বাংলাদেশ ব্যাংক চলতি অর্থবছরের এপ্রিল পর্যন্ত নগদ সহায়তার সব আবেদন নিষ্পত্তি করেছে। প্রথম দশ মাসে রফতানিকারকদের সরকারি ভর্তুকির ৩১০০ কোটি টাকা পরিশোধ করা হয়েছে। এর মধ্যে শুধু তৈরি পোশাক খাতের রয়েছে দুই হাজার ৯০০ কোটি টাকা। আর ২০০ কোটি টাকা পেয়েছেন পাট খাতের রফতানিকারকরা।
শনিবার (১৬ মে) রাতে বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র ও নির্বাহী পরিচালক আরিফ হোসেন খান এ তথ্য জানিয়েছেন।
বিজ্ঞাপন
রফতানিতে উৎসাহিত করতে ৪৩ ধরনের পণ্য রফতানিতে প্রণোদনা ও নগদ সহায়তা দিয়ে আসছে সরকার। এর বেশিরভাগই তৈরি পোশাক ও বস্ত্র খাত সংশ্লিষ্ট। এ ছাড়া বৈচিত্র্যপূর্ণ পাটপণ্য, চামড়াজাত দ্রব্য, হিমায়িত চিংড়ি, প্রক্রিয়াজাত কৃষিপণ্য, শস্য ও শাক সবজির বীজ, আগরসহ বিভিন্ন পণ্য রয়েছে নগদ সহায়তার তালিকায়।
ব্যাংক খাত সংশ্লিষ্টরা জানান, পূর্ব নির্ধারিত সিডিউল অনুযায়ী ২০২৬ সালের নভেম্বরে স্বল্পোন্নত দেশের তালিকা থেকে বাংলাদেশের উত্তরণ হওয়ার কথা। এরই মধ্যে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সময় বাড়ানোর আবেদন জানিয়ে চিঠি দিয়েছেন।
স্বল্পোন্নত দেশের তালিকা থেকে উত্তরণের পর আর ভর্তুকি দিতে পারবে না সরকার। সেই প্রস্তুতির অংশ হিসেবে ২০২৪-২৫ অর্থবছর থেকে দুই ধাপে প্রণোদনার হার কমানো হয়। অন্তর্বর্তীকালীন সরকার সেই হার অপরিবর্তিত রাখে।
বিজ্ঞাপন
টিএই/এফএ




