শনিবার, ১৩ ডিসেম্বর, ২০২৫, ঢাকা

৭ কলেজে দ্বিতীয় দিনের মতো চলছে শিক্ষকদের কর্মবিরতি

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ১৯ নভেম্বর ২০২৫, ১১:৪৮ এএম

শেয়ার করুন:

৭ কলেজে দ্বিতীয় দিনের মতো চলছে শিক্ষকদের কর্মবিরতি

রাজধানীতে অবস্থিত সরকারি সাত কলেজে দ্বিতীয় দিনের মতো চলছে শিক্ষকদের পূর্ণদিবস কর্মবিরতি। প্রস্তাবিত ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটির ভর্তি নিশ্চায়ন ও শ্রেণি কার্যক্রম শুরুর নির্দেশনাকে ‘আইনসিদ্ধ নয়’ উল্লেখ করে বিসিএস সাধারণ শিক্ষা ক্যাডারের শিক্ষকরা টানা তিন দিনের কর্মসূচি পালন করছেন। 

বুধবার (১৯ নভেম্বর) ঢাকা কলেজ, ইডেন মহিলা কলেজসহ অন্যান্য ক্যাম্পাসে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, সকাল থেকে শ্রেণিকক্ষে কোথাও কোনো পাঠদান হয়নি। অধিকাংশ কক্ষই তালাবদ্ধ বা ফাঁকা। ক্যাম্পাসে শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি তুলনায় অনেক কম।


বিজ্ঞাপন


শিক্ষক নেতাদের অভিযোগ, প্রস্তাবিত ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটির অধ্যাদেশ এখনো চূড়ান্ত হয়নি। এর আগে ভর্তি নিশ্চায়ন বা শ্রেণিকার্যক্রম শুরু করার নির্দেশনা দেওয়া হলে তা আইনি জটিলতা তৈরি করে। সরকারি কলেজে কর্মরত বিসিএস সাধারণ শিক্ষা ক্যাডারের শিক্ষকদের ওই প্রস্তাবিত বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে কোনো একাডেমিক কাজে যুক্ত হওয়ার বিধিবদ্ধ সুযোগ নেই। তাই এই সিদ্ধান্তকে তারা ‘অপ্রযোজ্য ও বাস্তব বিবর্জিত’ বলে অভিহিত করেন।

ঢাকা কলেজ ইউনিটের বিসিএস সাধারণ শিক্ষা সমিতির সম্পাদক ড. মো. দিলুর রহমান বলেন, কেন্দ্রীয়ভাবে কর্মসূচি এখনো প্রত্যাহার করা হয়নি। আমরা কোনো নির্দেশনাও পাইনি। মন্ত্রণালয়ের ক্লাসে ফেরার আহ্বান আমাদের নেতারা পর্যালোচনা করেছেন, তবে কর্মসূচি স্থগিত করার মতো কোনো নির্দেশনা কেন্দ্র থেকে আসেনি। তাই কর্মসূচি আগের মতোই চলছে।

এর আগে, গত ১৭ নভেম্বর ঢাকা কলেজ অডিটোরিয়ামে অনুষ্ঠিত জরুরি সভা থেকে ১৮, ১৯ ও ২০ নভেম্বর তিন দিনের পূর্ণদিবস কর্মবিরতির ঘোষণা দেন শিক্ষকরা। অভিযোগ করা হয়, সাত কলেজের জেনারেল মিটিং ও বিসিএস জেনারেল এডুকেশন অ্যাসোসিয়েশনের সিদ্ধান্ত উপেক্ষা করে অন্তর্বর্তী প্রশাসক ভর্তি ও শ্রেণিকার্যক্রম সংক্রান্ত নির্দেশনা জারি করেছেন। এই ‘অসংগত ও আইনবহির্ভূত’ সিদ্ধান্তের কারণে নতুন জটিলতার সৃষ্টি হয়েছে বলেও অভিযোগ করেন শিক্ষকরা। একই সঙ্গে সংশ্লিষ্ট অন্তর্বর্তী প্রশাসকের তিন কার্যদিবসের মধ্যে পদত্যাগ দাবি করা হয়।

এদিকে কর্মবিরতির কারণে সাত কলেজের ২০২৪–২৫ শিক্ষাবর্ষের নতুন শিক্ষার্থীরা ভর্তি কার্যক্রম সম্পন্ন করতে পারছেন না। শিক্ষার্থীরা বলছেন, ক্যাম্পাসে ঘুরেও কোনো ধরনের সেবা পাচ্ছেন না। এতে ভোগান্তি বাড়ছে।


বিজ্ঞাপন


এমআর

ঢাকা মেইলের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

সর্বশেষ
জনপ্রিয়

সব খবর