সোমবার, ১২ জানুয়ারি, ২০২৬, ঢাকা

চিন্তাশীল নাগরিক ছাড়া কোনো সমাজ এগিয়ে যেতে পারে না: শিক্ষা উপদেষ্টা

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ১২ জানুয়ারি ২০২৬, ০৭:৪৭ পিএম

শেয়ার করুন:

চিন্তাশীল নাগরিক ছাড়া কোনো সমাজ এগিয়ে যেতে পারে না: শিক্ষা উপদেষ্টা
বক্তব্য দিচ্ছেন শিক্ষা উপদেষ্টা ড. সি. আর. আবরার। ছবি: সংগৃহীত

চিন্তাশীল নাগরিক ছাড়া কোনো সমাজ এগিয়ে যেতে পারে না বলে মন্তব্য করেছেন শিক্ষা উপদেষ্টা ড. সি. আর. আবরার। তিনি বলেন, একটি সমাজ তখনই শক্তিশালী হয়, যখন সে নিজেকে প্রশ্ন করতে পারে। আর সেই প্রশ্ন করার সাহস গড়ে ওঠে নন-ফিকশন পড়ার অভ্যাস থেকে।

সোমবার (১২ জানুয়ারি) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যবসায় শিক্ষা ও বণিক বার্তার নবম নন-ফিকশন বইমেলার সমাপনী অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।


বিজ্ঞাপন


নন-ফিকশন বইয়ের গুরুত্ব তুলে ধরে শিক্ষা উপদেষ্টা বলেন, আমরা এমন এক সময়ে বাস করছি, যখন তথ্যের অভাব নেই, কিন্তু জ্ঞান ঘাটতি রয়েছে। সেই ঘাটতি পূরণে নন-ফিকশন বইয়ের ভূমিকা অপরিসীম।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. মামুন আহমেদ।

শিক্ষার্থীদের নন-ফিকশন বই পড়ার আহবান জানিয়ে শিক্ষা উপদেষ্টা বলেন, নন-ফিকশন পড়ুন, প্রশ্ন করুন, তর্ক করুন, ভাবুন। কারণ চিন্তাশীল নাগরিক ছাড়া কোনো সমাজ এগোতে পারে না।

তিনি আরও বলেন, বইমেলার একটি বড় তাৎপর্য হলো এটি দেয়ালের ভেতরের জ্ঞানকে সাধারণ মানুষের কাছে নিয়ে এসেছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সবসময়ই চিন্তার কেন্দ্র। আজকের এই আয়োজন আমাদের মনে করিয়ে দেয় বিশ্ববিদ্যালয়ের দায়িত্ব শুধু ডিগ্রি দেওয়া নয়, সমাজকে ভাবতে শেখানোও।


বিজ্ঞাপন


সমাপনী অনুষ্ঠানে লেখক ও প্রকাশকদের মধ্যে পুরস্কার প্রদান করা হয়। পুরস্কার প্রাপ্তদের উদ্দেশ্যে অধ্যাপক সি. আর. আবরার বলেন, এই পুরস্কার শুধু লেখকদের সম্মানিত করে না, এটি একটি বার্তা দেয় যে গভীর গবেষণা, পরিশ্রমী লেখা এবং দায়িত্বশীল চিন্তার মূল্য আছে।

এবারের মেলায় দেশের মোট ৩৯টি প্রকাশনা ও গবেষণা সংস্থা অংশ নিয়েছে। অংশ নেওয়া প্রকাশকদের মনোনীত বই থেকে বিচারক প্যানেল ২০২৫-এর দুটি নন-ফিকশন বই নির্বাচন করে ‘নন-ফিকশন গ্রন্থ সম্মাননা ২০২৫’ প্রদান করে সমাপনী অনুষ্ঠানে।

এবার একই সঙ্গে গ্রন্থগুলোর প্রকাশককেও সম্মাননা দেওয়া হয়। সম্মাননা প্রাপ্ত বিজয়ী গ্রন্থ ও লেখকরা হলেন, দ্বিরালাপ: চব্বিশের গণঅভ্যুত্থান ও পূর্বাপর রাজনীতি সম্পর্কে বিশ্লেষণমূলক আলাপচারিতা-এর নূরুল কবীর, যা প্রকাশ করেছে কথাপ্রকাশ। বিজয়ী আরেকটি গ্রন্থ হলো মুহম্মদ ইউসুফ সিদ্দিকির লেখা শিলালিপি: বাংলার আরবি-ফারসি প্রত্নলেখমালা, যা প্রকাশ করেছে প্রথমা প্রকাশন।

শিক্ষা উপদেষ্টা আয়োজক, লেখক, প্রকাশক, পুরস্কারপ্রাপ্ত এবং পাঠকদের অভিনন্দন জানান এবং এই জাতীয় জ্ঞানভিত্তিক বইমেলা আয়োজন অব্যাহত রাখার আহবান জানান।

বিইউ/এআর

ঢাকা মেইলের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

সর্বশেষ
জনপ্রিয়

সব খবর