রোববার, ২৪ মে, ২০২৬, ঢাকা

বাড়ছে ক্রেতা, আশাবাদী গরু ব্যবসায়ীরা

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ১৪ জুন ২০২৪, ০৩:৪০ পিএম

শেয়ার করুন:

বাড়ছে ক্রেতা, আশাবাদী গরু ব্যবসায়ীরা

রাজধানীতে কোরবানির গুরুর হাটগুলোর অন্যতম তেজগাঁও কলোনি বাজার গরুর হাট। প্রতিবছরের মতো এবারও হাটটিতে গরু নিয়ে এসেছেন দেশের নানা প্রান্তের খামারি ও গরুর ব্যাপারীরা। বেশ কয়েকদিন আগেই হাট শুরু হলেও ক্রেতা সংকটে ভুগছিলেন বিক্রেতারা। তবে ঈদের তিন দিন আগে সপ্তাহিক ছুটির দিনে ক্রেতা বাড়ায় হাসি ফুটেছে গরুর মালিকদের মুখে। জুমার পরপরই ক্রেতা বাড়ছে তেজগাঁও গরুর হাটে।

শুক্রবার (১৪ জুন) জুমার নামাজের পর সরজমিনে তেজগাঁও হাট ঘুরে এসব চিত্র দেখা যায়।


বিজ্ঞাপন


ঈদের আগে সর্বশেষ সাপ্তাহিক ছুটির দিন হওয়ায় এদিন সকাল থেকে ক্রেতাদের চাপ বেড়েছে বলে জানিয়েছেন হাট সংশ্লিষ্টরা। জুমার নামাজের পরপর ক্রেতাদের আনাগোনা আরও বাড়তে দেখা যায়। নির্ধারিত মাঠ ও আশেপাশের সড়কে থাকা গরু দেখে দামাদামি করতেও দেখা যায় ক্রেতাদের। তাদের উপস্থিতিতে হাট প্রাণ পাওয়ার পাশাপাশি বিক্রেতাদেরও খুশি দেখা যায়।

IMG_20240614_134425

জামালপুর থেকে আসা গফুর মিয়া ঢাকা মেইলকে বলেন, আমি মোট ১৩টি গরু নিয়ে এসেছি। এখন পর্যন্ত একটাও বিক্রি হয়নি। এই কদিন দুই-একজন ক্রেতা এসেছেন, তবে তারা দামাদামি করে চলে গেছেন। বেশিরভাগই দাম যাচাই করতে এসেছিলেন। ঈদের এখনও তিনদিন বাকি। আশা করি বিকেল থেকে হাট জমজমাট হবে। সকাল থেকেই ক্রেতা বেড়েছে। জুমার পর থেকে আরও বাড়ছে।

আরও পড়ুন

মাঝারি আকারের গরুর চাহিদা গাবতলী হাটে

পাবনা থেকে আসা সুরুজ মিয়া জানান, তিনি মোট ১৬টি গরু নিয়ে এসেছেন। এর মধ্যে তিনটি বিক্রি হয়েছে। ঢাকা মেইলকে তিনি বলেন, এই ক'দিন তেমন ক্রেতা ছিল না। গতকাল সন্ধ্যায় মোটামুটি ছিল, তবে ঝড় বৃষ্টির কারণে রাতে আর জমেনি। আজ যেহেতু ছুটির দিন। আবার ঈদের ছুটিও শুরু হয়েছে আশা করি ক্রেতা বাড়বে। আজ সকাল থেকে বেশ কয়েকটা গরু দামদামি হয়েছে। এখনও দুইটা গরুর দামাদামি চলছে।

সুরুজ মিয়ার দুইটা গরু দাম করা নিকেতনের আরিফ মোল্লা বলেন, গতকাল একবার এসেছিলাম। তবে বৃষ্টির কারণে কিনতে পারি নি। আজ আবার এসেছি। ছোট সাইজের দুইটা গরু পছন্দ হয়েছে। তবে উনি (গরুর মালিক) দুই লাখ চাচ্ছে। আমরা এক লাখ ৩০ পর্যন্ত বলেছি।

IMG_20240614_135115

গত বছরের তুলনায় এখনও বাজার কিছুটা চড়া বলে দাবি এই ক্রেতার।

মৌচাক থেকে আসা শাহরিয়ার বলেন, গত বছরের তুলনায় দাম কিছুটা বেশি মনে হচ্ছে। গরু দেখছি, দামে মিললে কিনে নেব। নয়তো অন্য হাটে দেখব।

এদিকে ক্রেতা কিছুটা বাড়লেও বিক্রির সঠিক তথ্য দিতে পারেনি হাসিল ঘরের দায়িত্বরতরা। তারা জানান, গতকাল থেকে বেচাবিক্রি বেড়েছে। আজকে সকাল থেকে মোটামুটি ছিল, বিকেলের দিকে আরও বাড়বে বলে আশা করি। তবে ঠিক কয়টা গরু হাটে এসেছে বা বিক্রি হয়েছে তার পরিপূর্ণ তথ্য এই মূহুর্তে নেই। সন্ধ্যার পর বিক্রির তথ্যটা হয়তো দিতে পারব। তবে গরু বা ছাগলের সংখ্যাটা আনলোড অফিস বা ইজারাদার বলতে পারবে।

এমএইচ/এমএইচএম

আপডেট পেতে ফলো করুন

Google NewsWhatsAppMessenger
সর্বশেষ
জনপ্রিয়

সব খবর