রোববার, ২৩ জুন, ২০২৪, ঢাকা

সড়কের দুরবস্থা: পথচারীদের সীমাহীন দুর্ভোগ

বাকি বিল্লাহ
প্রকাশিত: ২৪ মে ২০২৩, ০৫:১৯ পিএম

শেয়ার করুন:

সড়কের দুরবস্থা: পথচারীদের সীমাহীন দুর্ভোগ

মনোহরদীর উপজেলার চালাকচর থেকে মাষ্টারবাড়ি পর্যন্ত ৮ কিলোমিটার। এ সড়ক দিয়ে দৈনিক কয়েক সহস্রাধিক পথচারীর যাতায়াত। নিয়মিত চলে সিএনজি, অটোরিকশা, মোটরবাইক, ট্রাকসহ নানা যানবাহন।

কিন্তু রাস্তাটির অবস্থা এতই বাজে যে, একজন সুস্থ মানুষ এ রাস্তায় চলাচল করলে অসুস্থ হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। রাস্তার দুরবস্থার জন্য দুর্ভোগে পড়েছে সাধারণ পথচারীরা। কিন্তু ব্যস্ততম এ রাস্তার সংস্কারে নেই কোনো উদ্যোগ।


বিজ্ঞাপন


স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, চালাকচর বাজার, বীরগাঁও চৌরাস্তা বাজার, দরগার বাজার, মাষ্টারবাড়ি বাজার, কটিয়াদী বাজারের লোকজনসহ এলাকাবাসীর চলাচলের প্রধান সড়ক হলো এটি। এছাড়াও  সড়কের ওপরে খিদিরপুর, কৃষ্ণপুর ও চরমান্দলিয়া ইউনিয়নের পীরপুর উচ্চ বিদ্যালয়, পীরপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, পীরপুর ভাটিপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, ডোমনমারা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, বীরগাঁও উচ্চ বিদ্যালয়, পশ্চিম বীরগাঁও বালিকা দাখিল মাদরাসা, চরমান্দালিয়া উচ্চ বিদ্যালয় ও চরমান্দালিয়া নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়সহ বেশ ক’টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান রয়েছে।

Road

যার কারণে এসব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা এ সড়ক দিয়েই চলাফেরা করে। শুধু তাই নয় খিদিরপুর, কৃষ্ণপুর এবং চরমান্দারী এ ৩টি ইউনিয়নে উৎপাদিত কৃষি পণ্য পরিবহন ও বাজারজাতকরণেও সড়কটির গুরুত্ব অপরিসীম। পাকা সড়কটি দীর্ঘদিন ধরেই কটিয়াদী উপজেলা সীমানা পর্যন্ত ভাঙ্গাচোরা ও খানাখন্দে পরিপূর্ণ। ফলে গুরুত্বপূর্ণ এ সড়কটি দিয়ে চলাচলকারীদের ভোগান্তির অন্ত নেই।

স্থানীয় শহিদুল ইসলাম বলেন, অনেক এলাকার মানুষের একমাত্র সড়ক এটি। এছাড়া দৈনন্দিন প্রয়োজনে মনোহরদী উপজেলা সদরে চিকিৎসার জন্য উপজেলা স্বাস্থ কমপ্লেক্সে যাতায়াতের জন্য ব্যবহৃত রাস্তাও বটে। এ রাস্তাটির কারণে প্রচণ্ড ভোগান্তির সম্মুখীন রয়েছেন এলাকার মানুষ।


বিজ্ঞাপন


সিএনজিচালিত অটোরিকশাচালক আবুল হোসেন বলেন, ৫ মিনিটের গন্তব্যে পৌঁছাতে সময় লাগে এখন ২৫ মিনিট। ভাঙাচোরা রাস্তার জন্য গাড়ির বিভিন্ন যন্ত্রাংশ দ্রুত নষ্ট হচ্ছে। কিন্তু ভাড়া আগের মতোই হওয়ার কারণে সীমাহীন আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছি আমরা। অটেরিকশাচালক হাদিস ও মোশাররফ বলেন, চালাকচর থেকে মাষ্টারবাড়ি হয়ে কটিয়াদী পর্যন্ত রাস্তায় নিয়মিত অটোরিকশা চালিয়ে থাকি আমরা। আমরা চাই রাস্তাটির দ্রুত সংস্কার হোক।

এ বিষয়ে মনোহরদী উপজেলা প্রকৌশলী মীর মাহিদুল ইসলাম বলেন, রাস্তাটির উন্নয়নে তারা একটি প্রকল্প গ্রহণ করেছেন। এবং তা অনুমোদনের জন্য পাঠিয়েছেন। অনুমোদন এলেই টেন্ডার হবে। তবে কবে নাগাদ সেটি হতে পারে তা অবশ্য বলতে পারেননি তিনি।

প্রতিনিধি/এসএস

ঢাকা মেইলের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

সর্বশেষ
জনপ্রিয়

সব খবর