সর্বজনীন ডিজিটাল পেমেন্ট ব্যবস্থা ‘বাংলা কিউআর’-এ দৈনিক লেনদেনের পরিমাণ ১১০ কোটি টাকা ছাড়িয়েছে। গত দেড় মাসে এই মাধ্যমে দৈনিক লেনদেনের সংখ্যা প্রায় দ্বিগুণ হওয়ার পাশাপাশি লেনদেনের আর্থিক মূল্য বেড়েছে প্রায় তিন গুণ।
‘এক দেশ, এক কিউআর’ নীতি বাধ্যতামূলক করার পর থেকেই বাংলা কিউআর ব্যবহারে এমন উল্লেখযোগ্য প্রবৃদ্ধি দেখা দিয়েছে।
রোববার (২৩ আগস্ট) এক বার্তায় এই তথ্য জানিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।
তথ্য অনুযায়ী, জুলাইয়ের শুরুতে বাংলা কিউআরের মাধ্যমে প্রতিদিন গড়ে ১ লাখ ৭৮ হাজার লেনদেন হতো। এসব লেনদেনে দৈনিক গড়ে ৩৭ কোটি ৩৩ লাখ টাকার কেনাকাটা করা হতো। তবে গত সপ্তাহে লেনদেনের সংখ্যা বেড়ে দৈনিক গড়ে ৩ লাখ ৩ হাজারে দাঁড়িয়েছে। একই সময়ে লেনদেনের আর্থিক পরিমাণ বেড়ে হয়েছে ১১০ কোটি ৩৮ লাখ টাকা।
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য বলছে, গত ১ জুলাই থেকে আলাদা কোনো প্রোপ্রাইটরি কিউআর ব্যবস্থা না রেখে একক ‘বাংলা কিউআর’ ব্যবহারের নীতি বাধ্যতামূলক করা হয়। এরপর থেকেই এ ব্যবস্থায় লেনদেন উল্লেখযোগ্য হারে বাড়তে শুরু করে। একই সঙ্গে বাংলা কিউআর ব্যবহারকারী মার্চেন্টের সংখ্যাও দ্রুত বেড়েছে।
জুলাইয়ের শুরুতে বাংলা কিউআর ব্যবহারকারী মার্চেন্টের সংখ্যা ছিল প্রায় ১৬ লাখ। বর্তমানে তা বেড়ে প্রায় ৩০ লাখে দাঁড়িয়েছে। অর্থাৎ দেড় মাসের ব্যবধানে বাংলা কিউআর গ্রহণকারী মার্চেন্টের সংখ্যা প্রায় ১৪ লাখ বেড়েছে। এ পেমেন্ট ব্যবস্থা সম্প্রসারণে বেসরকারি ব্যাংকের পাশাপাশি সরকারি ব্যাংকগুলোও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।
বর্তমানে মূলত দোকান ও বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে কেনাকাটার ক্ষেত্রে বাংলা কিউআর বেশি ব্যবহার হচ্ছে। তবে শুধু পণ্য কেনাকাটার মধ্যে সীমাবদ্ধ না রেখে ব্যক্তি থেকে ব্যক্তি পর্যায়েও এ ব্যবস্থার ব্যবহার চালুর উদ্যোগ নিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।
টিএই/এএইচ




