আগামীকাল (রোববার) সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষার ফল প্রকাশের লক্ষ্য নিয়ে কাজ করছে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতর।
এদিন বিকেল অথবা সন্ধ্যার মধ্যে ফল প্রকাশ করা হতে পারে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে। ফলাফলে প্রতিটি শূন্যপদের বিপরীতে তিন থেকে পাঁচজন প্রার্থী চূড়ান্তভাবে নির্বাচিত হতে পারেন।
বিজ্ঞাপন
শনিবার (১৭ জানুয়ারি) রাতে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতরের পলিসি অ্যান্ড অপারেশনস বিভাগের এক কর্মকর্তা বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
তিনি জানান, পরীক্ষার উত্তরপত্র স্ক্যানিংয়ের কাজ ইতোমধ্যে শেষ হয়েছে। এই কার্যক্রম বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি বিশেষজ্ঞ টিম পরিচালনা করেছে। পাশাপাশি ফলাফল প্রস্তুতের কাজেও উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হয়েছে।
ওই কর্মকর্তা আরও বলেন, সব প্রস্তুতি সম্পন্ন হলে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন সাপেক্ষে রোববারই ফল প্রকাশ করা হতে পারে। তবে কোনো কারণে সেদিন ফল প্রকাশ সম্ভব না হলে ২০ জানুয়ারির মধ্যেই ফল প্রকাশের চেষ্টা থাকবে।
প্রতি শূন্যপদের বিপরীতে কতজন প্রার্থীকে মৌখিক পরীক্ষার জন্য ডাকা হবে, তা নিয়ে এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি বলে জানান তিনি।
বিজ্ঞাপন
তার ভাষ্য অনুযায়ী, আগে জেলাভিত্তিক প্রতিটি শূন্যপদের বিপরীতে তিনজন প্রার্থীকে ভাইভায় ডাকার সিদ্ধান্ত ছিল। তবে নিয়োগ প্রক্রিয়ায় জালিয়াতিসহ নানা অভিযোগ ওঠার পরিপ্রেক্ষিতে আরও বেশি সংখ্যক প্রার্থীকে ভাইভায় অংশগ্রহণের সুযোগ দেওয়া যায় কি না, তা নিয়ে আলোচনা চলছে। প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা পাওয়া গেলে প্রতিটি শূন্যপদের বিপরীতে পাঁচজন প্রার্থীকে মৌখিক পরীক্ষার জন্য ডাকা হতে পারে।
সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগের লিখিত পরীক্ষায় অংশ নেওয়া লক্ষাধিক প্রার্থী দীর্ঘদিন ধরে ফলের অপেক্ষায় রয়েছেন। ফল প্রকাশ ঘিরে নানা সময় বিভিন্ন গুঞ্জন ছড়ালেও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ সেগুলোকে গুজব হিসেবে উল্লেখ করে আসছে।
গত ৯ জানুয়ারি বিকেলে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ‘সহকারী শিক্ষক নিয়োগ ২০২৫’-এর লিখিত পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। প্রায় ১৪ হাজার ৩৮৫টি শূন্যপদের বিপরীতে ১০ লাখের বেশি প্রার্থী এ প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় অংশ নেন।
এম/এএইচ

