রোববার, ৭ জুন, ২০২৬, ঢাকা

ঋণ-কিস্তির চাপে কমছে বৈদেশিক সহায়তা!

আব্দুল হাকিম
প্রকাশিত: ০৭ জুন ২০২৬, ০৮:৩৬ পিএম

শেয়ার করুন:

ঋণ-কিস্তির চাপে কমছে বৈদেশিক সহায়তা!
অর্থনীতির ওপর নতুন ধরনের চাপ সৃষ্টি হচ্ছে
  • বৈদেশিক সহায়তা কমেছে প্রায় ১৮%
  • নতুন সহায়তার প্রতিশ্রুতি কমেছে ৩৪%
  • দ্রুত বাড়ছে ঋণ পরিশোধের চাপ
  • যত ঋণ আসছে, প্রায় ততই চলে যাচ্ছে
  • বড় প্রকল্প বাস্তবায়নে ধীরগতির আশঙ্কা

দেশের উন্নয়ন অগ্রযাত্রায় বৈদেশিক সহায়তা দীর্ঘদিন ধরে একটি গুরুত্বপূর্ণ ভিত্তি হিসেবে কাজ করে আসছে। অবকাঠামো উন্নয়ন, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি, পরিবহন, শিক্ষা, স্বাস্থ্য এবং সামাজিক নিরাপত্তা খাতের বড় প্রকল্পগুলো বাস্তবায়নে উন্নয়ন সহযোগীদের ঋণ ও অনুদান দেশের অর্থনীতিকে এগিয়ে নিতে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রেখেছে।


বিজ্ঞাপন


তবে সাম্প্রতিক সময়ে বৈদেশিক অর্থায়নের চিত্রে একটি নতুন বাস্তবতা স্পষ্ট হয়ে উঠছে। একদিকে বিদেশি সহায়তার প্রতিশ্রুতি ও অর্থছাড় কমছে, অন্যদিকে অতীতে নেওয়া ঋণের কিস্তি ও সুদ পরিশোধের চাপ দ্রুত বাড়ছে। ফলে উন্নয়ন অর্থায়নের ভারসাম্য রক্ষা ক্রমেই কঠিন হয়ে উঠছে এবং অর্থনীতির ওপর নতুন ধরনের চাপ সৃষ্টি হচ্ছে।

অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগ (ইআরডি) প্রকাশিত সর্বশেষ বৈদেশিক সহায়তাসংক্রান্ত তথ্য বলছে, চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরের প্রথম ১০ মাসে বাংলাদেশে বৈদেশিক সহায়তা বিতরণ এবং নতুন সহায়তার প্রতিশ্রুতি উভয়ই উল্লেখযোগ্য হারে কমেছে। একই সময়ে বৈদেশিক ঋণ পরিশোধের ব্যয় বেড়েছে আশঙ্কাজনক মাত্রায়। অর্থনীতিবিদরা বলছেন, এটি কেবল সাময়িক ওঠানামা নয়; বরং বাংলাদেশের বৈদেশিক অর্থায়ন কাঠামো একটি নতুন পর্যায়ে প্রবেশ করছে, যেখানে নতুন ঋণ গ্রহণের চেয়ে পুরোনো ঋণ পরিশোধের বিষয়টি ক্রমশ গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠছে।

ইআরডির তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫-২৬ অর্থবছরের জুলাই থেকে এপ্রিল পর্যন্ত সময়ে বাংলাদেশ মোট ৪ দশমিক ২৪ বিলিয়ন মার্কিন ডলার বৈদেশিক সহায়তা পেয়েছে। এর মধ্যে ৩৯০ মিলিয়ন ডলার অনুদান এবং ৩ দশমিক ৮৫ বিলিয়ন ডলার ঋণ হিসেবে এসেছে। আগের অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় এ সহায়তা প্রায় ১৭ দশমিক ৯৬ শতাংশ কম। অর্থের পরিমাণে এই হ্রাস প্রায় ৯২৭ মিলিয়ন ডলারের সমান। যদিও অনুদান খাতে প্রায় ১০ শতাংশ প্রবৃদ্ধি হয়েছে, তবে ঋণ বিতরণ ২০ শতাংশের বেশি কমে যাওয়ায় সামগ্রিক বৈদেশিক সহায়তার প্রবাহ সংকুচিত হয়েছে।

