শনিবার, ৭ নভেম্বর, ২০২৬, ঢাকা

ফেনীতে হাসপাতালে লকার ভেঙে সাড়ে ৬ লাখ টাকা চুরি

জেলা প্রতিনিধি, ফেনী
প্রকাশিত: ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ০৯:৪৯ পিএম

শেয়ার করুন:

ফেনীতে হাসপাতালে লকার ভেঙে সাড়ে ৬ লাখ টাকা চুরি
ফেনীর ইবনে হাসমান হাসপাতাল। ছবি: ঢাকা মেইল

ফেনী শহরের শহীদ শহীদুল্লা কায়সার সড়কস্থ ইবনে হাসমান হাসপাতালের চেয়ারম্যানের অফিস কক্ষে চুরির ঘটনা ঘটেছে। 

শুক্রবার রাত সাড়ে ৩টার দিকে জানালার গ্লাস খুলে ভেতরে ঢুকে লকার ভেঙে নগদ ৬ লাখ ৫২ হাজার টাকা এবং হাসপাতালের গুরুত্বপূর্ণ কাগজপত্র ও চেক বই নিয়ে গেছে চোরের দল। এ ঘটনায় শনিবার সন্ধ্যায় ফেনী মডেল থানায় লিখিত অভিযোগ করা হয়েছে।

হাসপাতালের চেয়ারম্যান আনোয়ার হোসেন জানান, শুক্রবার (৬ নভেম্বর) দিনের কাজ শেষে তিনি অফিস কক্ষ বন্ধ করে বাসায় চলে যান। হাসপাতালের অন্যান্য কর্মীরা প্রতিষ্ঠানেই ছিলেন। হাসপাতালের সিসি ক্যামেরার ফুটেজ অনুযায়ী, ওই দিন রাত ৩টা ৩০ মিনিট থেকে ভোর ৪টার মধ্যে চুরির ঘটনা ঘটে।

অভিযোগে বলা হয়, চোরেরা প্রথমে অফিস কক্ষের বাইরের ওয়ালে স্থাপিত সিসি ক্যামেরা লাঠি বা অন্য কোনো বস্তু দিয়ে আঘাত করে সরিয়ে দেয়। এরপর জানালার গ্লাস খুলে বাইরে থেকে কৌশলে ভেতরে থাকা লকার ঘুরিয়ে বাইরের দিকে আনে এবং কাটা চামুচ, ছুরি, কাঁচি বা অন্য কোনো যন্ত্র দিয়ে লকার খুলে ফেলে।

শনিবার (৭ নভেম্বর) সকাল ১০টার দিকে আনোয়ার হোসেন ও হাসপাতালের ব্যবস্থাপনা পরিচালক কামরুল হাসান অফিসে প্রবেশ করে দেখেন, লকার যথাস্থানে নেই। সেটি জানালার কাছে খোলা অবস্থায় পড়ে আছে এবং ভেতরে রাখা টাকা, প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ও চেক বই নেই। জানালার বাইরে কাটা চামুচ, ছুরি ও কাঁচি পড়ে আছে।

খবর পেয়ে ফেনী মডেল থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে আলামত সংগ্রহ ও ঘটনাস্থল পর্যবেক্ষণ করে।

আনোয়ার হোসেন বলেন, হাসপাতালের স্টাফদের বেতন, শেয়ার হোল্ডারদের সম্মানী, ব্যবস্থাপনা কমিটির সম্মানীসহ আমার ব্যক্তিগত ৬ লাখ ৫২ হাজার টাকা ওই লকারে রক্ষিত ছিল। চুরির ঘটনায় আমার অনেক বড় ক্ষতি হয়েছে।

হাসপাতালের ব্যবস্থাপনা পরিচালক কামরুল হাসান জানান, হাসপাতালের অফিস কক্ষে চুরির ঘটনা আমাদের বিচলিত করে তুলেছে। এটি একটি দুঃখজনক ঘটনা। আমরা থানায় অভিযোগ দিয়েছি। সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ করা হচ্ছে। আমরা চাই, আমাদের টাকাগুলো উদ্ধার হবে; এবং শিগগির অপরাধীরা শনাক্ত হয়ে আইনের আওতায় আসবে। আমরা আমাদের প্রতিষ্ঠানের নিরাপত্তা চাই।  

ফেনী মডেল থানার ওসি মো. আমিনুল ইসলাম বলেন, খবর পেয়ে তাৎক্ষণিকভাবে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে গুরুত্বপূর্ণ আলামত জব্দ করেছে। বিষয়টিকে আমরা গুরুত্বসহ দেখছি। শিগগির অপরাধীদের আইনের আওতায় আনতে কাজ করছে পুলিশ।

প্রতিনিধি/এলএ

আপডেট পেতে ফলো করুন

Google NewsWhatsAppMessenger
সর্বশেষ
জনপ্রিয়

সব খবর