গ্রাহকদের কাছে দ্রুত ও দক্ষতার সঙ্গে সেবা পৌঁছে দিতে দেশব্যাপী পরিবেশবান্ধব বৈদ্যুতিক ‘রবি সুপার বাইক’ কার্যক্রম সম্প্রসারণ করেছে রবি আজিয়াটা পিএলসি। বর্তমানে দেশের ৬৪ জেলার ৪৫৮টি উপজেলা ও থানা এলাকায় এই সেবা চালু রয়েছে, যা মাঠপর্যায়ের কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করার পাশাপাশি কার্বন নিঃসরণ কমিয়ে পরিবেশ সুরক্ষায়ও ভূমিকা রাখছে।
বুধবার (১৫ জুলাই) রবি থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, টেকসই পরিবহন ব্যবস্থা গড়ে তোলা, ডিজিটাল সেবা দ্রুত পৌঁছে দেওয়া এবং শক্তিশালী বিতরণ নেটওয়ার্ক নিশ্চিত করার লক্ষ্যেই বৈদ্যুতিক সুপার বাইক সুবিধা সম্প্রসারণ করা হয়েছে। এর ফলে মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তারা গ্রাহকসেবা, ডিজিটাল সচেতনতা বৃদ্ধি এবং বিভিন্ন সেবামূলক কার্যক্রম আরও দক্ষতার সঙ্গে পরিচালনা করতে পারছেন।
রবি আজিয়াটা পিএলসির চিফ কমার্শিয়াল অফিসার শিহাব আহমাদ বলেন, ‘রবি সুপার বাইক আমাদের টেকসই পরিবহন ব্যবস্থা গড়ে তোলা এবং দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে ডিজিটাল সেবা আরও কার্যকরভাবে পৌঁছে দেওয়ার একটি গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ। এর মাধ্যমে আমরা পরিবেশ সুরক্ষার পাশাপাশি গ্রাহকদের আরও দ্রুত ও নির্ভরযোগ্য সেবা দিতে পারছি।’
শিহাব আহমাদ বলেন, ‘উদ্ভাবন, পরিবেশের প্রতি দায়িত্বশীলতা এবং দেশের সব মানুষের কাছে ডিজিটাল সেবা পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্য থেকেই সুপার বাইকের সংখ্যা বাড়ানো হয়েছে। এটি টেকসই উন্নয়ন অভীষ্ট (এসডিজি) অর্জনে রবির অঙ্গীকারেরই প্রতিফলন।’
গত বছর চালু হওয়া এই ই-বাইকগুলোতে কনভার্টেবল কার্গো বক্স, রবি ব্র্যান্ডের ছাতা, মোবাইল ও ল্যাম্প চার্জের জন্য ইউএসবি পোর্ট এবং জনসচেতনতামূলক প্রচারের জন্য অডিও হ্যান্ড মাইক্রোফোন যুক্ত করা হয়েছে। এছাড়া নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ফেস রিকগনিশনভিত্তিক আনলক ব্যবস্থা, জিও-ফেন্সিং এবং রিয়েল-টাইম জিপিএস ট্র্যাকিং প্রযুক্তিও ব্যবহার করা হচ্ছে।
রবির মতে, এই উদ্যোগ একদিকে পরিবেশবান্ধব যোগাযোগ ব্যবস্থা গড়ে তুলছে, অন্যদিকে দেশের প্রত্যন্ত ও সুবিধাবঞ্চিত জনগোষ্ঠীর কাছে ডিজিটাল সেবা পৌঁছে দেওয়ার সক্ষমতা আরও জোরদার করছে। প্রযুক্তি, টেকসই উন্নয়ন এবং গ্রাহকসেবাকে সমন্বয় করে ‘রবি সুপার বাইক’ কর্মসূচি দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে সংযোগ বৃদ্ধি ও জীবনমান উন্নয়নে অবদান রাখছে।
এমআর/ক.ম