বিশ্লেষকরা বলছেন, বাংলাদেশের উন্নয়ন অর্থায়নের বড় অংশই ঋণনির্ভর। ফলে ঋণ বিতরণে এ ধরনের পতন উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের ওপর সরাসরি প্রভাব ফেলতে পারে। বিশেষ করে বড় অবকাঠামো প্রকল্পগুলোর বাস্তবায়ন বৈদেশিক ঋণের ওপর নির্ভরশীল হওয়ায় অর্থছাড়ের গতি কমে গেলে প্রকল্প বাস্তবায়নেও ধীরগতি দেখা দিতে পারে।

নতুন বৈদেশিক সহায়তার প্রতিশ্রুতির ক্ষেত্রেও একই ধরনের প্রবণতা লক্ষ্য করা যাচ্ছে। ইআরডির প্রতিবেদনে দেখা যায়, চলতি অর্থবছরের প্রথম ১০ মাসে নতুন বৈদেশিক সহায়তার প্রতিশ্রুতি ৩৪ শতাংশের বেশি কমেছে। সাধারণত প্রতিশ্রুত সহায়তা ভবিষ্যতের অর্থপ্রবাহের একটি নির্দেশক হিসেবে বিবেচিত হয়। ফলে প্রতিশ্রুতি কমে যাওয়ার অর্থ হচ্ছে আগামী বছরগুলোতে বৈদেশিক অর্থায়নের প্রবাহ আরও কমে আসার আশঙ্কা রয়েছে।

জুলাই থেকে মার্চ সময়ের অস্থায়ী হিসাব অনুযায়ী, বিদেশি সহায়তার মোট প্রতিশ্রুতি দাঁড়িয়েছে ২৮০ কোটি ৪১ লাখ মার্কিন ডলার। আগের অর্থবছরের একই সময়ে এর পরিমাণ ছিল ৩০০ কোটি ৫২ লাখ ৮০ হাজার ডলার। অর্থাৎ এক বছরের ব্যবধানে প্রায় ২০ কোটি ডলারের বেশি প্রতিশ্রুতি কমেছে। এর মধ্যে অনুদান প্রতিশ্রুতির পতন সবচেয়ে বেশি। অনুদানের পরিমাণ ৩৩ কোটি ৫৯ লাখ ডলার থেকে কমে ১৫ কোটি ৩৩ লাখ ডলারে নেমে এসেছে। তবে ঋণ প্রতিশ্রুতির পরিমাণ প্রায় একই পর্যায়ে রয়েছে।

প্রতিবেদনে আরও দেখা যায়, প্রকল্প সহায়তাই এখনো বৈদেশিক সহায়তার মূল উৎস হিসেবে রয়েছে। আলোচ্য সময়ে খাদ্য সহায়তার কোনো নতুন প্রতিশ্রুতি পাওয়া যায়নি। অর্থাৎ উন্নয়ন প্রকল্পভিত্তিক অর্থায়নের ওপর বাংলাদেশের নির্ভরতা এখনো বহাল রয়েছে।

অন্যদিকে অর্থছাড় বা ডিসবার্সমেন্টের চিত্রও উদ্বেগজনক। চলতি অর্থবছরের জুলাই-মার্চ সময়ে মোট বৈদেশিক সহায়তা হিসেবে অর্থছাড় হয়েছে ৩৮৯ কোটি ১৮ লাখ ৫০ হাজার মার্কিন ডলার। আগের অর্থবছরের একই সময়ে এই পরিমাণ ছিল ৪৮০ কোটি ৮৮ লাখ ২০ হাজার ডলার। অর্থাৎ প্রায় ৯২ কোটি ডলার কম অর্থছাড় হয়েছে। বিশেষ করে প্রকল্প সহায়তা খাতে অর্থছাড় কমে যাওয়ায় অনেক বড় প্রকল্পের বাস্তবায়ন গতি নিয়ে প্রশ্ন উঠছে।

সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বলছেন, অর্থছাড় কমে যাওয়ার পেছনে একাধিক কারণ রয়েছে। অনেক বড় প্রকল্পে চুক্তি সম্পাদন, দরপত্র মূল্যায়ন, জমি অধিগ্রহণ এবং বাস্তবায়ন প্রক্রিয়ায় বিলম্ব হওয়ায় অর্থছাড়ও পিছিয়ে যাচ্ছে। পাশাপাশি বৈশ্বিক অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তা এবং উন্নয়ন সহযোগী দেশ ও সংস্থাগুলোর অগ্রাধিকার পরিবর্তনের প্রভাবও পড়ছে।

যদিও খাদ্য সহায়তার ক্ষেত্রে সামান্য বৃদ্ধি দেখা গেছে। চলতি অর্থবছরের জুলাই-মার্চ সময়ে খাদ্য সহায়তা হিসেবে ৪ কোটি ডলার ছাড় হয়েছে, যা আগের অর্থবছরের একই সময়ে ছিল ৩ কোটি ৫০ লাখ ডলার। তবে মোট বৈদেশিক সহায়তার তুলনায় এই খাতের অবদান খুবই সীমিত।

