জাতীয় বেতন কমিশন কর্তৃক বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষকদের প্রতি বৈষম্য ও অবজ্ঞা প্রদর্শনের প্রতিবাদে এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের জন্য স্বতন্ত্র বেতন স্কেল প্রবর্তনের দাবিতে মানববন্ধন করেছে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় (জবি) শিক্ষক সমিতি।
সোমবার (১৯ জানুয়ারি) বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ মিনারের সামনে এই কর্মসূচি আয়োজন করা হয়।
বিজ্ঞাপন
মানববন্ধনে সমাজকর্ম বিভাগের অধ্যাপক ড. মোস্তফা হাসান বলেন, ‘আমাদের পার্শ্ববর্তী দেশ, যাদের মাথাপিছু আয় আমাদের থেকে কম তাদের থেকেও কেন আমাদের শিক্ষকরা পিছিয়ে থাকবে? সেই দেশগুলোকে অনুসরণ করে আমাদের শিক্ষকদেরও সম্মান জনক ও অবস্থানে রাখা হোক। আমরা আশা করব সরকার এই দিকটি সংস্কার করবে।’
জবি শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ড. ইমরানুল হক বলেন, ‘আমরা জানি, আমাদের উপদেষ্টা মন্ডলীর মধ্যে তিনজন শিক্ষক আছেন। আমরা জানতে চাই, আপনারা থাকা অবস্থায় কি করে এরকম সিদ্ধান্ত হতে পারে। সরকারের কাছে আমরা আমাদের দাবিসমূহ লিখিতভাবে জানাব।’
জবি শিক্ষক সমিতির সভাপতি অধ্যাপক ড. রইছ উদ্দিন বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষকদের বেতন সংক্রান্ত সাব-কমিটি তিনটি টিওআর (টার্মস অফ রেফারেন্স) দিয়েছিল। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকতায় যেন মেধাবীরা আসতে পারে সেটা নিশ্চিতকরণ, মেধাবীরা যেন দেশেই থাকে সেটা নিশ্চিতকরণ এবং গবেষণা ও উদ্ভাবনকে উৎসাহ প্রদান। তিনটার কোনোটাই গ্রহণ করা হয়নি।’
বিজ্ঞাপন
সরকারের উদ্দেশে করে বলেন, ‘আপনারা কি চান না বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকতায় মেধাবীরা আসুক, গবেষণা ও উদ্ভাবনী শক্তি বৃদ্ধি হোক? আপনাদের কাজ সেটাই প্রমাণ করে।’
তিনি প্রশ্ন তুলেন, ‘বাংলাদেশের প্রতিবেশী রাষ্ট্র ভারতে শিক্ষকদের বেতন ৬ গুণ বেশি। তাহলে আমাদের দেশে এই চিত্র কেন?’
শিক্ষক সমিতির সভাপতি আরও বলেন, ‘জাতীয় বেতন কমিশন বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষকদের প্রতি যে অবজ্ঞা ও বৈষম্য করেছে আমরা তার নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই।’
এএম

