কক্সবাজারের টেকনাফ শাহপরীর দ্বীপে এক জালে প্রায় ১৫ মণ ওজনের ২০০টি লাল কোরাল মাছ ধরা পড়েছে। একেকটি মাছের ওজন সাড়ে তিন থেকে পাঁচ কেজি। গতকাল মঙ্গলবার (২৩ আগস্ট) দুপুর ১টার দিকে মাছগুলো শাহপরীর দ্বীপ মিস্ত্রিপাড়া ঘাটে নিয়ে আসা হয়।
এর আগে, সোমবার (২২ আগস্ট) দিবাগত রাত ৩টার দিকে উপজেলার মিস্ত্রিপাড়ার বাসিন্দা মো. আতাউল্লাহর ট্রলারে বঙ্গোপসাগরের ‘৯ বাইন’ এলাকায় মাছগুলো ধরা পড়ে।
বিজ্ঞাপন
শাহপরীর দ্বীপ মিস্ত্রিপাড়া ট্রলার মালিক সমিতির সভাপতি মোহাম্মদ আইয়ুব এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
ট্রলারের মাঝি মো. আবদুর রশিদ বলেন, সোমবার দুপুরের দিকে ১০ জন মাঝিমাল্লা নিয়ে তারা সাগরে মাছ ধরতে যান। রাতে সাগরের ‘৯ বাইন’ এলাকায় জাল ফেলেন। রাত ৩টার দিকে জেলেরা জাল টেনে তুলতেই দেখতে পান, বড় বড় লাল কোরাল ধরা পড়েছে। পরে ট্রলারে জাল তুলে দেখা যায়, সাড়ে তিন থেকে পাঁচ কেজি ওজনের ২০০টি লাল কোরাল ধরা পড়েছে। মাছগুলোর ওজন প্রায় ৬০০ কেজি।
ট্রলারের মালিক মো. আতাউল্লাহ বলেন, শাহপরীর দ্বীপ মিস্ত্রিপাড়া ঘাট থেকে অনেকগুলো ট্রলার একসঙ্গে সাগরে মাছ ধরতে গেলেও আমার ট্রলারেই মাছগুলো ধরা পড়েছে। কয়েক দিন আগেও একই ট্রলারে ১১০টি লাল কোরাল ধরা পড়েছিল। প্রতি মণ মাছের দাম ৩৩ হাজার ৩০০ টাকা করে চেয়েছি। নুরুল ইসলাম ও মোহাম্মদ হাসান নামে দুজন ব্যবসায়ী প্রতি মণ মাছ ২০ হাজার টাকা পর্যন্ত দাম বলেছেন। ন্যায্যমূল্য না পেলে বরফ দিয়ে মাছগুলো কক্সবাজার বা চট্টগ্রামে নিয়ে বিক্রয় করব।
টেকনাফ উপজেলার জ্যেষ্ঠ মৎস্য কর্মকর্তা মোহাম্মদ দেলোয়ার হোসেন বলেন, এক জালে ২০০টি লাল কোরাল ধরা পড়ার খবর শুনেছি। সুস্বাদু কোরাল বা ভেটকি মাছের কদর দেশব্যাপী। বঙ্গোপসাগরের গভীর পানির মাছ কোরাল সব সময় হাটবাজারে পাওয়া যায় না। এজন্য মাছের দাম কিছুটা বেশি।
বিজ্ঞাপন
প্রতিনিধি/এইচই

