ময়মনসিংহের ত্রিশালে চাঞ্চল্যকর আব্দুল মালেক হত্যা মামলার রায় দিয়েছেন আদালত। রায়ে চারজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড এবং ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া করা হয়েছে।
সোমবার (২২ আগস্ট) দুপুরে ময়মনসিংহ অতিরিক্ত ২য় দায়রা জজ আদালতের বিচারক সাবরিনা আলী এ রায় প্রদান করেন। দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন, আলতাব, জিন্নত, কিসমত ও মফিজউদ্দিন।
বিজ্ঞাপন
মামলার ৮ আসামির মধ্যে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় আহাম্মদ আলী ও সুজরু আলী নামে দুজনকে বেকসুর খালাস দেন বিচারক। অপর দুই আসামি মারা গেছেন।
১৯৮৮ সালের ২১শে আগস্ট ময়মনসিংহের ত্রিশালের দরিরামপুরে স্থানীয় বিরোধকে কেন্দ্র করে প্রকাশ্যে কুপিয়ে হত্যা করা হয় এলাকার মাতব্বর আব্দুল মালেককে। এ ঘটনায় নিহতের ভাই আবুল কাশেম বাদী হয়ে মামলা করলে তদন্ত কর্মকর্তা, ৮ জনের নামে আদালতে চার্জশিট দেন। মামলার স্বাক্ষীদের রিকলের বিষয়ে ১৯৯৪ সালে হাইকোর্টে আপিল করেন আসামিপক্ষ। ২০১২ সালে রিভিশন নিষ্পত্তি হয়। সেই অর্ডার কপি ময়মনসিংহ আদালতে রিসিভ করা হয় ২০১৫ সালে। এই দীর্ঘ সময়ে মারা গেছেন সোবহান ও সিদ্দিক নামে মামলার দুই আসামিও।
দীর্ঘদিন পর (৩৪ বছর) রায় হলেও, ন্যায় বিচার নিশ্চিত হওয়ায় তাতে সন্তোষ প্রকাশ করেছে বাদি পক্ষ। রায়ের সময় আসামিরা আদালতে উপস্থিত ছিলেন।
আব্দুল মালেকের ভাতিজা রিয়েল আহমেদ বলেন, ‘দীর্ঘদিন পর রায় হলেও আমরা সন্তুষ্ট। আদালতে আমরা ন্যায় বিচার পেয়েছি। আসামীরা উপযুক্ত শাস্তি পেয়েছে।’
বিজ্ঞাপন
বাদী পক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট মনোয়ারা বেগম পারভীন ঢাকা মেইলকে বলেন, ‘এই রায় দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে। সুরত হাল রিপোর্ট এবং সাক্ষীদের পূর্ণ সমর্থন ছিল বলেই এত বছরেও আসামিরা পার পায়নি। এই রায়ের মাধ্যমে মানুষ ন্যায় বিচার পায় সেটা প্রমাণিত হয়েছে।’
প্রতিনিধি/এএ




