ব্রাহ্মণবাড়িয়া শহরে সামিয়া (১৫) নামের এক কিশোরীর ঘরে ঢুকে গলা, দুই হাত ও দুই পায়ের রগ কেটে দিয়েছে দুর্বৃত্তরা।
বৃহস্পতিবার (১২ জানুয়ারি) সকালে জেলা শহরের মেড্ডা এলাকায় এই ঘটনা ঘটে।
বিজ্ঞাপন
ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর মডেল থানার পরিদর্শক (তদন্ত) সোহরাব আল হোসাইন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
সামিয়া জেলার সরাইল উপজেলার ইসলামাবাদ (গোগদ) গ্রামের রাশেদ মিয়ার মেয়ে। সে জেলা শহরের মেড্ডায় বড় বোনের বাসায় থেকে স্থানীয় একটি মাদরাসায় পড়াশোনা করে।
হাসপাতাল ও পরিবার সূত্রে জানা যায়, সামিয়ার বোন সকালে সামিয়া ও তার এক ভাগ্নিকে বাড়িতে রেখে বাজারে যায়। সানিয়াকে ঘরে রেখে তার ভাগ্নি ছাদে যায়। এর কিছুক্ষণ পরই সামিয়ার চিৎকার শুনতে পেয়ে বাড়িওয়ালাসহ প্রতিবেশিরা দৌড়ে তার কক্ষে যান। সেখানে গিয়ে তারা দেখতে পান সামিয়া মেঝেতে পড়ে ছটফট করে কান্না করছে। তার গলা, দুই হাত ও পায়ের রগ কাটা। দ্রুত তাকে উদ্ধার করে জেলা সদর হাসপাতালে নিয়ে আসলে সার্জারি বিভাগে ভর্তি করা হয়। খবর পেয়ে দ্রুত হাসপাতালে আসেন সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ও পরিদর্শকসহ (তদন্ত) পুলিশের একটি দল।
জরুরি বিভাগের চিকিৎসক ডা. হাবিবুর রহমান জানান, ওই কিশোরীকে সার্জারী বিভাগে ভর্তি দেওয়া হয়েছে। সেখান থেকে সার্জারী বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা তাকে অপারেশন থিয়েটারে নিয়ে গেছেন। তবে সে আশঙ্কামুক্ত রয়েছে।
বিজ্ঞাপন
থানার পরিদর্শক (তদন্ত) সোহরাব আল হোসাইন জানান, খবর পেয়ে হাসপাতালে গিয়ে রোগীকে দেখে আসা হয়েছে। সেখান থেকে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করা হয়েছে। হামলাকারীকে তারা কেউ দেখেনি। ধারণা করা হচ্ছে, পূর্ব শত্রুতার জেরে এই ঘটনাটি ঘটিয়েছে।
টিবি




