বিদেশে পাচার হওয়া অর্থ দেশে ফিরিয়ে আনতে আইনি প্রক্রিয়ার কারণে তিন থেকে পাঁচ বছর সময় লাগতে পারে বলে জানিয়েছেন ব্যাংক খাতের প্রতিনিধিরা। এ জন্য বিদেশের আদালতে মামলা পরিচালনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
গতকাল মঙ্গলবার বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর মুস্তাফুর রহমানের সঙ্গে দেশের বিভিন্ন ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালকদের বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে বাংলাদেশ ব্যাংকার্স অ্যাসোসিয়েশনের (এবিবি) প্রতিনিধিরাও অংশ নেন। সেখানে বিদেশে পাচার হওয়া অর্থ ফেরতের অগ্রগতি এবং এ বিষয়ে করণীয় নিয়ে আলোচনা হয়েছে বলে জানা গেছে।
বিজ্ঞাপন
বৈঠক শেষে এবিবির চেয়ারম্যান ও সিটি ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মাসরুর আরেফিন সাংবাদিকদের বলেন, যেসব ব্যাংকের মাধ্যমে অর্থ পাচারের অভিযোগ রয়েছে, তারা ইতোমধ্যে ৮ থেকে ১০টি আন্তর্জাতিক আইন সংস্থাকে নিয়োগ দিয়েছে। এসব সংস্থা বিদেশের আদালতে মামলা পরিচালনা করছে।
তিনি বলেন, আইনি বিশেষজ্ঞদের মতে পাচার হওয়া অর্থ দেশে ফিরিয়ে আনতে সাধারণত তিন থেকে পাঁচ বছর সময় লাগতে পারে। তবে আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে এসব অর্থ ফেরত আনা সম্ভব হবে বলে তারা আশাবাদী।
মাসরুর আরেফিন আরও বলেন, বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর বৈঠকে জানিয়েছেন—পাচার হওয়া অর্থ ফেরত আনার কার্যক্রম চলমান থাকবে। সরকার পরিবর্তন হলেও এ উদ্যোগ বন্ধ হওয়ার কোনো আশঙ্কা নেই।
তিনি আরও জানান, সিটি ব্যাংক থেকে এখন পর্যন্ত অর্থ পাচারের কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি।
বিজ্ঞাপন
ব্যাংক খাতের সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, আন্তর্জাতিক আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন হলে ধাপে ধাপে পাচার হওয়া অর্থ দেশে ফেরত আনার সম্ভাবনা তৈরি হবে।
টিএই/এএস