9

বৈদেশিক সহায়তার চেয়ে বেশি উদ্বেগের বিষয় হয়ে উঠেছে ঋণ পরিশোধের ক্রমবর্ধমান চাপ। ইআরডির তথ্য অনুযায়ী, চলতি অর্থবছরের প্রথম ১০ মাসে বাংলাদেশকে পূর্বে নেওয়া বৈদেশিক ঋণের বিপরীতে ৩ দশমিক ৮০ বিলিয়ন ডলারের বেশি পরিশোধ করতে হয়েছে। এর মধ্যে ২ দশমিক ৪৭ বিলিয়ন ডলার মূলধন এবং ১ দশমিক ৩৩ বিলিয়ন ডলার সুদ পরিশোধে ব্যয় হয়েছে। অর্থাৎ যে পরিমাণ বৈদেশিক সহায়তা এসেছে, তার প্রায় সমপরিমাণ অর্থ ঋণ পরিশোধেই ব্যয় হয়ে গেছে।

অর্থনীতিবিদদের মতে, এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ সতর্কবার্তা। কারণ উন্নয়ন অর্থায়নের ক্ষেত্রে নতুন অর্থপ্রবাহ যদি পুরোনো দায় পরিশোধের চেয়ে খুব বেশি না হয়, তাহলে অর্থনীতিতে এর ইতিবাচক প্রভাব কমে যেতে শুরু করে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, ঋণ পরিষেবা ব্যয় গত অর্থবছরের তুলনায় ২৯৫ মিলিয়ন ডলারের বেশি বেড়েছে। মূলধন পরিশোধ বেড়েছে ১১ দশমিক ৬৪ শতাংশ এবং সুদ পরিশোধ বেড়েছে প্রায় ৩ শতাংশ। যদিও সুদ পরিশোধের প্রবৃদ্ধি তুলনামূলক কম, তবে মোট অঙ্কের হিসাবে এটি একটি বড় চাপ তৈরি করছে।
জুলাই-মার্চ সময়ের হিসাবেও একই চিত্র দেখা যায়। এই সময়ে মোট ঋণ পরিশোধ দাঁড়িয়েছে ৩৫২ কোটি ৫০ লাখ মার্কিন ডলার, যা আগের অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় প্রায় ৩০ কোটি ডলার বেশি। এর মধ্যে মূলধন পরিশোধ হয়েছে ২২৭ কোটি ৬৪ লাখ ডলার এবং সুদ পরিশোধ হয়েছে ১২৪ কোটি ৮৫ লাখ ডলার।

দেশীয় মুদ্রায় হিসাব করলে চাপটি আরও স্পষ্ট হয়ে ওঠে। চলতি অর্থবছরের প্রথম ১০ মাসে বৈদেশিক ঋণ পরিষেবায় ব্যয় হয়েছে প্রায় ৪৬৪ দশমিক ৬৫ বিলিয়ন টাকা। এক বছরের ব্যবধানে এই ব্যয় বেড়েছে প্রায় ৪১ দশমিক ৮৩ বিলিয়ন টাকা। অন্যদিকে জুলাই-মার্চ সময়ে ঋণ পরিশোধে ব্যয় হয়েছে প্রায় ৪৩ হাজার ৬১ কোটি টাকা, যা আগের বছরের ৩৮ হাজার ৬৮১ কোটি টাকার তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে বেশি।

অর্থনীতিবিদদের মতে, বৈদেশিক মুদ্রার বিনিময় হার বৃদ্ধি পাওয়ায় টাকার হিসাবে ঋণ পরিশোধের চাপ আরও বেড়েছে। ফলে সরকারের রাজস্ব ব্যবস্থাপনা ও বাজেট বাস্তবায়নের ওপর অতিরিক্ত চাপ তৈরি হচ্ছে। কারণ ঋণের কিস্তি ও সুদ পরিশোধ বাধ্যতামূলক ব্যয়। এটি কমানো বা পিছিয়ে দেওয়ার সুযোগ খুব সীমিত।

প্রতিবেদনে আরও দেখা যায়, চলতি অর্থবছরের প্রথম ১০ মাসে নিট বৈদেশিক ঋণ সুবিধা ছিল মাত্র ৪৪ দশমিক ৩১ মিলিয়ন ডলার। অর্থাৎ নতুন ঋণ বিতরণ এবং পুরোনো ঋণ পরিশোধের মধ্যে পার্থক্য খুবই সামান্য। কয়েক বছর আগেও যেখানে নিট বৈদেশিক অর্থপ্রবাহ কয়েক বিলিয়ন ডলারে পৌঁছাত, সেখানে এখন তা প্রায় স্থবির অবস্থায় রয়েছে।

