ভোজ্যতেলের সরবরাহ পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে সরকার নিবিড়ভাবে কাজ করছে বলে জানিয়েছে বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির।
রোববার (৩ মে) বিকেলে হঠাৎ কারওয়ান বাজারের চিকেন মার্কেট এলাকায় বিভিন্ন দোকান পরিদর্শন শেষে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।
এ সময় মন্ত্রী ডিলার, পাইকারি ও খুচরা বিক্রেতাদের সঙ্গে কথা বলে সরবরাহ ব্যবস্থা ও বাজার পরিস্থিতির খোঁজখবর নেন।
মন্ত্রী বলেন, ইতোমধ্যে সরবরাহ অনেকটাই স্বাভাবিক হয়েছে। ডিলার ও কোম্পানিগুলোর সঙ্গে একাধিক বৈঠক করা হয়েছে। বৈশ্বিক বাজার পরিস্থিতির কারণে মূল্য সমন্বয় করতে হয়েছে। তবে আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম কমলে দেশেও তা সমন্বয় করে কমানো হবে।
তিনি আরও বলেন, বাজার ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে এ ধরনের আকস্মিক পরিদর্শন অব্যাহত থাকবে।
এসময় পরিদর্শনকালে খুচরা বিক্রেতারা জানান, ভোজ্যতেলের সরবরাহ আগের তুলনায় বেড়েছে। ডিলারদের পক্ষ থেকেও সরবরাহ বৃদ্ধি পেয়েছে বলে জানানো হয়। ৫ লিটার বোতলজাত তেলের চাহিদা বেশি উল্লেখ করে তারা বলেন, ক্রেতারা এখন খোলা তেলের পরিবর্তে বোতলজাত তেলের প্রতি বেশি আগ্রহ দেখাচ্ছেন।
সরেজমিনে দেখা যায়, ৫ লিটাবোতলজাত সয়াবিন তেল ৯৭০-৯৭৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া পূর্বের সরবরাহকৃত ১ লিটার ও ২ লিটার বোতলজাত তেল যথাক্রমে ১৯৫ টাকা ও ৩৯০ টাকায় বিক্রি করা হচ্ছে।
মন্ত্রী সাধারণ ক্রেতাদের সঙ্গেও কথা বলেন। ক্রেতারা জানান, বাজারে তেল পাওয়া যাচ্ছে এবং সরবরাহ পরিস্থিতি আগের তুলনায় উন্নত হয়েছে।
পরিদর্শনকালে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব (রুটিন দায়িত্ব) মো. আবদুর রহিম খান, ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ফারুক আহমেদসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
এমআর/এআর
রোববার (৩ মে) বিকেলে হঠাৎ কারওয়ান বাজারের চিকেন মার্কেট এলাকায় বিভিন্ন দোকান পরিদর্শন শেষে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।
এ সময় মন্ত্রী ডিলার, পাইকারি ও খুচরা বিক্রেতাদের সঙ্গে কথা বলে সরবরাহ ব্যবস্থা ও বাজার পরিস্থিতির খোঁজখবর নেন।
মন্ত্রী বলেন, ইতোমধ্যে সরবরাহ অনেকটাই স্বাভাবিক হয়েছে। ডিলার ও কোম্পানিগুলোর সঙ্গে একাধিক বৈঠক করা হয়েছে। বৈশ্বিক বাজার পরিস্থিতির কারণে মূল্য সমন্বয় করতে হয়েছে। তবে আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম কমলে দেশেও তা সমন্বয় করে কমানো হবে।
তিনি আরও বলেন, বাজার ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে এ ধরনের আকস্মিক পরিদর্শন অব্যাহত থাকবে।
এসময় পরিদর্শনকালে খুচরা বিক্রেতারা জানান, ভোজ্যতেলের সরবরাহ আগের তুলনায় বেড়েছে। ডিলারদের পক্ষ থেকেও সরবরাহ বৃদ্ধি পেয়েছে বলে জানানো হয়। ৫ লিটার বোতলজাত তেলের চাহিদা বেশি উল্লেখ করে তারা বলেন, ক্রেতারা এখন খোলা তেলের পরিবর্তে বোতলজাত তেলের প্রতি বেশি আগ্রহ দেখাচ্ছেন।
সরেজমিনে দেখা যায়, ৫ লিটাবোতলজাত সয়াবিন তেল ৯৭০-৯৭৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া পূর্বের সরবরাহকৃত ১ লিটার ও ২ লিটার বোতলজাত তেল যথাক্রমে ১৯৫ টাকা ও ৩৯০ টাকায় বিক্রি করা হচ্ছে।
মন্ত্রী সাধারণ ক্রেতাদের সঙ্গেও কথা বলেন। ক্রেতারা জানান, বাজারে তেল পাওয়া যাচ্ছে এবং সরবরাহ পরিস্থিতি আগের তুলনায় উন্নত হয়েছে।
পরিদর্শনকালে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব (রুটিন দায়িত্ব) মো. আবদুর রহিম খান, ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ফারুক আহমেদসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
এমআর/এআর




