কখনো আকাশছোঁয়া বৃদ্ধি, আবার কখনো আচমকা পতন। বিশ্ববাজারে দাম বাড়া-কমার প্রভাব পড়েছে দেশের স্বর্ণের বাজারেও। মূল্যের এই ধারাবাহিক ওঠানামা যেন এক অন্তহীন রোমাঞ্চ। আর এ কারণেই ক্রেতা-বিক্রেতাদের আগ্রহের কেন্দ্রে থাকে স্বর্ণের নতুন দাম।
বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) ভরিতে সবশেষ ৩ হাজার ২৬৬ টাকা কমিয়েছে। এতে ভালো মানের অর্থাৎ ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম ২ লাখ ২৮ হাজার ৩১ টাকা নির্ধারণ হয়েছে। গত মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) সকাল ১০টা থেকে স্বর্ণের নতুন এ দাম কার্যকর হয়। নতুন করে দাম বাড়া-কমা না হওয়ায় সেই দামে আজ বুধবারও বিক্রি হচ্ছে স্বর্ণ।
মূল্যতালিকা অনুযায়ী, ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম ভ্যাটসহ ২ লাখ ২৮ হাজার ৩১ টাকা। আগের দিন (সোমবার) এ মানের স্বর্ণের দাম ছিল ২ লাখ ৩১ হাজার ২৯৭ টাকা। এ ছাড়া ২১ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয় ২ লাখ ১৭ হাজার ৭৬৭ টাকা। ১৮ ক্যারেটের এক ভরি সোনা বিক্রি হচ্ছে ১ লাখ ৮৭ হাজার ৩২ টাকায়। আর সনাতন পদ্ধতির এক ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ১ লাখ ৫২ হাজার ৭৯৮ টাকা।
এদিকে, স্বর্ণের পাশাপাশি দেশের বাজারে কমেছে রুপার দামও। বর্তমানে ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপার দাম ৪ হাজার ২০০ টাকা। ২১ ক্যারেটের এক ভরি রুপা ৩ হাজার ৯৬৬ টাকা, ১৮ ক্যারেটের রুপা ৩ হাজার ৩৩১ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির এক ভরি রুপা ২ হাজার ৬২৪ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
বাজুসের নির্দেশনা অনুযায়ী, স্বর্ণ ও রুপার গহনা তৈরির মজুরি নকশাভেদে নির্ধারিত হবে। গহনা বিক্রির ক্ষেত্রে ঘোষিত বিক্রয়মূল্যের সঙ্গে প্রযোজ্য ভ্যাট যুক্ত থাকবে। তবে ক্রেতার কাছ থেকে ভ্যাট আলাদাভাবে আদায় করা যাবে না।
এ ছাড়া অলংকারের ক্ষেত্রে মজুরি ও পাথরের মূল্য বাদ দিয়ে ১২ শতাংশ এবং পারচেজের ক্ষেত্রে ১৮ শতাংশ বাদ দেওয়ার নির্দেশনা রয়েছে। অলংকার ও পারচেজের ক্ষেত্রে আলাদাভাবে ভ্যাট বাদ দেওয়া যাবে না। পরবর্তী ঘোষণা না আসা পর্যন্ত দেশের সব জুয়েলারি প্রতিষ্ঠানে বাজুসের নির্ধারিত বিক্রয়মূল্য কার্যকর থাকবে।
উল্লেখ্য, এক ভরি স্বর্ণের ওজন ১১ দশমিক ৬৬৪ গ্রাম।




