কুষ্টিয়া দৌলতপুরে ১২ বছরের এক মাদরাসা শিক্ষার্থীকে যৌন নির্যাতনে অভিযোগে একই মাদরাসার শিক্ষক সিরাজুল ইসলামকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। শনিবার ১৩মে দুপুরে দৌলতপুর উপজেলার মথুরাপুর ইউনিয়নে হোসেনাবাদ ফজলুল উলুম বহুমুখী মাদরাসা থেকে ওই শিক্ষককে গ্রেফতার করে পুলিশ। এর আগে ছাত্রকে যৌন নির্যাতনের অভিযোগ এনে বিক্ষুব্ধ অভিভাবকরা ওই শিক্ষককে মাদরাসার একটি কক্ষে অবরুদ্ধ করে রাখে।
ভুক্তভোগী শিশুটির পরিবারের বরাত দিয়ে দৌলতপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি মুজিবর রহমান বলেন, দুইদিন আগে হোসেনাবাদ ফজলুল উলুম বহুমুখী মাদরাসার শিক্ষক সিরাজুল ইসলাম মাদরাসার ১২ বছরের এক শিশু শিক্ষার্থীকে গভীর রাতে তার রুমে ডেকে নিয়ে যৌন নির্যাতন চালায়। এসময় ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী চিৎকার করলে তকে মেরে ফেলার হুমকি দেন সিরাজুল । পরে শনিবার সকালে শিশুটি বাড়িতে এসে ঘটনাটি তার বাবা মাকে জানায়। দ্রুত সময়ের মধ্যে বিষয়টি এলাকায় ছড়িয়ে পড়ে। এতে এলাকাবাসী ক্ষিপ্ত হয়ে মাদরাসা ঘেরাও করে ওই শিক্ষককে অবরুদ্ধ করে রাখে। খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে সিরাজুলকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য থানায় নিয়ে আসে।
ওই শিশুটির বাবা অভিযোগ করে বলেন, আমরা আমাদেরা সন্তানদের ইসলামের সঠিক শিক্ষা দিতে এখানে পাঠিয়েছি। কিন্তু আমার ছেলের সঙ্গে যা ঘটেছে, এরপর আমার ছেলেকে এখানে আর রাখব না। এই ঘটনা মাদরাসা কর্তৃপক্ষের উদাসীনতার জন্যই হয়েছে। এই ঘটনার বিচার দাবী করেন তারা।
এবিষয়ে দৌলতপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি মুজিবর রহমান বলেন, অভিভাবকদের অভিযোগের ভিত্তিত্বে হোসেনাবাদ ফজলুল উলুম বহুমুখী মাদরাসার শিক্ষক সিরাজুল ইসলামকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য থানায় নিয়ে আসা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে সে ওই ঘটনার কথা স্বীকার করায় তার নামে নিয়মিত মামলা দায়ের করা হয়েছে। এবং সেই মামলায় তাকে গ্রেফতার দেখিয়ে আদালতে পাঠানো হয়েছে।
প্রতিনিধি/একেবি