উন্নয়ন সহযোগীদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি প্রতিশ্রুতি দিয়েছে এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি)। প্রতিষ্ঠানটি ১ দশমিক ২৭ বিলিয়ন ডলারের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে, যা মোট প্রতিশ্রুতির ৪৫ শতাংশেরও বেশি। দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে বিশ্বব্যাংকের আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সংস্থা (আইডিএ), যার প্রতিশ্রুতির পরিমাণ ৪১৬ মিলিয়ন ডলার। তৃতীয় অবস্থানে রয়েছে চীন, যার প্রতিশ্রুতি ২৩৫ মিলিয়ন ডলারের বেশি।

তবে উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো, এশীয় অবকাঠামো বিনিয়োগ ব্যাংক (এআইআইবি), জাপান, ভারত এবং রাশিয়ার কাছ থেকে চলতি অর্থবছরে নতুন কোনো প্রতিশ্রুতি পাওয়া যায়নি। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বাংলাদেশের উন্নয়ন অর্থায়নের বড় অংশীদারদের কাছ থেকে নতুন প্রতিশ্রুতি না পাওয়া ভবিষ্যৎ অর্থায়নের ক্ষেত্রে একটি সতর্ক সংকেত হিসেবে বিবেচিত হতে পারে।

অন্যদিকে অর্থছাড়ের ক্ষেত্রে সবচেয়ে বড় উৎস হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে আইডিএ। প্রতিষ্ঠানটি ৮৩৮ মিলিয়ন ডলারের বেশি অর্থ ছাড় করেছে। দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে রাশিয়া, যারা মূলত রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র প্রকল্পের জন্য ৮২৮ মিলিয়ন ডলারের বেশি অর্থ দিয়েছে। এডিবি ৭১০ মিলিয়ন ডলার, চীন ৫৩২ মিলিয়ন ডলার, জাপান ৪২২ মিলিয়ন ডলার এবং ভারত ২৫০ মিলিয়ন ডলারের বেশি অর্থ ছাড় করেছে। এআইআইবি ছাড় করেছে ৭৩ মিলিয়ন ডলার এবং অন্যান্য উন্নয়ন সহযোগীরা সম্মিলিতভাবে ৫৮০ মিলিয়ন ডলারের বেশি অর্থ বিতরণ করেছে।

ইআরডির তথ্য বলছে, বাংলাদেশের বৈদেশিক অর্থায়ন এখন একটি নতুন বাস্তবতার মুখোমুখি। নতুন সহায়তার প্রবাহ ও প্রতিশ্রুতি কমছে, অর্থছাড়ে ধীরগতি দেখা যাচ্ছে এবং একই সময়ে ঋণের কিস্তি ও সুদ পরিশোধের চাপ বাড়ছে। ফলে আগামী বছরগুলোতে উন্নয়ন অর্থায়নের ভারসাম্য রক্ষা সরকারের জন্য অন্যতম বড় অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জ হয়ে উঠতে পারে। ঋণনির্ভর উন্নয়ন মডেলের সুফল ধরে রাখতে হলে এখন প্রয়োজন আরও দক্ষ ঋণ ব্যবস্থাপনা, সময়মতো প্রকল্প বাস্তবায়ন এবং দীর্ঘমেয়াদি টেকসই অর্থায়ন কৌশল।

অর্থনীতিবিদদের মতে, বৈদেশিক সহায়তার প্রবাহ কমে যাওয়ার পেছনে শুধু অভ্যন্তরীণ কারণ নয়, বৈশ্বিক অর্থনৈতিক পরিস্থিতিও দায়ী। বিশ্বব্যাপী উচ্চ সুদহার, ভূরাজনৈতিক উত্তেজনা, উন্নয়ন সহযোগীদের বাজেট সংকোচন এবং আন্তর্জাতিক অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তা উন্নয়ন অর্থায়নের প্রবাহকে প্রভাবিত করছে। একই সঙ্গে বাংলাদেশ স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উন্নয়নশীল দেশে উত্তরণের পথে থাকায় ভবিষ্যতে সহজ শর্তের ঋণ ও অনুদান পাওয়ার সুযোগও সীমিত হতে পারে।

এএইচ/জেবি

আপডেট পেতে ফলো করুন

Google NewsWhatsAppMessenger
সর্বশেষ
জনপ্রিয়

সব খবর