দিনাজপুরের গোর-এ শহীদ বড় ময়দানের হেলিপ্যাড মাঠে তিন দিনব্যাপী ইজতেমার প্রথম দিনে লাখো মুসল্লির অংশগ্রহণে জুমার নামাজ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শুক্রবার (৬ নভেম্বর) দুপুর পৌনে ২টায় ইজতেমা মাঠে জুমার নামাজ শুরু হয়।
এতে তাবলিগ জামাতের সাথীদের পাশাপাশি শহরের বিভিন্ন এলাকা ও আশপাশের স্থান থেকে আসা মুসল্লিরা অংশ নেন। জুমার নামাজে ইমামতি করেন কাকরাইলের মুরুব্বি মুফতি সৈয়দ ওসামা ইসলাম।
নামাজের আগে ইজতেমা মাঠে আগত মুসল্লিদের উদ্দেশ্যে বয়ান করেন ঢাকার মুরুব্বি ডা. জাকির হোসেন।
ইজতেমায় দিনাজপুরের ১৩টি উপজেলাসহ পাশের ঠাকুরগাঁও, পঞ্চগড়, নীলফামারী, রংপুর, গাইবান্ধা, লালমনিরহাট ও কুড়িগ্রাম জেলা থেকে মুসল্লিরা অংশ নিচ্ছেন। এ ছাড়া সৌদি আরব, মালয়েশিয়া, থাইল্যান্ড ও সুদানসহ কয়েকটি দেশের জামাতও ইজতেমায় অংশ নিয়েছে।
জুমার নামাজে অংশ নিতে শহরের বিভিন্ন মহল্লা থেকে মুসল্লিরা সকাল থেকেই ইজতেমা মাঠে আসতে থাকেন। মাঠের সামিয়ানা ছাড়িয়ে খোলা জায়গায় রোদে দাঁড়িয়েও অনেককে নামাজ আদায় করতে দেখা যায়।
শহরের মুন্সিপাড়া মহল্লার আরিফুল ইসলাম পল্লব বলেন, ‘বড় জামাতে নামাজ আদায় করলে অনেক সওয়াব পাওয়া যায়। সেই আশায় ইজতেমায় এসে জুমার নামাজ আদায় করেছি।’
বালুবাড়ী মহল্লার ফরিদুল ইসলাম বলেন, ‘প্রতিবারই ইজতেমায় এসে জুমার নামাজ আদায় করি। জামাত যতবড় হয়, সওয়াবও তত বেশি পাওয়া যায়—এই আশায় প্রতিবছর মুসল্লিদের সঙ্গে নামাজ পড়তে আসি।’
সেতাবগঞ্জ থেকে আসা সোহেল রানা বলেন, এবারই প্রথম ইজতেমায় জুমার নামাজ আদায় করতে পেরে তিনি খুব খুশি। অনেক মুসল্লির সঙ্গে একসঙ্গে নামাজ আদায়ের মাধ্যমে সওয়াব অর্জনের পাশাপাশি, কারও না কারও দোয়া আল্লাহ কবুল করবেন এবং সবার গুনাহ মাফ করবেন বলে তিনি আশা করেন।
জেলা তাবলিগের দায়িত্বশীল শেখ সাবির আলী বলেন, তাবলিগের মুরব্বি, সাথী, দেশি-বিদেশি মেহমান ছাড়াও বিভিন্ন এলাকা থেকে মুসল্লিরা জুমার নামাজ আদায় করতে এসেছেন। সওয়াবের আশায় অনেকে সামিয়ানা ছাড়িয়ে রোদের মধ্যেও দাঁড়িয়ে নামাজ আদায় করেছেন।
তিনি আরও জানান, আগামী রোববার আখেরি মোনাজাতের মধ্য দিয়ে তিন দিনব্যাপী এই ইজতেমা শেষ হবে।
প্রতিনিধি/ এজে




