কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলায় পৃথক দুটি অভিযানে এক হাজার ৬০০ পিস ইয়াবা ও ১০ কেজি গাঁজাসহ পাঁচ মাদক কারবারিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। যাদের ‘পেশাদার মাদক ব্যবসায়ী’ বলছে জেলা পুলিশের গোয়েন্দা শাখা (ডিবি)।
পুলিশ সুপারের কার্যালয়ের মিডিয়া সেলের পৃথক দুটি প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়।
বিজ্ঞাপন
জানা যায় সোমবার ভোর রাতে কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলার মহিনন্দন ইউনিয়নের হাজী ইসরাইল মেহেরুন্নেসা টেকনিক্যাল ইনস্টিটিউটের সামনে থেকে একহাজার ৬০০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট সহ ৩ জন মাদক কারবারিকে গ্রেপ্তার করা হয় । গ্রেফতারকৃতদের দুইজনই কক্সবাজারের উকিয়া উপজেলার কুতুপালং রেজিস্ট্রি ক্যাম্প বি-ব্লক এলাকার বাসিন্দা। তাদের মধ্যে একজন শামসুল আলমের ছেলে মো. ইলিয়াস (২০) অপরজন নবী হোসেনের ছেলে মোঃ আব্দুল্লাহ (১৮) এবং বাকী একজন মহিনন্দন এলাকার আব্দুল খালেকের ছেলে মোঃ কামরুল ইসলাম (২৮) ।
এলাকাবাসীর সূত্রে জানা যায় যে কামরুল ইসলামের সাথে ইলিয়াস ও আব্দুল্লাহ দীর্ঘদিন ধরে তাদের বন্ধুত্ব। গ্রেফতারকৃত তিনজনই কিশোরগঞ্জ সদর সহ বিভিন্ন এলাকায় এই ইয়াবা নামক মাদক ব্যবসা করে আসছিল, তারা শুধু ব্যবসা করে না তারা নিজেরাও সেবন করে এবং কোমলমতি ছেলেদেরকেও এটা সেবনে উৎসাহী করে আসছিল। পুলিশ জানায়, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তারা এই মাদক ব্যবসার সাথে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছেন ।
এ ঘটনায় কিশোরগঞ্জ মডেল থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮-এ একটি নিয়মিত মামলা দায়ের করা হয়েছে।
এদিকে ডিবির পৃথক আরেকটি অভিযানে আজ ১২ জুন দুপুরে কিশোরগঞ্জ জেলার অষ্টগ্রাম উপজেলার ইকুরদিয়া খেয়াঘাট এলাকা থেকে ১০কেজি গাঁজাসহ দুইজন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করা হয়েছে। গ্রেফতারকৃত একজন ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার বিজয়নগর উপজেলার আদমপুর এলাকার মৃত মান্নান ভূইয়ার ছেলে মো. ইউনুছ মিয়া (৫৪) অপরজন একই জেলার সদর উপজেলার কাছাইট এলাকার মো. আবু জাফর মুন্সির ছেলে মো. তুহিন মুন্সি (২৪)।
বিজ্ঞাপন
পুলিশ জানায় গ্রেফতারকৃত দুই আসামী পরস্পর যোগসাজসে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার সীমান্ত অঞ্চল থেকে গাঁজাসহ অন্যান্য মাদকদ্রব্য ক্রয় করে এনে কিশোরগঞ্জ জেলাসহ আশেপাশের এলাকাগুলোতে দীর্ঘদিন যাবৎ বিক্রয় করে আসছে।
এ ঘটনায় আসামিদ্বয়ের বিরুদ্ধে কিশোরগঞ্জের অষ্টগ্রাম থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮-এ একটি নিয়মিত মামলা দায়ের করা হয়েছে।
প্রতিনিধি/একেবি

