মেটলাইফ ইন্স্যুরেন্সের বিরুদ্ধে বিমা দাবির অর্থ পরিশোধ না করে প্রতারণার চেষ্টা ও হয়রানির অভিযোগের বিষয়ে নিজেদের অবস্থান তুলে ধরেছে প্রতিষ্ঠানটি। কোম্পানির দাবি, সংশ্লিষ্ট গ্রাহকের দাবিকৃত অর্থের কোনো বাস্তব ভিত্তি নেই এবং প্রয়োজন হলে এ বিষয়ে সব ধরনের তথ্য-প্রমাণ উপস্থাপন করতে প্রস্তুত তারা।
রোববার (২৬ জুলাই) গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে মেটলাইফের হেড অব কমিউনিকেশনস সাইফুর রহমান বলেন, বিমা দাবি দ্রুত ও সহজে পরিশোধের বিষয়ে মেটলাইফ সবসময়ই তৎপর। জীবন বিমা খাতে ধারাবাহিকভাবে সর্বোচ্চ পরিমাণ বিমা দাবি পরিশোধ করে আসছে প্রতিষ্ঠানটি।
তিনি আরো বলেন, কোনো বিমা দাবি নিষ্পত্তির ক্ষেত্রে অতিরিক্ত সময়, তথ্য বা অনুসন্ধানের প্রয়োজন হলে তা গ্রাহককে সুস্পষ্টভাবে জানানো হয়। আলোচিত ঘটনাতেও এর ব্যতিক্রম হয়নি।
মেটলাইফের দাবি, সংশ্লিষ্ট পলিসি থেকে প্রাপ্য অর্থের বিষয়ে গ্রাহককে আগেই পরিষ্কারভাবে জানানো হয়েছিল। তবে গ্রাহক যে পরিমাণ অর্থ দাবি করছেন, তার কোনো বাস্তব ভিত্তি নেই।
এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় যেকোনো তথ্য বা প্রমাণ উপস্থাপনের জন্য মেটলাইফ প্রস্তুত আছে বলেও বিবৃতিতে বলা হয়।
এর আগে একই দিন জাতীয় প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করে বগুড়ার সান্তাহারের বাসিন্দা মরহুম জালাল হোসেনের মেয়ে ও মনোনীত উত্তরাধিকারী (নমিনি) মোছা. চুমকি আক্তার অভিযোগ করেন, তার বাবার মৃত্যুর প্রায় চার বছর পরও মেটলাইফ বিমা দাবির অর্থ পরিশোধ করেনি।
তিনি দাবি করেন, প্রায় ৪৪ লাখ টাকার বিমা দাবির বিপরীতে মাত্র ৪৪ হাজার টাকা দেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছে।
চুমকি আক্তার অভিযোগ করেন, পলিসি গ্রহণের সময় ভুল তথ্য দেওয়ার অভিযোগ তুলে মেটলাইফ দাবি পরিশোধে অস্বীকৃতি জানায়। পাশাপাশি তিনি প্রতিষ্ঠানটির এক কর্মকর্তার বিরুদ্ধে কম অর্থে বিষয়টি নিষ্পত্তির চেষ্টা, মূল কাগজপত্র আটকে রাখা এবং প্রতারণার অভিযোগও তোলেন। এ ঘটনায় সুষ্ঠু তদন্ত ও আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান তিনি।
এমআর




