সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ঢাকা

‘ছাত্র সমাবেশ’ ঘিরে ব্যাপক শোডাউনের প্রস্তুতি ছাত্রলীগের

কাজী রফিক
প্রকাশিত: ২৪ আগস্ট ২০২৩, ০৮:০২ এএম

শেয়ার করুন:

‘ছাত্র সমাবেশে’ শক্তি জানান দিতে ব্যাপক প্রস্তুতি ছাত্রলীগের

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এবং বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন নেছা মুজিব স্মরণে ছাত্র সমাবেশ করবে আওয়ামী লীগের ভাতৃপ্রতীম সংগঠন বাংলাদেশ ছাত্রলীগ। ১ সেপ্টেম্বর রাজধানীর ঐতিহাসিক সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে এই সমাবেশ ডাকা হয়েছে। সমাবেশে নিজেদের শক্তি জানান দিতে ব্যাপক প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে দেশের ঐতিহ্যবাহী সংগঠনটির পক্ষ থেকে। সমাবেশে ব্যাপক জনসমাগম ঘটাতে দেশের সব জেলা, থানা ও ইউনিট থেকে নেতাকর্মীদের আনার প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।

প্রথমে আগস্টের শেষ দিন এই সমাবেশ করার কথা থাকলেও তা একদিন পেছানো হয়। তবে আয়োজনের স্থান, সময় পরিবর্তন হয়নি। সমাবেশে প্রধান অতিথি থাকবেন আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

১ সেপ্টেম্বর বিকেল তিনটায় সোহরাওয়ার্দী উদ্যান দেশের প্রতিটি মহানগর, জেলা-উপজেলার শিক্ষার্থীদের পদচারণায় মুখরিত হবে বলে আশা প্রকাশ করছে কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ।

কয়েকদিন পরই শুরু হতে যাওয়া সমাবেশকে সামনে রেখে বর্তমানে ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন সংগঠনটির কেন্দ্রীয় নেতারা। ব্যস্ততা বেড়েছে বিভিন্ন জেলা, উপজেলা ও ছাত্রলীগের বিভিন্ন ইউনিটের নেতাকর্মীদেরও। এছাড়া তৃণমূলের নেতাকর্মীরাও ব্যস্ত। বড় শোডাউনের চেষ্টায় ব্যস্ত তারাও। আয়োজনে রাখতে চান ভিন্নতা।

কেন্দ্রের প্রত্যাশা- দেশের সবচেয়ে বড় শিক্ষার্থী সমাবেশের আয়োজন করছেন তারা। অন্তত পাঁচ লাখ নেতাকর্মী সারাদেশ থেকে এসে এই সমাবেশে যোগ দেবেন এমন চেষ্টা ও প্রত্যাশা রয়েছে কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের।

কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের নেতারা জানান, বর্তমানদের পাশাপাশি ছাত্রলীগের আয়োজনে ছাত্র সমাবেশে দেখা মিলবে কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সাবেক নেতাদেরও।

সমাবেশের প্রস্তুতি সম্পর্কে জানতে চাইলে ঢাকা মহানগর উত্তরের অন্তর্গত মোহাম্মদপুর থানা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক মো. আইমান ওয়াসেফ অমিক ঢাকা মেইলকে বলেন, ‘ছাত্র সমাবেশটা দীর্ঘদিন পর হচ্ছে। অবশ্যই আমাদের প্রত্যাশার জায়গাটা বড়। আমরাও বড় পরিসরে প্রস্তুতি নিয়েছি। মোহাম্মদপুর থানা ছাত্রলীগের অন্তর্গত প্রতিটি ওয়ার্ড ও ইউনিটের নেতাকর্মীরা এই ছাত্র সমাবেশে অংশ নেবে।’

আরও পড়ুন: ছাত্রলীগের পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা, বাড়ল সহ-সভাপতির পদ

জানতে চাইলে গোপালগঞ্জ জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক আতাউর রহমান পিয়াল ঢাকা মেইলকে বলেন, ‘আমরা গোপালগঞ্জ থেকে সব সময়ই আমাদের সর্বোচ্চ জনবল নিয়ে অংশগ্রহণ করি। এবারই তাই করছি। আমাদের সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন। প্রধানমন্ত্রী ও বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনার হাতকে শক্তিশালী করতে আমরা সর্বোচ্চ ত্যাগ স্বীকার করতে সবসময় প্রস্তুত।’

ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি মো. সাইফুর রহমান সোহাগ এবং সাধারণ সম্পাদক এস এম জাকির হোসাইনের সময়ে ছাত্র সমাবেশ করেছিল কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ। এরপর কেটে গেছে আট বছর। ফলে দীর্ঘ সময় পর আয়োজিত এই সমাবেশকে ঘিরে কেন্দ্র থেকে তৃণমূল পর্যন্ত নেতাকর্মীদের প্রত্যাশার জায়গাটা বেশ বড় বলে মনে করছেন ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আব্দুল্লাহ হীল বারী।

ঢাকা মেইলকে তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সারাদেশের প্রতিটি ইউনিট থেকেই নেতাকর্মীরা এই সমাবেশ অংশগ্রহণ করবেন। যেহেতু দীর্ঘ সময় পরে একটি ছাত্র সমাবেশ হতে যাচ্ছে, ফলে সবার মধ্যে বেশ আগ্রহ রয়েছে।’

আরও পড়ুন: কেন্দ্রের বার্তায় কোন্দল মিটবে আওয়ামী লীগে?

প্রায় সাড়ে চার থেকে পাঁচ লাখ নেতাকর্মী সেপ্টেম্বরের প্রথম দিন সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে উপস্থিত হবেন বলে আশা করছেন তিনি।

একই বিষয়ে জানতে চাইলে ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সভাপতি রাকিবুল হাসান ঢাকা মেইলকে বলেন, ‘বঙ্গবন্ধুকন্যা, দেশরত্ন শেখ হাসিনার উপস্থিতিতে এটি স্মরণকালের শ্রেষ্ঠ ছাত্র সমাবেশ হবে। প্রায় পাঁচ লাখ নেতাকর্মী এই সমাবেশ অংশগ্রহণ করবেন বলে আশা করছি।’

রাকিবুল হাসান বলেন, ‘এদেশে অনেক সমাবেশ হয়। তবে শুধুমাত্র শিক্ষার্থীদের নিয়ে এত বড় সমাবেশে এর আগে কখনো হয়নি। স্মার্ট বাংলাদেশ গড়তে বর্তমান প্রজন্ম কীভাবে অবদান রাখতে পারে সমাবেশে দেশরত্ন শেখ হাসিনা সেই নির্দেশ দেবেন এবং শপথ করাবেন।’

কারই/এমআর

আপডেট পেতে ফলো করুন

Google NewsWhatsAppMessenger
সর্বশেষ
জনপ্রিয়

সব খবর