ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচনে বাংলাদেশ গণতান্ত্রিক ছাত্র সংসদ (বাগছাস) সমর্থিত 'বৈষম্যবিরোধী শিক্ষার্থী সংসদ' প্যানেলের সাধারণ সম্পাদক (জিএস) পদপ্রার্থী মো.আবু বাকের মজুমদার বলেন, ‘শিক্ষার্থীরা যদি আমাদের নির্বাচিত করে তবে আমরা স্টারলিংক ইন্টারনেট এনে সবাইকে ফ্রি ইন্টারনেট সেবার আওতায় আনতে চাই। প্রতিটি শিক্ষার্থীর মাথাপিছু মাত্র ৪০ টাকা খরচ করে বর্তমান ইন্টারনেট সেবাগুলোর তুলনায় ১০ থেকে ১৫ গুণ ইন্টারনেট সেবা তারা পাবে।’
শুক্রবার (২২ আগস্ট) ৩টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের মধুর ক্যান্টিনে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন তিনি। বিশ্ববিদ্যালয়ের মধুর ক্যান্টিনে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে
বিজ্ঞাপন
বাকের বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় যেসব বড় বড় বিল্ডিং তৈরি করা আছে সেগুলোর আদলে শিক্ষার্থীদের জন্য বিল্ডিং তৈরি করা হলে শুধু বিশ্ববিদ্যালয় না সারা দেশের অর্ধেক সমস্যার সমাধান হয়ে যাবে। কারণ, বিগত সরকারের মতো নতুন করে কেউ যাতে ফ্যাসিবাদী সিস্টেম কায়েম করতে না পারে তার জন্য প্রথমত ক্যাস্পাসে সিটের সমস্যা সমাধান করতে হবে।
তিনি বলেন, মেয়েদের হলগুলোতে গেইট বন্ধ করার সময় রাত ১০টা থেকে বাড়িয়ে ১১টা এবং লেট গেইট টাইম রাত ১২টা পর্যন্ত করার দাবি জানাচ্ছি আমরা। এছাড়াও প্রতিটি হলে একজন এমবিবিএস ডাক্তার মেডিকেল অফিসার হিসেবে নিয়োগ দিতে হবে। যদি আমাদের প্রতিনিধি হিসেবে নিশ্চিত করা হয় তবে আমরা এসব বিষয় নিয়ে কাজ করবো।
সংবাদ সম্মেলনে প্যানেলের সহসভাপতি (ভিপি) পদপ্রার্থী আব্দুল কাদের বলেন, শিক্ষার্থীদের মধ্যে শঙ্কা আছে আবার সেই গণরুম-গেস্টরুম ফিরে আসবে কি না। আমরা আমাদের কর্মকাণ্ডের মধ্যে দিয়ে তাদেরকে আশ্বস্ত করতে চাই। আমরা যদি ডাকসুতে নির্বাচিত হয় তাহলে অ্যাকাডেমিক ক্যালেন্ডারের মধ্যে ডাকসু নির্বাচন অন্তর্ভুক্ত করবো।
বিশ্ববিদ্যালয়ে আমরা এক বেড, এক মানুষ ও এক টেবিল নিশ্চিত করতে চাই। নারী শিক্ষার্থীদের আবাসন ব্যবস্থা নিয়ে তিনি বলেন, একজন নারী শিক্ষার্থী আবাসিক হলে যেভাবে থাকে রোহিঙ্গা ক্যাম্পেও মানুষ এভাবে থাকে না। কারণ, বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্ধেক সংখ্যক নারী শিক্ষার্থীদের জন্য মাত্র ৫টি হল রয়েছে।
বিজ্ঞাপন
ডাকসু ভোটকেন্দ্র নিয়ে তিনি বলেন, আমাদের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে নারী শিক্ষার্থীদের দুটি হলের ভোটকেন্দ্রের অবস্থান পরিবর্তন করা হয়েছে। কিন্তু, আমাদের আরেকটি দাবি- বঙ্গমাতা ও কুয়েত-মৈত্রী হলের শিক্ষার্থীদের ভোট ঢাবি ক্লাবে গ্রহণ এর পরিবর্তে সমাজকল্যাণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউটে গ্রহণ করা। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন এই দাবি মেনে নেয়নি। যার ফলে নারী শিক্ষার্থীরা ভোট প্রদানে অনুৎসাহিত হবে।
আইএসএস/এআর




