বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল, ২০২৬, ঢাকা

৭ কেজি আলু ১০০ টাকা, ৩ কেজি পেঁয়াজও একই দামে

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১২:২০ পিএম

শেয়ার করুন:

৭ কেজি আলু ১০০ টাকা, ৩ কেজি পেঁয়াজও একই দামে
৭ কেজি আলু ১০০ টাকা, ৩ কেজি পেঁয়াজও একই দামে

দীর্ঘদিনের চড়া দামের চাপে হাঁসফাঁস করা ক্রেতাদের জন্য স্বস্তির খবর এসেছে সবজির বাজার থেকে। বিশেষ করে আলুর দামে বড় পতন দেখা গেছে। নতুন মৌসুমের আলু বাজারে আসা এবং সরবরাহ বেড়ে যাওয়ায় রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় এখন কম দামে আলু বিক্রি হচ্ছে।

রাজধানীর অলিগলি, আবাসিক এলাকা ও প্রধান সড়কের পাশে ভ্যানগাড়িতে প্রতি ৭ কেজি আলু ১০০ টাকায় বিক্রি করতে দেখা গেছে। হিসাব করলে কেজিপ্রতি দাম পড়ছে প্রায় ১৪ থেকে ১৫ টাকার মধ্যে। অনেক স্থানে আলু কিনতে ভ্যানে ছোটখাটো ভিড়ও দেখা গেছে। খুচরা বাজারেও আলুর দাম তুলনামূলক কম।


বিজ্ঞাপন


শুক্রবার রাজধানীর বেশ কয়েকটি বাজার ঘুরে দেখা গেছে, প্রতি কেজি আলু ২০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। কোথাও কোথাও মানভেদে দাম সামান্য ওঠানামা করলেও সামগ্রিকভাবে বাজারে আলুর দর নিম্নমুখী।

বিক্রেতারা জানান, গত কয়েক সপ্তাহে মাঠপর্যায়ে আলুর সরবরাহ বেড়েছে। পাইকারি বাজারে দাম কমে যাওয়ায় খুচরা পর্যায়েও তার প্রভাব পড়েছে। পরিবহন খরচ তুলনামূলক কম থাকায় তারা কম দামে বিক্রি করতে পারছেন।

এদিকে পেঁয়াজের বাজারেও কিছুটা ছাড় মিলছে। বিভিন্ন এলাকায় ভ্রাম্যমাণ বিক্রেতারা প্রতি ৩ কেজি পেঁয়াজ ১০০ টাকায় বিক্রি করছেন। এতে নিম্নআয়ের মানুষ একসঙ্গে বেশি পরিমাণে কিনে রাখার সুযোগ পাচ্ছেন।

তবে স্থায়ী দোকানগুলোতে পেঁয়াজের দাম এখনও কিছুটা বেশি। মান ও আকারভেদে প্রতি কেজি ৪০ থেকে ৫০ টাকা পর্যন্ত রাখা হচ্ছে। দেশি ও আমদানিকৃত পেঁয়াজের মধ্যে দামে পার্থক্য রয়েছে বলেও জানিয়েছেন বিক্রেতারা।


বিজ্ঞাপন


ক্রেতাদের ভাষ্য, বাজারে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম যখন বাড়ে, তখন তার সরাসরি প্রভাব পড়ে সংসারের খরচে। আলু ও পেঁয়াজের মতো দৈনন্দিন ব্যবহারের পণ্যে দাম কমায় মাসিক বাজার খরচ কিছুটা কমবে বলে তারা আশা করছেন।

অর্থনীতিবিদদের মতে, কৃষিপণ্য বাজারে সরবরাহ বাড়লে স্বাভাবিকভাবেই দাম কমে। তবে এ ধারা ধরে রাখতে হলে সংরক্ষণ, পরিবহন ও বাজার ব্যবস্থাপনায় সমন্বয় থাকা প্রয়োজন। অন্যথায় মৌসুম শেষে আবারও দাম বাড়ার আশঙ্কা থাকে।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, আপাতত বাজারে যে স্বস্তির চিত্র দেখা যাচ্ছে, তা টিকিয়ে রাখতে সরবরাহ ব্যবস্থা স্বাভাবিক রাখা জরুরি। এখন দেখার বিষয়, এই কম দামের ধারা কতদিন স্থায়ী হয় এবং অন্যান্য নিত্যপণ্যের বাজারেও এমন স্বস্তি আসে কিনা।

এমআর/এএস

আপডেট পেতে ফলো করুন

Google NewsWhatsAppMessenger
সর্বশেষ
জনপ্রিয়

সব খবর