয়ে বেশি আবেদন জমা পড়েছে মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সহকারী প্রধান শিক্ষক পদে।

এনটিআরসিএর বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, মোট ১০০ নম্বরের পূর্ণাঙ্গ পরীক্ষার মাধ্যমে প্রার্থী নির্বাচন করা হবে। এর মধ্যে এমসিকিউ পদ্ধতিতে ৮০ নম্বরের লিখিত পরীক্ষা, ১২ নম্বর শিক্ষাগত যোগ্যতার সনদের ভিত্তিতে এবং ৮ নম্বর মৌখিক পরীক্ষার জন্য নির্ধারিত। লিখিত পরীক্ষার সময় থাকবে এক ঘণ্টা। এতে মোট ৮০টি নৈর্ব্যক্তিক প্রশ্ন থাকবে। প্রতিটি সঠিক উত্তরের জন্য ১ নম্বর পাওয়া যাবে এবং প্রতিটি ভুল উত্তরের জন্য ০ দশমিক ২৫ নম্বর কাটা হবে।

লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ প্রার্থীদের মৌখিক পরীক্ষায় অংশ নিতে হবে। পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে প্রতিটি অংশে আলাদাভাবে কমপক্ষে ৪০ শতাংশ নম্বর পেতে হবে। প্রার্থীদের যোগ্যতা ও অভিজ্ঞতার ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের জন্য সর্বশেষ জারি করা জনবল কাঠামো ও এমপিও নীতিমালা অনুসরণ করা হবে।

আগামী ১৭ এবং ১৮ এপ্রিল এ নিয়োগের এমসিকিউ টাইপ লিখিত পরীক্ষা হওয়ার কথা ছিল। এতে মোট ৮৬ হাজার ৪৪৩ জন প্রার্থী আবেদন করেছেন।

এসএইচ/এএইচ

ঢাকা মেইলের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

সর্বশেষ
জনপ্রিয়

সব খবর