বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) নবনিযুক্ত চেয়ারম্যান মাসুদ খানকে অভিনন্দন জানিয়েছেন সংস্থাটির সদ্য বিদায়ী চেয়ারম্যান খন্দকার রাশেদ মাকসুদ।
রোববার (৭ জুন) গণমাধ্যমে পাঠানো এক শুভেচ্ছা বার্তায় তিনি এ অভিনন্দন জানান।
বিজ্ঞাপন
শুভেচ্ছা বার্তায় খন্দকার রাশেদ মাকসুদ বলেন, বিএসইসির চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করায় মাসুদ খানকে আন্তরিক অভিনন্দন জানাই এবং এ গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালনে তার সর্বাত্মক সফলতা কামনা করি।
তিনি বলেন, ২০২৪ সালের আগস্টে দেশের শেয়ারবাজার ও নিয়ন্ত্রক সংস্থার কার্যক্রম একটি অকার্যকর অবস্থার মধ্য দিয়ে যাচ্ছিল। সেই পরিস্থিতি থেকে উত্তরণে গত সময়ে কমিশন বিভিন্ন নিয়ন্ত্রক সংস্কার, নীতিমালা সহজীকরণ, বাজারে বিধি পরিপালন নিশ্চিতকরণ, অনিয়মের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ এবং বিনিয়োগকারী শিক্ষা কার্যক্রম পুনর্গঠনে কাজ করেছে।
তিনি আরও বলেন, এসব উদ্যোগের ফলে পুঁজিবাজারে একটি শক্ত ভিত্তি তৈরি হয়েছে, যার ওপর দাঁড়িয়ে ভবিষ্যতে বাজারকে আরও গতিশীল ও বিনিয়োগবান্ধব করে তোলা সম্ভব হবে। নতুন আইপিও বিধিমালা ও মিউচুয়াল ফান্ড বিধিমালা প্রণয়নের মাধ্যমে দেশের পুঁজিবাজার এখন নতুন সম্ভাবনার দ্বারপ্রান্তে রয়েছে। তাঁর বিশ্বাস, মাসুদ খানের দীর্ঘ অভিজ্ঞতা ও দক্ষ নেতৃত্ব দেশের পুঁজিবাজারকে কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যে পৌঁছাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
বার্তায় খন্দকার রাশেদ মাকসুদ বলেন, দেশের শেয়ারবাজারের উন্নয়ন ও বিনিয়োগকারীদের স্বার্থ সুরক্ষার প্রশ্নে তিনি সব সময় সহযোগিতামূলক ভূমিকা পালন করতে প্রস্তুত রয়েছেন। ভবিষ্যতে প্রয়োজন হলে যেকোনো তথ্য ও পরামর্শ দিয়ে তিনি সহযোগিতা করবেন বলেও উল্লেখ করেন।
বিজ্ঞাপন
উল্লেখ্য, গত ৪ জুন অর্থ মন্ত্রণালয়ের আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগে পদত্যাগপত্র জমা দেন বিএসইসির চেয়ারম্যান খন্দকার রাশেদ মাকসুদ এবং কমিশনার মু. মহসীন চৌধুরী, মো. আলী আকবর, ফারজানা লালারুখ ও মো. সাইফুদ্দিন।
পরবর্তীতে সরকার বিএসইসির নতুন চেয়ারম্যান হিসেবে মাসুদ খানকে নিয়োগ দেয়। একই সঙ্গে কমিশনার হিসেবে নিয়োগ পান মো. নাফিজ আল তারিক, নাহিদ মাহতাব এবং তানভীর হাবিব রহমান। নিয়োগের দিনই তাঁরা বিএসইসিতে যোগদান করেন।
এম/এআর




