রোববার, ১৪ জুলাই, ২০২৪, ঢাকা

রাবি’র প্রীতি বাঁচতে চায়

কামরুল হাসান অভি
প্রকাশিত: ২৩ জানুয়ারি ২০২৩, ০৮:৫৫ এএম

শেয়ার করুন:

রাবি’র প্রীতি বাঁচতে চায়
খাদিজা জাকির প্রীতি

মানুষ মানুষের জন্য, জীবন জীবনের জন্য। মানুষের জীবন বাঁচাতে মানুষই পাশে দাঁড়ায়, সহায়তার হাত বাড়ায়। তাই এভাবেই যদি সমাজের বিত্তবান থেকে শুরু করে সবাই সাধ্যমতো সাহায্যের হাত বাড়ায় তাহলে বেঁচে যেতে পারে প্রীতি।

লিভারের জটিল রোগে আক্রান্ত রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) শিক্ষার্থী ‘খাদিজা জাকির প্রীতি’। একরাশ স্বপ্ন নিয়ে নানা বাধা অতিক্রম করে ভর্তি হয়েছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ে। কিন্তু দেহে বেধেছে জটিল রোগের বাসা। তবে প্রীতি রোগের কাছে হারতে নারাজ। সে বাঁচতে চায়। তার চিকিৎসার জন্য প্রয়োজন ৩০ থেকে ৪০ লাখ টাকা। অসহায় বাবার একমাত্র মেয়েকে বাঁচাতে জমিজমা বিক্রি করেও মেয়ের চিকিৎসার টাকা জোগাড় করতে পারেননি। শেষ চেষ্টা হিসেবে মানবিক সাহায্যের হাত বাড়িয়েছেন তিনি।


বিজ্ঞাপন


প্রীতি বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের ২০২০-২১ সেশনের শিক্ষার্থী। তার বাড়ি টাঙ্গাইল সদর উপজেলার নাগরপুর গ্রামে। বাবা মো. জাকির হোসেন, মা ফরিদা আক্তার চাকরি সূত্রে ঢাকার ডেমরায় ভাড়া বাসায় থাকেন। পরিবারের দুই বোনের মধ্যে প্রীতি বড়।

প্রীতির বাবা জাকির হোসেন বলেন, প্রীতির অসুস্থতার বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র উপদেষ্টা স্যারের সঙ্গে কথা হয়েছে। তিনি প্রীতির চিকিৎসার জন্য সাহায্য করতে চেয়েছেন। তার বিভাগের শিক্ষার্থীরা চিকিৎসার জন্য অর্থ সংগ্রহ করছে। সবাই সবার জায়গা থেকে সহযোগিতা করছে।

 

জাকির হোসেন আরও বলেন, চিকিৎসার জন্য এরইমধ্যে প্রায় ৩ লাখ টাকা খরচ হয়েছে। লিভার ট্রান্সপ্ল্যান্টের জন্য প্রয়োজন প্রায় ৩০-৪০ লাখ টাকা। ঢাকার উত্তরখানের একটি জমির অংশ ও গ্রামের পৈতৃক কিছু সম্পত্তি বিক্রির চেষ্টা করছি। তারপরও আরও অনেক টাকা প্রয়োজন।


বিজ্ঞাপন


আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মো. শরিফুল ইসলাম বলেন, ‘আমরা বিভাগের শিক্ষকরা এ বিষয়ে অবগত আছি। আমরা আমাদের জায়গা থেকে যতটা পারি চেষ্টা করছি, তার চিকিৎসা জন্য আর্থিকভাবে সহায়তা করার। বিভাগের শিক্ষার্থীরা আমাদের সন্তানের মতো। প্রীতির চিকিৎসা ভারতের কোথায় করানো হবে জানতে চাইলে বাবা জাকির হোসেন বলেন, এরইমধ্যে ভিসার কাজ সম্পন্ন করেছি। চিকিৎসার জন্য ভারতের কয়েকটি হাসপাতালে যোগাযোগ করা হয়েছে। তবে চেন্নাইয়ের রেলা ইনস্টিটিউটে তার চিকিৎসা করার কথা ভাবছি।

প্রীতিকে নিম্নোক্ত মাধ্যমগুলোতে আপনার অনুদান পাঠাতে পারেন।

Khadiza Jakir Prety

A/C- 1351050173802

DBBL,RAJSHAHI.

MAHMMAD JAKIR HOSSAIN,

A/C- 128101123180

DBBL.Shimrail Branch

বিকাশ/নগদ-

+8801715130614

-প্রীতির বাবা মো. জাকির হোসেন।

টিবি

ঢাকা মেইলের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

সর্বশেষ
জনপ্রিয়

সব খবর