সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের ক্লাসের সময় এবং শিক্ষকদের কর্মঘণ্টা বাড়ানো হয়েছে। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, এক শিফটের বিদ্যালয়ে ক্লাসের সময় ৩০ মিনিট এবং দুই শিফটের বিদ্যালয়ে ১৫ মিনিট বৃদ্ধি করা হয়েছে। এ সিদ্ধান্তকে অযৌক্তিক উল্লেখ করে শিক্ষক নেতারা ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন।
এদিকে সম্প্রতি প্রকাশিত প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ছুটির তালিকা নিয়েও শিক্ষকদের মধ্যে অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। ছুটির তালিকায় শুক্র ও শনিবার গণনায় ধরা এবং রমজান মাসে পর্যাপ্ত ছুটি না রাখার অভিযোগ তুলেছেন তারা। শিক্ষক নেতাদের দাবি, ছুটির তালিকার ২৮ নম্বর ক্রমিকে কমপক্ষে ১৫ দিনের ছুটি নিশ্চিত করতে হবে এবং রমজান মাসে ছুটি বাড়াতে হবে।
বিজ্ঞাপন
২০২৬ শিক্ষাবর্ষের জন্য জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা একাডেমি (নেপ) থেকে প্রকাশিত ক্লাস রুটিন পর্যালোচনা করে কর্মঘণ্টা বৃদ্ধির এই তথ্য পাওয়া গেছে। রুটিন অনুযায়ী, ২০২৫ সালে এক শিফটের বিদ্যালয়ে ক্লাস শেষ হতো দুপুর ৩টা ৩০ মিনিটে। তবে ২০২৬ সালের নতুন রুটিনে এক শিফটের বিদ্যালয়ে ক্লাস শেষ হবে বিকেল ৪টায়। ফলে এক শিফটের বিদ্যালয়ে শিক্ষকদের কর্মঘণ্টা বা ক্লাসের সময় বেড়েছে আধা ঘণ্টা।
অন্যদিকে, দুই শিফটের বিদ্যালয়ে ২০২৫ সালে ছুটি হতো বিকেল ৪টায়। নতুন রুটিন অনুযায়ী, ২০২৬ শিক্ষাবর্ষে দুই শিফটের বিদ্যালয়ে ছুটি নির্ধারণ করা হয়েছে বিকেল ৪টা ১৫ মিনিটে। এতে দুই শিফটের বিদ্যালয়গুলোতে শিক্ষকদের কর্মঘণ্টা বেড়েছে ১৫ মিনিট।
শিক্ষক নেতারা বলছেন, কর্মঘণ্টা বাড়ানোর আগে শিক্ষকদের মতামত নেওয়া হয়নি। পাশাপাশি ছুটির সংখ্যা কমে যাওয়ায় ব্যক্তিগত ও পারিবারিক জীবনে নেতিবাচক প্রভাব পড়বে। দ্রুত এসব সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা করে সংশোধনের দাবি জানিয়েছেন তারা।
এম/এফএ

