ব্যাংক ঋণের সুদহার শিগগির কমানোর সম্ভাবনা নেই: গভর্নর

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০১ ডিসেম্বর ২০২২, ০৫:০৭ পিএম
ব্যাংক ঋণের সুদহার শিগগির কমানোর সম্ভাবনা নেই: গভর্নর

ব্যাংকের ঋণের সুদের হার শিগগির কমানোর সম্ভাবনা নেই বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর আবদুর রউফ তালুকদার।

বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ডেভেলপমেন্ট স্টাডিজ (বিআইডিএস) আয়োজিত এক সম্মেলনে এই তথ্য দেন তিনি।

দেশে মূল্যস্ফীতির চাকা ঊর্ধ্বমুখী। জিনিসপত্রের দাম হু হু করে বেড়ে চলছে। এর ফলে সঞ্চয়ে টান পড়ায় আমানত কমছে ব্যাংকে। বর্তমানে ব্যাংকে টাকা রেখে সুদ মিলছে সর্বোচ্চ ৬ শতাংশ।

তবে কিছু দুর্বল ব্যাংক বেশি সুদ দিয়ে আমানত সংগ্রহ করছে। এছাড়া সার্বিক মূল্যস্ফীতির কারণে ব্যাংকে টাকা রেখে যে সুদ পাওয়া যাচ্ছে, তাতে বাড়তি মূল্যস্ফীতির চাপ সামাল দেওয়া যাচ্ছে না। আর ব্যাংকগুলোও আমানতের সুদ বাড়াতে পারছে না, কারণ ঋণের সুদ ৯ শতাংশ বেঁধে দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।

সুদহারের সর্বোচ্চ সীমা তুলে নেওয়ার বিষয়ে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গভর্নর বলেন, 'আমরা একটি ভালো সময়ের জন্য অপেক্ষা করছি। সুদহারের সর্বোচ্চ সীমা তুলে নেওয়া হবে। কিন্তু এখন এর সঠিক সময় নয়।'

আবদুর রউফ তালুকদার বলেন, 'বাংলাদেশ ব্যাংক ইতোমধ্যে ভোক্তা ঋণের সুদের হার শিথিল করেছে।'

বৈদেশিক মুদ্রার বিনিময় হার সম্পর্কে গভর্নর বলেন, 'বাজারকেই এটা নির্ধারণ করতে দেবে বাংলাদেশ ব্যাংক।

আবদুর রউফ তালুকদার আরও বলেন, 'কেন্দ্রীয় ব্যাংক কখনোই কোনো আমদানির ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেনি। শুধু কিছু বিলাসবহুল পণ্যের আমদানি শুল্ক বাড়ানো হয়েছে।'

বৈদেশিক বাণিজ্যে পণ্যর দাম কম বা বেশি দেখিয়ে আমদানি নিয়ন্ত্রণ করতে পারলে ‘ট্রেড বেজড মানি লন্ডারিং’ বন্ধ করা সম্ভব বলেও মন্তব্য করেন কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গভর্নর।

আবদুর রউফ তালুকদার বলেন, পণ্য আমদানি-রফতানি প্রক্রিয়ার আড়ালে দেশের বিপুল অর্থ বিদেশে পাচার হচ্ছে। ২০-২০০ শতাংশ পর্যন্ত ওভার ইনভয়েসিং বা অতিরিক্ত মূল্য দেখিয়ে পণ্য আমদানি করা হয়েছে। এরকম একশ' এলসি বন্ধ করে নেওয়া হয়েছে।

এমআর