আগামী ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে আয়করসহ অন্যান্য প্রত্যক্ষ কর ব্যবস্থা আরও যুগোপযোগী, কার্যকর ও অংশীদারত্বমূলক করতে দেশের ব্যবসায়ী সংগঠন ও চেম্বারগুলোর কাছ থেকে মতামত চেয়েছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। দেশের অর্থনৈতিক পরিবেশ, ব্যবসায়িক চ্যালেঞ্জ ও কর ব্যবস্থা আরও উন্নত করার লক্ষ্যে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) এনবিআরের জনসংযোগ কর্মকর্তা আল আমিন শেখ এ তথ্য জানিয়েছেন।
বিজ্ঞাপন
এনবিআর জানায়, ১৫ মার্চের মধ্যে বিভিন্ন চেম্বার, বণিক সমিতি ও ব্যবসায়িক সংগঠনকে ছক আকারে সুপারিশ ও প্রস্তাব পাঠানোর জন্য অনুরোধ করা হয়েছে। প্রস্তাবগুলো হার্ড কপিতে পাঠানোর পাশাপাশি সরাসরি ই-মেইল ([email protected]) মারফতও পাঠানো সম্ভব।
এনবিআরের চিঠিতে ব্যবসায়ীদের চারটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে মতামত চাওয়া হয়েছে— ২০২৩ সালের আয়কর আইন, ২০২৪ সালের উৎসে কর বিধিমালা ও অন্যান্য বিধিমালা, ২০০৩ সালের ভ্রমণ কর আইন এবং ১৯৯০ সালের দান কর আইন। এই প্রস্তাবনা ও সুপারিশের মাধ্যমে ব্যবসায়ীরা তাদের বাস্তব অভিজ্ঞতা, কর ব্যবস্থার অসুবিধা ও সম্ভাব্য পরিবর্তনের দিকনির্দেশনা প্রদান করতে পারবেন।
এ উদ্যোগের মাধ্যমে এনবিআর প্রত্যক্ষ কর ব্যবস্থাকে আরও অংশীদারত্বমূলক ও আধুনিক করার চেষ্টা করছে। প্রাপ্ত মতামত ও সুপারিশ বাজেট প্রণয়নের সময় বিবেচনা করা হবে, যাতে করদাতাদের অংশগ্রহণ বৃদ্ধি পায়, কর প্রশাসন সহজতর হয় এবং দেশের করনীতি আরও কার্যকর ও স্বচ্ছভাবে পরিচালিত হয়।
জাতীয় রাজস্ব বোর্ড এই প্রস্তাবনা চাওয়ার পদক্ষেপ হিসেবে ব্যবসায়ীদের সঙ্গে সংলাপ বৃদ্ধি, কর নীতিতে অংশীদারত্ব নিশ্চিত এবং দেশে কর সংস্কার প্রক্রিয়াকে আরও মজবুত করার উদ্দেশ্যে বিভিন্ন কর্মপরিকল্পনা করা হয়েছে। এর মাধ্যমে প্রত্যক্ষ কর ব্যবস্থার প্রতি ব্যবসায়ীদের আস্থা ও সমর্থন বাড়ানোর পাশাপাশি ভবিষ্যতে বাজেট প্রণয়নের সময় ব্যবসায়িক চ্যালেঞ্জ ও প্রয়োজনসমূহ প্রতিফলিত হবে।
বিজ্ঞাপন
এমআর/এফএ

