প্রতিবেশী দেশ ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের বাণিজ্য ঘাটতির পরিমাণ সবচেয়ে বেশি বলে জানিয়েছেন বাণিজ্য, শিল্প, পাট ও বস্ত্রমন্ত্রী খন্দকার আবদুল মুক্তাদীর।
সোমবার (২০ এপ্রিল) জাতীয় সংসদের অধিবেশনে ঢাকা-১৮ আসনের সংসদ সদস্য এস এম জাহাঙ্গীর হোসেনের লিখিত প্রশ্নের জবাবে এ কথা জানান তিনি।
বিজ্ঞাপন
তিনি বলেন, ২০২৪-২০২৫ অর্থবছরের আমদানি ও রফতানির তথ্যানুযায়ী সার্কভুক্ত দেশ আফগানিস্তান, ভুটান, ভারত ও পাকিস্তানের সঙ্গে বাংলাদেশের বাণিজ্য ঘাটতি রয়েছে।
গত ২০২৪-২০২৫ অর্থবছরে সার্কভুক্ত দেশগুলোর সঙ্গে বাংলাদেশের বাণিজ্যিক অবস্থান তুলে ধরে তিনি জানান, আফগানিস্তানে করা হয়েছে ১১ দশমিক ০৯ মিলিয়ন মার্কিন ডলার আর আমদানি করা হয়েছে ২১ দশমিক ৮০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার, ঘাটতি ১০ দশমিক ৭১ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। ভুটান থেকে রফতানি করা হয়েছে ১৪ দশমিক ৩৩ মিলিয়ন মার্কিন ডলার আর আমদানি করা হয়েছে ৪৪ দশমিক ১০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার, ঘাটতি ২৯ দশমিক ৭৭ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। ভারতে রফতানি করা হয়েছে ১ হাজার ৭৬৪ দশমিক ২৪ মিলিয়ন মার্কিন ডলার আর বিপরীতে আমদানি করা হয়েছে ৯ হাজার ৬২৪ দশমিক ১০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার, ঘাটতি রয়েছে ৭ হাজার ৮৫৯ দশমিক ৮৭ মিলিয়ন ডলার। নেপালে রফতানি ৩৫ দশমিক ৪০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার আর আমদানি ৫ দশমিক ৫০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। পাকিস্তানে রফতানি ৭৪ মিলিয়ন মার্কিন ডলার আর আমদানি ৭৫৫ দশমিক ৩০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার, ঘাটতি রয়েছে ৬৮১ দশমিক ৩ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। শ্রীলংকায় রফতানি ৮২ দশমিক ৮৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলার আর আমদানি ৭৬ দশমিক ৬০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। মালদ্বীপে রফতানি ৬ দশমিক ৩৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলার আর আমদানি ৩ দশমিক ৫০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
বিজ্ঞাপন
বাণিজ্যমন্ত্রী আরও বলেন, ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের বাণিজ্য ঘাটতির পরিমাণ সবচেয়ে বেশি। সার্কভুক্ত দেশগুলোর মধ্যে নেপাল, শ্রীলংকা ও মালদ্বীপ ছাড়া অন্যান্য দেশের সঙ্গে বাণিজ্য ঘাটতি রয়েছে।
এমএইচএইচ/এএইচ




